corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজের আবেদন

কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজের আবেদন
ফাইল ছবি

২০১৫ নির্বাচনের পর কলকাতা পুরসভায় ৮মে প্রথম বৈঠক হয়। সেই অর্থে আজ ৭ মে ২০২০ মেয়াদ শেষ হচ্ছে বর্তমান পুরবোর্ডের। মেয়র, মেয়র পারিষদদেরও মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজই।

  • Share this:

#কলকাতাঃ ২০১৫ নির্বাচনের পর কলকাতা পুরসভায় ৮মে  প্রথম বৈঠক হয়। সেই অর্থে আজ ৭ মে ২০২০ মেয়াদ শেষ হচ্ছে বর্তমান পুরবোর্ডের। মেয়র, মেয়র পারিষদদেরও মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজই। রাজ্যে সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্ত কলকাতার। তাই জরুরি পরিষেবা অব্যহত রাখতে বোর্ড অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। সেই মর্মে ৬ মে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। বিজ্ঞপ্তি কলকাতা পুর আইনের পরিপন্থী দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ঠুকেছেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা শরদকুমার সিং। বিজেপি সমর্থক শরদ কুমার সিং রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজের আবেদন রেখেছেন মামলায়।

মামলাকারীর আইনজীবী ব্রজেশ ঝা ও বিকাশ সিং কথায়, "১৯৮০ সালে তৈরি কলকাতা পুর আইনের কোথাও মেয়াদ উত্তীর্ণ জনপ্রতিনিধিকে প্রশাসক নিযুক্ত করার কথা বলা নেই। রাজ্যের পুরমন্ত্রী কীভাবে তাহলে প্রশাসক হন! প্রয়োজনে কলকাতা পুর-কমিশনার সব কাজ সামলাতে পারেন। তাই রাজ্যের প্রশাসক বিজ্ঞপ্তি অবিলম্বে খারিজ করার আবেদন নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করা হয়েছে।" যদিও রাজ্যের যুক্তি ছিল, করোনা অতিমারির জেরে বর্তমানে নির্বাচন করা সম্ভবপর হয়নি। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের 'কলকাতা পুর নির্বাচন' নিয়ে মত বিনিময় হয় ২২ এপ্রিল। অতিমারীতে গৃহবন্দী শহরবাসী। সরকারি কর্মচারী, পুলিশ সবাই ব্যস্ত লকডাউনে জরুরি পরিষেবা পৌঁছে দিতে। এমতাবয়স্থায়  কোনওভাবেই নির্বাচন করা সম্ভব নয়, তাই পরিস্থিতির প্রয়োজনে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত।

বৃহস্পতিবার মামলার সব পক্ষকেই ই-মেলে নোটিশ ধরিয়েছেন মামলাকারী। লকডাউনে হাইকোর্টে অতি জরুরি মামলার শুনানি হচ্ছে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। ১২ মে বিশেষ বেঞ্চ রয়েছে হাইকোর্টে। মামলাকারী আইনজীবী বিকাশ সিং বলেন, হাইকোর্ট এবং প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি আমরা। প্রয়োজনে শুক্রবারই মামলার শুনানি হোক। ফিরহাদ হাকিমের মেয়র হওয়া নিয়ে এর আগেও আদালতে মামলা ওঠে। আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, "সেইবারের মামলায় আমাদের যুক্তি ছিল, কাউন্সিলর না হয়েও কীভাবে কেউ মেয়র পদে নিয়োগ হতে পারেন কলকাতা পুরসভায়!"

ARNAB HAZRA

First published: May 7, 2020, 2:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर