কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

জন্মদিনে পাওয়া সব টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ফান্ডে দান করল মারণ রোগে আক্রান্ত কিশোর

জন্মদিনে পাওয়া সব টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ফান্ডে দান করল মারণ রোগে আক্রান্ত কিশোর

আশীর্বাদ স্বরুপ আত্মীয়দের কাছ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা সে জন্মদিনে পায়৷ পুরোটাই সে দান করে মুখ্যমন্ত্রীর করোনা রিলিফ ফান্ডে

  • Share this:

#কলকাতা: শরীরে মারণ রোগ।বছর পনেরোর রজকান্ত সাহা মায়োপ্যাথি(DND) নামে বিরল এক মারন রোগে আক্রান্ত। বর্তমানে এআইএমস দিল্লীতে চিকিৎসাধীন।তার বাবা সাগর সাহা এদিন বলেন বছর চারেক আগে ছেলের রোগটি ধরা পরে। লকডাউনের শুরুতেই টিভিতে করোনা রোগের প্রকোপ দেখে ভীত তার ছেলে।গত ১৮ই মার্চ তার জন্মদিন গিয়েছে। আশীর্বাদ স্বরুপ আত্মীয়দের কাছ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা সে জন্মদিনে পায়।অন্যান্য বছর সে এই টাকা ব্যাঙ্কে জমা রাখে।

এবছরও টাকা পাওয়ার পর তারা বাবা জিজ্ঞেস করে রজকান্তকে  সে এই টাকা দিয়ে কী করতে চায় ।টিভির পর্দায় তখন মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন বিপর্যয়ের এই সময় দান দিক নাগরিকরা। তাই দেখে ওই কিশোর তার বাবাকে বলে এবছর আর টাকা জমানো নয়। বরং মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এই টাকা দেওয়া হোক।সেই সঙ্গে সে বাবাকে বলে টাকাটা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পুলিশ কাকুদের হাত দিয়ে পাঠাতে।

বারাসাত নবপল্লীর বাসিন্দা সাগর সাহা পড়েন আর এক সমস্যায়।বারাসত নবপল্লীর এই বাসিন্দার দশকর্মার দোকান বারাসাত বড় বাজারে। ছপোষা ব্যবসাদারের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ অত্যন্ত কম।নিরুপায় সাগর সাহা দারস্থ হন এক সাংবাদিকদের। সেই সুত্র ধরে বারাসাত পুলিশ জেলার সুপারের কাছে অনুরোধ গেলে লুফে নেন তিনি।সব শুনে পুলিশ সুপার প্রস্তাব দেন তিনি ছেলেটির যেখানে আছে সেখানে গিয়ে দানের টাকাটা নেবেন। সেই মত শনিবার দুপুরে বারাসত মালঞ্চ রোডে হাজির হন বারাসত পুলিশ জেলার সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।কারণ অসুস্থ রজকান্ত রয়েছে এখন তার মামার বাড়িতে।  সেখানে এদিন বারাসাত পুলিশ জেলার সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে রজকান্ত সাহা তুলে দেন সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা।সেই সঙ্গে তার দাদুও একহাজার টাকা দেন নুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে।

হাঁটতে পারে না রজকান্ত।হুইলচেয়ার করে মা বাবা ও দাদুর সঙ্গে রাস্তায় আসে সে।জন্মদিনে পাওয়া টাকা দানে করার পর সে জানায় আগের বছর টাকা ব্যাঙ্কে রেখেছি।আর এবছরের টাকা করোনাকে হারাতে মুখ্যমন্ত্রীকে দিলাম।রজকান্ত সাহার মা শাশ্বতী সাহা এদিন বলেন অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে তারা এমনিতে ভীষণ সমস্যায়,তবু ছেলের ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে দেখে ভাল লাগছে। আর জেলার পুলিশ সুপার দান হাতে নিয়ে বলেন এমন সহযোগিতা কঠিন সময় সব মানুষকে উৎসাহ যোগায়।

Rajorshi Roy

Published by: Elina Datta
First published: April 12, 2020, 12:18 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर