কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

সদ্যোজাতর প্রাণের থেকেও বেশি দামী ঘুম, নার্সের গাফিলতিতে মৃত্য়ু শিশুর, তুলকালাম বারাসাতে

সদ্যোজাতর প্রাণের থেকেও বেশি দামী ঘুম, নার্সের গাফিলতিতে মৃত্য়ু শিশুর, তুলকালাম বারাসাতে
মৃত শিশুটির পরিবার।

ঘটনাস্থল বারাসাতের এক বেসরকারি নার্সিংহোম। ঘটনার অভিঘাতে স্তব্ধবাক শিশুটির পরিবার।

  • Share this:

#বারাসাত: সকলেই জানত শিশুটি অসুস্থ। কিন্তু কেউ গা করেনি, রাতের ঘুমটার সঙ্গে আপোষ করতে চায়নি হাসপাতালের কর্মীরা। তারই মাশুল দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল শিশুটি। ঘটনাস্থল বারাসাতের এক বেসরকারি নার্সিংহোম। ঘটনার অভিঘাতে স্তব্ধবাক শিশুটির পরিবার।

৪ নভেম্বর বারাসতে যশোর রোডের ধারে এই নাসিং হোমে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস। বারাসত বিধানপল্লীর বাসিন্দ শর্মিষ্ঠার পরিবারের দাবি, ৪ নভেম্বর রাতেই চিকিৎসক তাঁদের এক ফুটফুটে সদ্যজাত সন্তানকে দেখায়।জানায় তাঁদের পুত্র সন্তান হয়েছে। মা ও সদ্যজাত বাচ্চা ভালো আছে।তবে সদ্যজাত বাচ্চার সামন্য শ্বাসকস্ট আছে, যা সদ্যজাত শিশুদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক। তার  জন্য কাঁচের ঘরে শিশুটিকে রাখা হচ্ছে।

৫ই নভেম্বর পরের দিন সকাল পরিবারের লোকজন নার্সিং হোমে আসে।সেই সময় তাদের জানানো হয় তাদের ফুটফুটে শিশু টি আর বেঁচে নেই।তখন সবে সকাল আটটা বেজেছে। সদ্যজাতের জ্যেঠু কিংকর বিশ্বাস জানান, নার্সিংহোম থেকে তাদের জানানো হয় রাতেই শিশুটির মৃত্য হয়েছে। কিংকর বিশ্বাসের অভিযোগ অনেক টাকা দিয়ে এই নার্সিং হোমে তাঁদের বাড়ির বউকে ভর্তি করিয়েছিলেন ভাল পরিষেবার জন্য।  অথচ সদ্যজাত সন্তানের অবস্থা খারপ হচ্ছে সেই কথা রাতেই তাদের কেউ জানায়নি।

এখানেই তাদের সন্দেহ হয়।শিশুটির অবস্থা খারাপ হচ্ছে সেই সময় নার্সিং হোম থেকে কোন খবর এল না? সকালে নার্সিং হোম যেতেই শিশু মৃত্যুর কথা জানালো। কী হয়েছিল সারা রাত? তা জানতে পরিবারের লোক জন ঐ ওয়ার্ডের রাতের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চান।অভিযোগ শুক্রবার নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ কোনও রকমে মৃত শিশুটিকে তাঁদের হাতে তুলে দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেস্টা করে। আজ শনিবার দুপুরে তারা লোকজন নিয়ে নার্সিং হোমে আসেন। ওয়ার্ডের সিসিটিভির  ফুটেজ দেখেতে চান। সেই চাপে কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়ার্ডের সিসিটিভি ফুটেজ দেখায়। মৃত শিশুর বাবা দীপঙ্কর বিশ্বাসের অভিযোগ কাঁচের ঘরে শিশুটিকে শুইয়ে দিয়ে সেই যে নার্স চলে গেছে তার পর প্রায় পাঁচ ঘন্টা পর শিশুটির কাছে আসে। এরই মধ্যে বিনা চিকিৎসায় তাদের শিশুটির মৃত্যু হয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা।

শিশুটির জ্যেঠু কিংকর বিশ্বাস এই দিন অভিযোগ করেন যে শিশু মৃত্যুর রাতে ঐ ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা নার্স ডলি দাস সারা রাত ঘুমিয়ে কাটিয়েছে।শিশুটির অবস্থার অবনতি হলেও কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা বা চিকিৎসক পর্যন্ত ডাকেননি।তাই চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলে এই দিন হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। বারাসাত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।হাসপাতাল কর্তা পি কে সাহা এই দিন জানান অভিযুক্ত নার্সকে তারা সাসপেন্ডও করেছেন কর্তব্যে গাফিলতির জন্য।

Published by: Arka Deb
First published: November 7, 2020, 5:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर