মায়ের হাতে মায়ের আগমনী, স্বামীর হঠাৎ মৃত্যুর পর প্রতিমা গড়তে হাতে তুলে নিয়েছিলেন রং-তুলি

সালটা ১৯৮১। স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে রঙ-তুলি ধরেন স্ত্রী সীমা নাথ। সেটাই ছিল হাতেখড়ি। সংসার বাঁচাতে নেমে পড়েন নতুন কাজে। সম্বল শুধু-ই আত্মবিশ্বাস আর কয়েক দলা মাটি।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 13, 2019 10:32 PM IST
মায়ের হাতে মায়ের আগমনী, স্বামীর হঠাৎ মৃত্যুর পর প্রতিমা গড়তে হাতে তুলে নিয়েছিলেন রং-তুলি
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 13, 2019 10:32 PM IST

#বসিরহাট: ৩৮ বছর আগে রং-তুলি ধরেছিলেন। সালটা ১৯৮১। নেহাত বাধ্য হয়েই। স্বামীর হঠাৎ মৃত্যুর পর তাঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করে তুলে দিয়েছিলেন ক্রেতাদের হাতে। সেই শুরু। আজও উমার সংসার গড়ছেন বসিরহাটের সীমা নাথ। ৬৮ সীমা যেন নিজেই দুগগা।

সালটা ১৯৮১। স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে রঙ-তুলি ধরেন স্ত্রী সীমা নাথ। সেটাই ছিল হাতেখড়ি। সংসার বাঁচাতে নেমে পড়েন নতুন কাজে। সম্বল শুধু-ই আত্মবিশ্বাস আর কয়েক দলা মাটি।

উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাটের মার্টিন বার্ন রোডে এক চিলতে ঘর। তার মধ্যেই ৬৮ রোজনামচা। লড়াইটা সহজ ছিল না। মেয়ে ছোট। তার পড়াশোনা, ভাত, কাপড় জোগাড় করতে হিমসিম অবস্থা। স্বামীর পাশে দাঁড়িয়ে থেকে শেখা প্রতিমা তৈরির কাজটাই সেদিন সহজ মনে হয়েছিল।

আজ বড় ক্লান্ত লাগে। হতাশা জাপটে পড়ে ৬৮ শরীরকে। তবু থামেননি তিনি। হয়ত খড়, মাটি, রঙ-তুলির মাঝে আজও স্বামীকেই খোঁজেন সীমা। উমাকে ঘিরেই আরেক উমার নিত্য-যাপন।

First published: 10:32:58 PM Sep 13, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर