• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • 3 BUSINESSMAN ARRESTED WHILE ENJOYING JOYRIDE AMID LOCKDOWN USING SOUTH KOREA AMBASSY PLATED CAR SDG

দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের গাড়ি নিয়ে ৩ মদ্যপ ব্যবসায়ীর জয়রাইড, শ্রীঘরে ঠাঁই

প্রতীকী ছবি

দূতাবাসের গাড়ি হলে যে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায় তা জানা ছিল মালিকের। বুদ্ধি খাটিয়ে তাই লকডাউনের শহরে বন্ধুদের নিয়ে হাওয়া খাওয়ার পরিকল্পনা হয়। যেমন ভাবা, তেমনি কাজ। গাড়িতে দূতাবাসের নকল নম্বরপ্লেট বসিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়েন তিন বন্ধু।

  • Share this:

#কলকাতাঃ দামি অডি গাড়িটা আগে কলকাতায় দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসে ভাড়া খাটত। কয়েকবছর আগে অবশ্য সেই গাড়ির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে দূতাবাস। কিন্তু দূতাবাসের গাড়ি হলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায় তা জানা ছিল মালিকের। বুদ্ধি খাটিয়ে তাই লকডাউনের শহরে বন্ধুদের নিয়ে হাওয়া খাওয়ার পরিকল্পনা পাকা হয়।  যেমন ভাবা, তেমনি কাজ। গাড়িতে দূতাবাসের নকল নম্বরপ্লেট বসিয়ে ঘুরতে বেড়িয়ে পড়েন তিন বন্ধু। ভেবেছিল দূতাবাসের গাড়ি ছুঁয়েও দেখবে না পুলিশ।  খাটল না সে ভাবনা। অগত্যা তিন বন্ধুর ঠাঁই হল শ্রীঘরে।

বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা বন্ধন আগরওয়াল, মনোজ আগরওয়াল ও বরুণ একটি অডি গাড়ি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-46 CC-0090) নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। সারাবছরই বিভিন্ন দূতাবাসের গাড়ি সর্বত্র বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকে। তাই ধৃত তিন ব্যবসায়ীর ধারণা ছিল যেহেতু এই গাড়িটি একসময় দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাসের চলত, তাই সেই নম্বর প্লেট নকল করে গাড়িতে লাগিয়ে ঘুরলে পুলিশ টেরও পাবে না। ফলে দিব্যি গলা পর্যন্ত মদ খেয়ে গাড়িতে শহর ঘুরছিলেন তাঁরা।

বাজেয়াপ্ত গাড়ি। বাজেয়াপ্ত গাড়ি।

কিন্তু লকডাউনে কেউ অকারণ ঘুরছে কিনা দেখার জন্য শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিশেষ নাকা চেকিং করে পুলিশ। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ রাসেল স্ট্রিটে কোরিয়া দূতাবাসের গাড়িটিকে দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। অত রাতে কী প্রয়োজনে দূতাবাসের গাড়ি রাস্তায় বেরিয়েছে তা জানতে গাড়িটিকে থামানো হয়। গাড়ির চালক প্রথমে দূতাবাসের গাড়ি বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সন্দেহ হওয়ায় তিনজনকেই গাড়ি থেকে নামিয়ে পরীক্ষা করে পুলিশ। দেখা যায় প্রত্যেকেই মদ্যপ অবস্থায় রয়েছে। এত রাতে গাড়ি নিয়ে বেরোনোর কোন উপযুক্ত কারণও তারা পুলিশকে জানাতে পারেনি। তারপরই গাড়ির নম্বর প্লেট পরীক্ষা করে পুলিশ জানতে পারে বহুদিন আগেই এই গাড়িটির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে দক্ষিণ কোরিয়া দূতাবাস। কিন্তু তারপরও নকল নম্বর প্লেট বানিয়ে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছিল গাড়ির মালিক।

এরপরই তিন ব্যবসায়ীকে জালিয়াতি, প্রতারণা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, সরকারি আদেশ অমান্য করার অভিযোগে গ্রেফতার করে শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ। ধৃতদের শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে গাড়িটিও। শেক্সপিয়ার সরণি থানার এক অফিসার বলেন, "নাকা চেকিংয়ের সময় ডিসি নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তার নির্দেশ মত আমরা গাড়িটিকে প্রথমে আটক করি। তারপর জিজ্ঞাসাবাদ করে, নম্বর প্লেট পরীক্ষা করতেই আসল তথ্য সামনে আসে। দূতাবাসের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও কিভাবে গাড়িটিতে এই নম্বর প্লেট ব্যবহার করে চালানো হচ্ছিল এবং কতদিন ধরে এভাবে গাড়ি চালানো হচ্ছিল সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"

SUJOY PAL

Published by:Shubhagata Dey
First published: