কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

এক ধাক্কায় ৭ জন ঢুকে পড়ল মাধ্যমিকের মেধাতালিকায়, নম্বর বাড়ল ৭ হাজার ছাত্রছাত্রী, জেনে নিন বিস্তারিত

এক ধাক্কায় ৭ জন ঢুকে পড়ল মাধ্যমিকের মেধাতালিকায়, নম্বর বাড়ল ৭ হাজার ছাত্রছাত্রী, জেনে নিন বিস্তারিত

রেজাল্ট বেরোনোর প্রায় তিন মাস বাদে মঙ্গলবার পঞ্চমীর দিন এই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ মাধ্যমিকের রিভিউ ও স্ক্রুটিনীর ফল প্রকাশ করেছে। ফলাফল প্রকাশের পরেই নজিরবিহীনভাবে এবছর আরও সাতজন মাধ্যমিকে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: মাধ্যমিকে মেধাতালিকায় আরও সাতজন ঢুকে পড়ল। তার জেরে এবার মাধ্যমিকের প্রথম দশের মেধাতালিকায় সর্বমোট ৯১ জন ছাত্র-ছাত্রী নিজেদের স্থান দখল করল। গত জুলাই মাসে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবছরের মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করেছিল। প্রথম দশে মোট ৮৪ জন ছাত্র-ছাত্রী মাধ্যমিকে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছিল। যদিও তার পরেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রত্যেক বারের মতো এবারেও রিভিউ ও স্কুটিনির জন্য আবেদনপত্র জমা নিতে শুরু করে।

রেজাল্ট বেরোনোর প্রায় তিন মাস বাদে মঙ্গলবার পঞ্চমীর দিন এই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ মাধ্যমিকের রিভিউ ও স্ক্রুটিনীর ফল প্রকাশ করেছে। ফলাফল প্রকাশের পরেই নজিরবিহীনভাবে এবছর আরও সাতজন মাধ্যমিকে মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে। এর পাশাপাশি মেধাতালিকায় থাকায় এক ছাত্রের স্থান বদলও হয়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ৩ নভেম্বরের পর থেকে পর্ষদের রিজিওনাল অফিস থেকে স্কুলগুলি সংশোধিত মার্কশিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ অর্থাৎ চলতি বছরের মাধ্যমিকের রিভিউ এবং স্ক্রুটিনীর আবেদনপত্রের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। অন্তত পর্ষদের পরিসংখ্যান এমনটাই বলছে। পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর রিভিউয়ের জন্য আবেদন করেছিল ২৬৯৪ জন ছাত্র-ছাত্রী। যার মধ্যে ৬১৫ জন ছাত্রছাত্রীর নম্বরের বদল হয়েছে। স্ক্রুটিনীর জন্য আবেদন জমা পড়েছিল ২৬২১৮ জন ছাত্র-ছাত্রীর। স্ক্রুটিনীর মাধ্যমে নম্বরের পরিবর্তন হয়েছে ৬২২৫ জনের। সাধারণত রিভিউতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ভুল হলে আবার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য রিভিউয়ের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু স্ক্রুটিনি সাধারণত যোগের ক্ষেত্রে ভুল হলে তা হলেই নম্বর বাড়ার সুযোগ থাকে। পশুদের পরিসংখ্যানই বলছে এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী কি করে নম্বর যোগের ক্ষেত্রে ভুল করলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা তা নিয়ে রীতিমতো প্রশ্ন আবারও উঠতে শুরু করেছে। যদিও গতবারের তুলনায় রিভিউ এবং স্ক্রুটিনি তে নম্বর পরিবর্তনের হার অনেকটাই কমে গেছে বলেই পর্ষদ সূত্রের খবর।

রিভিউ ও স্কুটিনির জেরে যে ৭ জন ছাত্র-ছাত্রী মাধ্যমিকে মেধাতালিকায় ঢুকে গেলেন তারা হলেন মালদার বাড়ল গার্লস হাইস্কুলের অঙ্কিতা মন্ডল। অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। নবম স্থান দখল করে মেধাতালিকায় যে ছাত্রছাত্রীরা স্থান পেয়েছেন তারা হলেন বহরমপুর জগন্নাথ একাডেমীর দ্বিজেন্দ্র মোহন  ত্রিবেদী এবং মালদার বার্লো গার্লস হাইস্কুলের রিতায়নী সাহা। দশম স্থান নতুনভাবে যেসমস্ত ছাত্রছাত্রীরা দখল করেছেন তারা হলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর বিদ্যাপীঠ রনিতা বিশ্বাস, জলপাইগুড়ির জলপাইগুড়ি ফণীন্দ্র দেব ইনস্টিটিউশনের দেবর্ষি পাল, বীরভূমের রামপুরহাট জিতেন্দ্র লাল বিদ্যাভবনের সায়ন চক্রবর্তী ও বাঁকুড়ার কেন্দুয়াদহি হাইস্কুলের কৌস্তভ ঘোষ। একদিকে যেমন এই ছাত্র-ছাত্রীরা নতুনভাবে মেধাতালিকায় স্থান দখল করে নিয়েছে, অন্যদিকে এক ছাত্রের আবার মেধাতালিকায় স্থান বদল হয়েছে। তবে রিভিউ এবং স্ক্রুটিনি ক্ষেত্রে যে সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাকে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল হয়েছে বা নম্বর যোগ করা ভুল হয়েছে সেইসব শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেবেন নাকি সে বিষয়ে পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় কোন মন্তব্য করতে চাননি। যদিও অতীতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুলের জন্য বেশ কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষিকাদের করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

 সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

Published by: Elina Datta
First published: October 21, 2020, 6:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर