• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • বাদুড়িয়া শিশু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার আরও ৩

বাদুড়িয়া শিশু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার আরও ৩

বাদুড়িয়া শিশু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন।

বাদুড়িয়া শিশু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন।

বাদুড়িয়া শিশু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #বাদুড়িয়াঃ বাদুড়িয়া শিশু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার আরও তিন। ধৃত তিন জন কলকাতার দুটি নার্সিংহোমের কর্মী। সোমবারই আট জনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। তাঁকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে স্বামী-স্ত্রী সেজে শিশু পাচার করা হত। ধৃতদের জেরা করে তিন আড়কাঠিরও হদিশ মিলেছে। দুই চিকিৎসকের খোঁজ করছেন তদন্তকারীরা। ভিনরাজ্যেও যাচ্ছে সিআইডির দল।

    - বাদুড়িয়াকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ৩ - স্বামী-স্ত্রী সেজে শিশু পাচার - ধৃতদের জেরা করে ৩ আড়কাঠির হদিশ - ২ চিকি‍ৎসকের খোঁজে সিআইডি বাদুড়িয়া শিশু পাচার চক্রে কলকাতা যোগ। বেহালার ও কলেজ স্ট্রিটের দুই নার্সিংহোমের তিন কর্মীকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

     গ্রেফতার আরও ৩ঃ - পারমিত চট্টোপাধ্যায় - প্রভা প্রামাণিক - পুতুল বন্দ্যোপাধ্যায়

     আগেই আট শিশু পাচারকারীকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ধৃতদের জেরা করে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে - স্বামী-স্ত্রী সেজে শিশু পাচার করা হত- পুলিশের চোখে ধুলে দিতেই এই ব্যবস্থা।ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও তিন আড়কাঠির হদিশ মিলেছে।

    - রাজা, বাপী ও অতিক্রম ব্যাপারি নামে ৩ আড়কাঠির হদিশ - আড়কাঠিরাই ভিনরাজ্য থেকে বরাত নিয়ে আসত - তারাই শিশু পাচারের ব্যবস্থা করত    কীভাবে এই চক্র চলত, তাও তদন্তে জানাতে পেরেছে পুলিশ। - কী ভাবে শিশু পাচার? - সন্তানসম্ভবা ফুটপাতবাসীদের শুশ্রুষার জন্য নিয়ে আসা হত - তাঁদের সন্তানদেরই ভিনরাজ্যে পাচার করা হত - শিশুদের পরিবারকে ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হত - ভিন রাজ্যের ক্রেতাদের বার্থ সার্টিফিকেট দিত নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ বুধবারই মধ্যস্ততাকারী এনজিওতে হানা দেন সিআইডির তদন্তকারীরা। এনজিওটিকে সিল করে দেওয়া হয়।অভিযুক্ত চিকিৎসক তপন বিশ্বাসের বাড়িও সিল করে দেয় সিআইডি। তাঁর স্ত্রী ও দাদাকে আটক করা হয়েছে। সত্যজিৎ সিনহার বাড়িতেও CID হানা দেয়। পাশাপাশি নার্সিংহোমের দেওয়া বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেটগুলো আসল না নকল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসনের কেউ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত কিনা? তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    First published: