Football World Cup 2018

শামি কাণ্ড এবার বিসিসিআইয়ের চৌকাঠে, তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে বোর্ডকে চিঠি কলকাতা পুলিশের

Siddhartha Sarkar
Updated:Mar 12, 2018 01:09 PM IST
শামি কাণ্ড এবার বিসিসিআইয়ের চৌকাঠে, তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে বোর্ডকে চিঠি কলকাতা পুলিশের
File Photo
Siddhartha Sarkar
Updated:Mar 12, 2018 01:09 PM IST

#কলকাতা: শামি-হাসিন মামলা এবার বিসিসিআইয়ের চৌকাঠে। তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে এবার বিসিসিআইকে চিঠি দিল কলকাতা পুলিশ। বোর্ড সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। যদিও লালবাজারের বক্তব্য এখনও জানা যায়নি। শামির বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা চেয়ে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে চিঠি দিয়েছে কলকাতা পুলিশ ৷

বোর্ড সূত্রে খবর, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরার পথে শামির যাত্রাপথ ঠিক কি ছিল ? জানতে চাওয়া হয়েছে সেই চিঠিতে ৷ এ বিষয়ে কলকাতা পুলিশের বক্তব্য জানা যায়নি ৷

এদিকে কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে শামির নামে ফের বিষোদ্গার করলেও সন্ধির সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি হাসিন। বরং বলেছেন, ‘‘ও এলে আমি ভেবে দেখতে পারি।’’ মোরাদাবাদে সাংবাদিকদের শামিও জানিয়ে দেন, স্ত্রী কথা বলতে রাজি থাকলে তিনি কলকাতায় ফিরতে চান। ‘‘কথা বলে সমস্যাটা মেটানো গেলে তার চেয়ে ভাল কিছু হয় না। সমঝোতা শুধু আমাদের জন্য নয়, মেয়ের ভবিষ্যতের জন্যও খুব প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। যদি মিটমাটের জন্য কলকাতায় ফিরতে হয়, আমি যাব। শুধু কলকাতা কেন, যেখানেই হবে, যাব ৷ ’’

শারীরিক, মানসিক নির্যাতন। এমনকি ধর্ষণ, খুনের চেষ্টার অভিযোগ। মহম্মদ শামির বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী-র তোলা এমনই সব অভিযোগে শেষ কয়েকদিন ধরে সরগরম হয়েছে গোটা দেশ। শামির সঙ্গে একাধিক মহিলার চ্যাট হিস্ট্রি, কথোপকথনের অডিও ক্লিপ সামনে এনেছেন হাসিন। এবার কি সব ভুলে সমঝোতার পথে যেতে চান শামি-পত্নী ? রবিবারের সাংবাদিক বৈঠকে আইনজীবীকে পাশে নিয়ে যেন কিছুটা নমনীয় হাসিন জাহান। দিন কয়েক আগে নিজের সমর্থনে ভারতের তারকা পেসার দাবি করেছিলেন, ঘটনার পিছনে বড় ষড়যন্ত্র রয়েছে। তা নিয়েও প্রমাণ চেয়েছেন হাসিন।

স্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আবার মুখ খুললেন মহম্মদ শামি। সন্তানের জন্য হাসিনের সঙ্গে যে কোনও জায়গায় আলোচনায় বসতে রাজি ভারতীয় পেসার। দু’পক্ষ এখনও মুখোমুখি হননি। কিন্তু দূরে থেকেও কোথাও যেন যুদ্ধ থামানোর ইঙ্গিত মিঞা-বিবির।

বিতর্কের জন্য তিনি যে বিধ্বস্ত, তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন শামি। বলেছেন, ‘‘ খাওয়া-দাওয়া, ঘুম— সব কিছুই বন্ধ। প্র্যাকটিসও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব বাইরের কারও জীবনে পড়বে না। পড়বে আমাদেরই ওপর। প্রভাব পড়বে আমাদের সন্তানের জীবনে।’’

First published: 01:05:08 PM Mar 12, 2018
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर