প্রেমিকাকে খুনের পর ট্রলিবন্দি দেহ স্টেশনে ফেলে গেল চিকিৎসক

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Nov 05, 2017 11:33 AM IST
প্রেমিকাকে খুনের পর ট্রলিবন্দি দেহ স্টেশনে ফেলে গেল চিকিৎসক
চয়নিকা কুমারি
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Nov 05, 2017 11:33 AM IST

 #জামশেদপুর: প্রেমিকাকে খুন করে ট্রলিবন্দি দেহ স্টেশনে ফেলে গেল পেশায় চিকিৎসক প্রেমিক। বিহারের জামশেদপুরের ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছেন কলকাতার নামী বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের আরএমও মির্জা রফিক হক।

শুক্রবার ডিউটিতে গিয়ে বাড়ি ফেরেননি জামশেদপুরের মেডিট্রিনা হাসপাতালের চিকিৎসক চয়নিকা কুমারি। রাতভর তল্লাশির পর সকালে টাটানগর স্টেশনের পাশে একটি ট্রলি ব্যাগে উদ্ধার হয় চয়নিকার দেহ। লোহার চেন দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক মির্জা রফিক হকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল চয়নিকার। সেই সম্পর্কের টানাপোড়েনেই এই খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।

অভিযুক্ত ডাক্তার অভিযুক্ত ডাক্তার

তিনবছর আগে কলকাতায় থাকাকালীন মির্জা রফিক হকের সঙ্গে পরিচয় ৷ ক্রমে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে দুজনের ৷ পরে চয়নিকা জামশেদপুরে ফিরে গেলে মাঝে মধ্যেই দেখা করতে যেতেন মির্জা ৷ এবারও জামশেদপুরে গিয়ে স্থানীয় এক হোটেলে ওঠেন ৷ শনিবার সেখানেই দেখা করতে যায় চয়নিকা ৷ অভিযোগ সেখানেই গলায় লোহার চেনের ফাঁস লাগিয়ে চয়নিকাকে খুন করে সে ৷ পরে ট্রলি ব্যাগে দেহ ভরে ফেলে যায় টাটানগর স্টেশনে ৷

পরিবারের দাবি, শুক্রবার সারাদিন কেটে গেলেও চয়নিকা বাড়ি না ফেরায় হাসপাতালে যোগাযোগ করে পরিবার। চয়নিকার ব্যক্তিগত ড্রয়ারে থেকে উদ্ধার হওয়া গিফটের প্যকেটে মির্জা রফিক হকের নাম ও ফোন নম্বর পায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যোগাযোগ করা হয় মির্জার সঙ্গে। রাতে কোনও তথ্য না দিলেও শনিবার সকালে হাসপাতালে ফোন করে নিজেই খুনের কথা স্বীকার করে মির্জা।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশে অনুমান, দু জনের মধ্যে সম্পর্কের চাপানউতোরেই এই খুন। তবে, খুনের পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

First published: 11:33:09 AM Nov 05, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर