corona virus btn
corona virus btn
Loading

অনশনের দশম দিন, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ১৪ শিক্ষক, তবুও জারি আন্দোলন

অনশনের দশম দিন, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ১৪ শিক্ষক, তবুও জারি আন্দোলন
  • Share this:

#কলকাতা: অনশনের দশম দিনে ১৯ মধ্যে গুরুতর অসুস্থ ১৪ জন শিক্ষক ৷ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত ৷ যদিও তাতেও থামছে কেন কর্মসূচী ৷ অনশন মঞ্চে অসুস্থ শিক্ষকদের বদলে জায়গা নিতে চলেছেন বাকি আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা ৷ বর্ধিত বেতনের দাবিতে সল্টলেকে এখনও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, সর্বভারতীয় কাঠামো মেনে দিতে হবে বেতন। গতমাসেই আন্দোলনকারীদের দাবি মানার আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপরও অধরা সমাধানসূত্র।

সল্টলেকে উন্নয়ন ভবনের সামনে বিধানচন্দ্র রায়ের সুসজ্জিত মূর্তি। তার ঢিল ছোড়া দূরত্বে চলছে এক অসম লড়াই। সর্বভারতীয় কাঠামো মেনে বর্ধিত বেতনের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ ও অনশনে প্রাথমিক শিক্ষকদের একাংশ। গত শনিবার থেকে অনশনে বসেছেন ১৯ জন প্রাথমিক শিক্ষক। দশ দিন লাগাতার অভুক্ত থাকার ফলে ভাঙছে অনশনকারী শিক্ষকদের শরীর ৷ চিকিৎসকেরা এদিন অনশনকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানান, ১৪ জনের শরীরে কিটোন বডির পরিমাণ বিপদমাত্রা ছাড়িয়েছে ৷ তাদের মঙ্গলবার সকালের মধ্যেই হাসপাতালে স্থানান্তির করা হবে বলে খবর ৷ তাদের জায়গায় অনশনে বসবেন আরও ১৪ জন আন্দোলনকারী শিক্ষক ৷

কী তাঁদের দাবি? ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের নিয়ম অনুযায়ী, এরাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতামান বেড়েছে কিন্তু সেই হারে বাড়েনি বেতন ৷ রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতনক্রম ৫৪০০ টাকা থেকে ২৫,২০০ টাকা ৷ গ্রেড পে ২৬০০ টাকা অথচ সর্বভারতীয় স্তরে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতনক্রম ৯৩০০ থেকে ৩৪,৫০০ টাকা ৷ গ্রেড পে ৪২০০ টাকা ৷

গত চব্বিশে জুন তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী বেতন বৈষম্য মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। কিন্তু তারপরও মেলেনি সুরাহা। উল্টে চোদ্দজন আন্দোলনকারী প্রাথমিক শিক্ষককে বদলি করেছে স্কুলশিক্ষা দফতর। তাঁদের পুরনো জায়গায় ফেরানোর দাবিও জানাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

First published: July 22, 2019, 8:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर