দোলনাতে দোল খেতে গিয়ে গলায় ফাঁস! হাবড়ায় মৃত্যু পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রের

দোলনাতে দোল খেতে গিয়ে গলায় ফাঁস!  হাবড়ায় মৃত্যু পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রের
প্রতীকী চিত্র

দশ বছরের ছেলেকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ হাবড়া-দক্ষিণের পল্লীমঙ্গল এলাকার দাস পরিবার।

  • Share this:

#হাবড়া: ঘরের মধ্য ফুটবলটা অনড় পড়ে রয়েছে। নাগাড়ে কান্নার সুর ভেসে আসছে। দশ বছরের ছেলেকে হারিয়ে  শোকস্তব্ধ হাবড়া-দক্ষিণের পল্লীমঙ্গল এলাকার দাস পরিবার।

গতকাল বিকেলে  এক গৃহশিক্ষকের কাছ থেকে পড়ে বাড়ি ফিরেছিল বছর দশের সোহম দাস।করোনা অতিমারীর এই সময় পড়াশোনা সেভাবে হয়নি। কিন্তু আসতে আসতে স্বাভাবিকতা ফিরছিল। তাই এদিন সোহমকে পড়াতে আরও একজন গৃহশিক্ষক এর আসার কথা ছিল।সেই শিক্ষক আসতে একটু দেরি হচ্ছে দেখেই  ছোট্ট সোহম দাস মায়ের কাছে আবদার করে। একটু খেলতে চায় সে। তবে সন্ধ্যার মুখে বাড়ির বাইরে যেতে তার মা বারণ করেন। সোহম মায়ের কথা মতো বাইরে না গিয়ে সোজা বাড়ির দোতলার ঘরে চলে যায়। সে সময় বাড়ির অন্যান্যরা  সেসময় ছিলেন এক তলায়। কাপড়ের দোলনায় দোল খাওয়া শুরু করতেই বিপত্তি।

সোহম দাসের জ্যাঠামশাই রঞ্জন দাস আজ বুধবার জানান, একা সোহম দোতলার ঘরের জানলায় দোল খাচ্ছিল। কাপড়ের দোলনায় বসে প্যাঁচ দিয়ে ঘুরে ঘুরে দোল খাওয়াটা ছোট্ট সোহমের একটা প্রিয় খেলা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একই ভাবে দোল খাচ্ছিল সে, বলে তাঁর অনুমান।সোহম দাসের জ্যাঠা মশাই রঞ্জন দাসের দাবি এক দিকে পাক দিলে দোলনা যেমন ঘুরে গিয়ে আবার আগের জায়গায় এসে উল্টো পাক দেয় সেই ধরনের পাঁকে সোহমের গলায় আটকে যায় দোলনার কাপড়।আর তাই মৃত্যু হয় বছর ১০ এর সোহমের।


দোতালায় ওঠার দশ মিনিট পরে সোহমের মা গিয়ে দেখে দোলনার প্যাঁচে আটকে আছে সোহম।দ্রুত তাকে দোলনার প্যাঁচ থেকে ছাড়িয়ে হাবরা রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে নিয়ে আসে পরিবারের লোকজন।পেশায় ব্যাগের কারখানার কর্মী সোহমের বাবা ধনঞ্জয় দাস ছেলের সঙ্গে আসেন হাবরা হাসপাতালে। চিকিৎসকরা তাঁকে জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে সোহমের।

তন্ময় দে সোহমের প্রতিবেশী,  আজ বুধবার জানান কাপড়ের দোলনা জানলায় টানানো ছিল।সেই দোলনায় প্যাঁচে আটকেই চলে যেতে হল সোহমকে একটু নজর রাখলে সোহমের এমনটা হত না বলে তাঁর আক্ষেপ। হাবরাা হাসপাতাল থেকে সোহমের নিথর দেহ তুলে দেওয়া হয় পুুুুুুলিশের হাতে।আজ বারাসত হাসপাতালে সোহমের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়।

Published by:Arka Deb
First published:

লেটেস্ট খবর