• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • 66 YEARS OLD MAN IS FIT NOW AFTER STAYING IN LIFE SUPPORT FOR 19 DAYS SWD

Coronavirus: ৪২ দিন ভেন্টিলেশন, ১৯ দিন একমো সাপোর্টে থেকে প্রাণ ফিরে পেলেন রাঁচির বৃদ্ধ! অসম্ভবকে সম্ভব করলেন কলকাতার চিকিৎসকরা

ঝাড়খণ্ডের রাঁচির বাসিন্দা গণেশ প্রসাদ সিংয়ের বয়স ৬৬ বছর। গত ৭ মে করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং চূড়ান্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাঁচির এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

ঝাড়খণ্ডের রাঁচির বাসিন্দা গণেশ প্রসাদ সিংয়ের বয়স ৬৬ বছর। গত ৭ মে করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং চূড়ান্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাঁচির এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

  • Share this:

#কলকাতা: গত দেড় বছর ধরে করোনাভাইরাস আমাদের জীবনকে ওষ্ঠাগত করে তুলেছে। সর্বত্রই শুধু খারাপ খবর। তবু এরই মধ্যে এক ঝলক মিষ্টি হাওয়ার মতো এই ঘটনা। ঝাড়খণ্ডের রাঁচির বাসিন্দা গণেশ প্রসাদ সিংয়ের বয়স ৬৬ বছর। গত ৭ মে করোনা আক্রান্ত হয়ে এবং চূড়ান্ত শ্বাসকষ্ট নিয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাঁচির এক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে ৩ দিন তাঁকে ভেন্টিলেশনে থাকতে হয়। এর পরে চিকিৎসকরা একপ্রকার জবাব দিয়ে দেন এবং তাঁর পরিবারকে জানান যে একমো সাপোর্ট ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

এরপরই গণেশ প্রসাদের পুত্র মুম্বইবাসী রাহুল কুমার জানতে পারেন রাঁচিতে একমোর কোনও ব্যবস্থা নেই। দ্রুত তাঁরা যোগাযোগ করেন কলকাতা এবং ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালে।

রাঁচি থেকে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট থাকা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে গণেশ প্রসাদ সিংকে উড়িয়ে আনা হয় কলকাতায়। এরপর শুরু হয় এক অসাধ্য সাধনের প্রক্রিয়া। ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা এক অনন্য রূপকথার জন্ম দিলেন। ১৯ দিন ধরে একমো সাপোর্টে অর্থাৎ কৃত্রিম হার্ট ও লাং মেশিন দ্বারা গণেশ প্রসাদ বাবুর হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস সক্রিয় রাখা হয়। একমো থেকে বের করার পরে টানা ৩৯ দিন ভেন্টিলেশনে থাকতে হয় গণেশ প্রসাদ সিংকে। তার পরে জেনারেল কেবিনে দেওয়া হয় তাঁকে। এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন গণেশ প্রসাদ সিং।

ঝাড়খণ্ডের রাঁচির বাড়িতে ফিরতে উন্মুখ গণেশ প্রসাদ সিং। ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের একমো বিশেষজ্ঞ তথা ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিশেষজ্ঞ সোহম মজুমদার জানান, "এই রোগীকে বাঁচিয়ে তোলা আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিল। খুব তৃপ্তি হচ্ছে। এই রোগীকে সুস্থ করে বাড়ি ফিরিয়ে দিতে পারছি বলে। গোটা দেশের মধ্যে এই করোনা পরিস্থিতিতে এত দীর্ঘ দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে থাকা কোনও রোগীকে বাঁচিয়ে তোলার কোনও দৃষ্টান্ত নেই। সবার কাছে আবেদন, আপনারা যেন প্রত্যেকে এখনও সতর্ক থাকেন এবং সচেতন থাকেন। করোনাকে আমাদের জয় করতে হবেই।"

অন্যদিকে বাবাকে নতুন জন্ম দিতে পেরে আনন্দে আত্মহারা একমাত্র পুত্র রাহুল কুমার এবং পুত্রবধূ অনামিকা। দুজনেই এক বাক্যে জানান,"এই চিকিৎসকরা আমাদের কাছে ঈশ্বর। বাবাকে যে আবার ফিরে পাব এই আশা আমরা ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এই চিকিৎসকরা যেভাবে লড়াই করে বাবাকে পুনর্জন্ম দিল, তাতে আমরা সারা জীবনের জন্য কৃতজ্ঞ।"

Avijit Chanda

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: