ভোটচতুর্থীতে রক্তস্নাত কোচবিহারেই ভোট পড়েছে সবচেয়ে বেশি, মোট ভোটদান ৭৯.৯০ শতাংশ

ভোটচতুর্থীতে রক্তস্নাত কোচবিহারেই ভোট পড়েছে সবচেয়ে বেশি, মোট ভোটদান ৭৯.৯০ শতাংশ

আরও একপর্ব ভোট আসছে, আসরে যুযুধান শিবির। প্রতীকী চিত্র

কমিশনের চূড়ান্ত আপডেট অনুযায়ী, কোচবিহারে মোট ভোটদানের পরিমাণ ৮৪.৭৬ শতাংশ।

  • Share this:

    #কলকাতা: রক্তস্নাত চতুর্থদফায় ভোট পড়ল মোট ৭৯.৯০ শতাংশ। আর হিংসার ঘটনা যেখানে সবচেয়ে বেশি সেই কোচবিহার জেলাতেই সবচেয়ে বেশি মানুষ ভোট দিয়েছেন। এমনটাই বলছে কমিশনের রিপোর্ট। কমিশনের চূড়ান্ত আপডেট অনুযায়ী, কোচবিহারে মোট ভোটদানের পরিমাণ ৮৪.৭৬ শতাংশ।

    ভোটের চতুর্থদফায় সারা বাংলায় নজর ‌চলে যায় একটি কেন্দ্রে। আপাত শান্তিপূর্ণ কোচবিহারে  মৃত্যু হয় পাঁচ তরতাজা যুবকের। সেখানকার মাথাভাঙাতেই ভোট পড়েছে  ৮৫.৭৫ শতাংশ। দুর্ঘটনার এপিসেন্টার শীতলকুচিতে ভোটদানের পরিমাণ  এছাড়া অন্য আটটি কেন্দ্রেও ভোট আশি শতাংশের বেশি। যেমন, মেখলিগঞ্জে ভোট পড়েছে ৮৭.৩১ শতাংশ, কোচবিহার উত্তরে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৯ শতাংশ। কোচবিহার দক্ষিণে ভোটদান  ৮২.৪৮ শতাংশ। দিনহাটায় ভোট পড়েছে ৮০.৬৯ শতাংশ. নাটাবাড়িতে ৮৭.৪৮ শতাংশ।

    কোচবিহার ছাড়াও এই দফায় ভোট ছিল আরও চারটি জেলায়। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে ভোটদানের পরিমাণও আশি শতাংশ ছাড়িয়েছে। সেখানে ভোট দিয়েছেন মোট ভোটারের ৮২.৫৪ শতাংশ। দক্ষিণে ভোটদানের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ৭৭.২৪ শতাংশ মানুষকে ভোট দিতে দেখা গিয়েছে হাওড়া জেলায়। হুগলিতে ভোট পড়েছে ৭৯.৭৫ শতাংশ। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় ভোট দিয়েছেন মোট ৭৭.২৫ শতাংশ মানুষ।

    ৭৯৩ কোম্পানি বাহিনী ভোটপরিচালনা করলেও খুব শান্তিপূর্ণ হয়নি চতুর্থ দফার ভোট। জায়গায় জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি  ছিল আগের দফাগুলিতেই। তবে সবকিছুকেই ছাপিয়ে গিয়েছে চতুর্থদফা। এই দিন বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যু হয় শীতলকুচিতে। বাহিনী গুলিচালনার দায় স্বীকার করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বেএক্তিয়ার কাজ করছে। তারপরেই এই ঘটনায় একদিকে যেমন স্তম্ভিত হয়েছে সাধারণ রাজ্যবাসী তেমনই তৃণমূল মাঠে নেমেছে তাদের অভিযোগের সত্যতা ্প্রমাণে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মত, গুলিচালনা হয়েছে বাধ্য হয়েই। ঘিরে ধরে রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে বাহিনীর তরফে। তৃণমূল পাল্টা প্রশ্ন করছে, সিসিটিভি ফুটেজ কই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, পায়ে বা হাতে গুলি না করে সোজা বুকে গুলিচালনা কেন!

    এরই মধ্যে নতুন করে বিতর্কর জন্ম দিয়েছে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য। আজ বরানগরের সভা থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন, "বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচির মতো ঘটনা হবে।" তৃণমূল কমিশনে গিয়েছে এই মন্তব্য নিয়ে। এই আবহেই প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে পঞ্চম দফার। শুধু প্রার্থীদেরই পরীক্ষালনয়। পরীক্ষা কমিশনের, বাহিনীর, ভোটারের।

    Published by:Arka Deb
    First published: