• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • পরিবারে তিন সদস্য হারিয়েছেন চাকরি, ‘দুয়ারে সরকার’-এ সম্ভব হল বাড়ির মেয়ের বিয়ে

পরিবারে তিন সদস্য হারিয়েছেন চাকরি, ‘দুয়ারে সরকার’-এ সম্ভব হল বাড়ির মেয়ের বিয়ে

কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে শুরু করা হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি।

কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে শুরু করা হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি।

কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে শুরু করা হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি।

  • Share this:

    #কলকাতা: সংসারের মোট সদস্য ১৫ জন। দীর্ঘদিন লকডাউন আর অতিমারীর জেরে চাকরি খুইয়েছিলেন বাড়ির তিনজন উপার্জনকারী সদস্য। পরিবারের সকলের মনে প্রশ্ন ছিল একটাই, মেয়ের বিয়ে কী ভাবে হবে। এটাই গল্প রাজারহাটের বাসিন্দা সালমা খাতুনের। কিন্তু আদতে দেখা গেল, সালমা’র বিয়ে হচ্ছে বেনারসি পরে। বিয়েবাড়িতে নিমন্ত্রিতদের পাতে পড়ল বিরিয়ানি। বরের প্রিয় রাজভোগও বাদ গেল না। কী ভাবে সম্ভব?

    কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে শুরু করা হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল, সরকারের তরফ থেকে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শোনা হবে তাঁদের অভাব অভিযোগ। এরপর সরকারি ১২টি প্রকল্পের যেটি সংস্লিষ্ট পরিবারের জন্য আদর্শ, সেই প্রকল্পের সুবিধে দেওয়া হবে তাঁদের। এই ‘দুয়ারে সরকার’ই ঘুরিয়ে দিল সালমা’র জীবনের মোড়। সরকারি কর্মীদের সালমা এবং তাঁর পরিবারের তরফে জানানো হয়েছিল বিয়ের ব্যাপারে। তখনই সালমা পড়ে যায় রূপশ্রী প্রকল্পের আওতায়। এই রূপশ্রী প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে ২০১৮ সাল থেকে। উদ্দেশ্য ছিল, দুঃস্থ পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে আর্থিক সাহায্য করা। এই প্রকল্পের আওতায়, ১৮ বছরের উর্দ্ধে যে কোনও দুঃস্থ পরিবারের মেয়ের বিয়েতে ২৫,০০০ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। সালমা বলেছেন, “আমার দাদা এবং কাকা চাকরি হারিয়েছিলেন লকডাউন চলাকালীন। সেই থেকেই আমাদের মনে ছিল একটাই চিন্তা। বিয়েটা কী ভাবে হবে। এই প্রকল্পের টাকা আমাদের কতটা সাহায্য করেছে, বলে বোঝাতে পারব না।”

    সালমা’র দাদা সাহাবুদ্দিন মন্ডল বলেন, “স্থানীয় কাউন্সিলর এবং বিধাননগর পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সন তাপস চট্টোপাধ্যায়, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবিলম্বে যোগাযোগ করেন এবং আমাদের বলেন পরের দিন সকালে বিয়ের কার্ড নিয়ে স্বাস্থ্য সাথী ক্যাম্পে যেতে। আমরা বৃহস্পতিবার সেখানে দেখা করার পর, বাড়িতে সরকারি কর্মীরা পরিদর্শনে আসেন। এরপর আমরা আবেদনপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করি এবং তা অনুমোদিত হয়।” তাপস চট্টোপাধ্যায় জানান, আগে রূপশ্রী প্রকল্পের অনুমোদন পেতে অন্তত এক মাস সময় লাগত। দুয়ারে সরকার কর্মসূচির জন্যই এত তাড়াতাড়ি সব কিছু সম্ভব হল।

    Antara Dey

    Published by:Pooja Basu
    First published: