corona virus btn
corona virus btn
Loading

আজ জন্মদিন, ৭৭-এ পা দিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

আজ জন্মদিন, ৭৭-এ পা দিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য
ফাইল ছবি

১৯৪৪ সালের পয়লা মার্চ কলকাতাতে জন্ম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।

  • Share this:

#কলকাতা: ৭৭-এ পা দিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

১৯৪৪ সালের পয়লা মার্চ কলকাতাতে জন্ম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। ছোটবেলার পড়াশোনা শৈলেন্দ্র সরকার বিদ্যালয়ে। তারপর প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। সেইসময়ই যোগদান রাজনীতিতে। তারপর থেকে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। এদিন সকাল থেকেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের পাম এভিনিউয়ের বাড়িতে একের পর এক ফুলের তোড়া পৌঁছে যায়। নবান্ন থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান হয়েছে। ট্যুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। জন্মদিনের অভিনন্দন জানিয়ে কমরেডকে উপহার পাঠিয়েছেন রবীন দেব।

বয়সের ভারে ন্যুব্জ বুদ্ধবাবুকে শেষবার দলের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছিল ২০১৯-এর ২ ফেব্রুয়ারি। চিকিৎসকদের নিষেধাজ্ঞা একপ্রকার অমান্য করে বামেদের ডাকা ব্রিগেডে ১২ মিনিটের জন্য পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। নাকে অক্সিজেনের নল লাগিয়ে গাড়িতেই বসে ছিলেন। নামতে পারেননি। কিন্তু সেদিন কমরেড বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এসেছেন ঘোষণা শুনে উজ্জীবিত হয়েছিল ব্রিগেডে উপস্থিত কর্মী-সমর্থকেরা। অনেকের মতে, অদ্যোপান্ত সাদামাটা সাদা চুলের মানুষটি একবার সুস্থ শরীরে রাজনীতির ময়দানে ফিরে এলে দলের চেহারা বদলে যাবে।

বহুদিন থেকেই রাজনীতির ময়দান থেকে দূরে থাকলেও মানুষের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি। হাসপাতাল থেকে ফিরে আসার পর যে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের যে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছিল, তা দেখে তাঁর ভারাক্রান্ত হয়েছিল অনেকের মন। সোশ্যাল মিডিয়া ভরে উঠেছিল, তার আরোগ্য কামনা বার্তায়। তথ্য, স্বরাষ্ট্রের মতো মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন জ্যোতি বসুর মন্ত্রিসভায়। এরপর ২০০০-২০১১ পর্যন্ত তিনিই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদ সামলেছেন।

প্রসঙ্গত, গতবছর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তবে সেখানেও বেশি দিন থাকতে চাননি। খানিকটা জেদ করেই বাড়ি ফিরে যান। তবে তারপর থেকে প্রায় পাঁচজন চিকিৎসক পাম অ্যাভিনিউয়ের ফ্ল্যাটে নিয়মিত দেখভাল করেন বুদ্ধবাবুর।

First published: March 1, 2020, 6:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर