কলকাতা

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

পড়শি ক্লাবের আপত্তি, বেলেঘাটায় থমকে নতুন পুজোর উদ্যোগ !

পড়শি ক্লাবের আপত্তি, বেলেঘাটায় থমকে নতুন পুজোর উদ্যোগ !

সবকিছু ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ালো বেলেঘাটা অঞ্চলের আরও একটি ক্লাব সন্ধানী।

  • Share this:

#কলকাতা: ক্লাবে-ক্লাবে রেষারেষি আর তাতেই অনিশ্চয়তার কালো মেঘ বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারোদৎসবকে ঘিরে। খোদ কলকাতার বেলেঘাটার অঞ্চলের ঘটনা। দুর্গা পুজো করতে চেয়ে প্রশাসনের কাছে দরবার করেছিলেন বেলেঘাটা সিআইটি রোড বারোয়ারি ট্রাস্ট। এলাকায় নতুন পুজোর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিলেন পাশের পাড়ার পুজো কমিটি বিজয়ী সংঘ ও নব-মিলন পুজোর উদ্যোক্তারা।

সবকিছু ঠিকঠাকই এগোচ্ছিল। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ালো বেলেঘাটা অঞ্চলের আরও একটি ক্লাব সন্ধানী। পূর্ব কলকাতার বড় পুজো গুলোর অন্যতম সন্ধানী। ৫১তম বর্ষে পা রাখা সন্ধানীও একটা সময়ে যুক্ত ছিল অঞ্চলের ৯১ বছরের পুরনো পুজো নব-মিলনের সঙ্গে। সেই সন্ধানীর সম্পাদক সন্দীপ ঘোষ ও এবারের পুজোর সম্পাদক সুমন দে  বলছিলেন, "এলাকায় তিনটে পুজো রয়েছে। আরও একটা পুজোর দরকার কী কারণে, সেটা বোধগম্য নয়! স্বল্প দূরত্বে পুজো হলে এলাকার মানুষের সমস্যা হবে। আমরা এই পুজোর উদ্যোগকে স্বাগত জানাতে পারছি না।"

দুর্গা পুজো বাঙালির আবেগ, বাঙালির ভালোবাসা। কয়েক ফুট দূরত্বে হাত ধরাধরি করে  বড় পুজোর সহাবস্থানের সাক্ষী থেকেছে এই শহর। দক্ষিণে বালিগঞ্জ কালচারাল ও সমাজসেবী-র পুজোর মধ্যে দূরত্ব মাত্র কয়েক ফুটের। ৬৬ পল্লী বা বাদামতলা আষাঢ় সংঘর পুজো বেড়ে উঠেছে গা ঘেষাঘেষি করে। তাহলে বেলেঘাটা অঞ্চলের সিআইটি রোড বারোয়ারির মানুষজন নিজস্ব পুজো চাইলে সমস্যা কোথায়? সিআইটি রোড বারোয়ারির অন্যতম সদস্য শান্তনু বিশ্বাস বলছিলেন, "পাড়ার মহিলা,যুবক, বয়স্করা নিজস্ব পুজো চান। তাই নিয়ম-বিধি মেনেই পুজোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বছরভর বিভিন্ন রকম সমাজকল্যাণমূলক কাজকর্ম করা হয়। পুজোটা করতে পারলে ট্রাস্টের কর্ম বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। আর দূর্গা পুজো তো আমাদের বাঙ্গালীদের আবেগ। তাহলে নতুন একটা পুজো হলে কার কীসের সমস্যা!"

বাঙালির পুজো এখন ইন্ডাস্ট্রি। এলাকায় পুজো বাড়লে মানুষের আনাগোনা বাড়বে। অসংখ্য মানুষের পেশা ও জীবিকার সংস্থান হবে। এই ভাবনা থেকেই সিআইটি রোড বারোয়ারির  পূজোর উদ‍্যোগকে সমর্থন জানিয়ে এগিয়ে এসেছে নব-মিলন ও বিজয়ী সংঘ। বেলেঘাটার বিধায়ক পরেশ পাল জানান, "পুজো আয়োজনের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বিধি রয়েছে। সেই সব মেনে পুজো করলে তো ভালোই।"

ঢাকের বোল,  কাশফুলের আনাগোনা, মায়ের বোধন, মহাষ্টমীর অঞ্জলি, বিসর্জনের বাজনা। দুর্গা পুজো মানেই তো সম্প্রীতির আবহে উৎসবের আমেজ। নিজের পাড়ায় নিজস্ব দুর্গাপুজোর করার  অপেক্ষায় দিন গুনছেন সিআইটি রোড বারোয়ারির আট থেকে আশি। সন্ধানীর আপত্তি ও বিরোধিতায় অনিশ্চয়তার মেঘ শহরের নতুন দুর্গাপুজোর জন্ম ঘিরে। খোদ কলকাতায় ক্লাব রাজনীতির বেড়াজালে আটকা পড়লেন মা উমা।

PARADIP GHOSH 

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: October 6, 2020, 1:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर