নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে ৩০ ঘণ্টা পর বর্ধমান মেডিক্যালে উঠল কর্মবিরতি

হাত জোর করে কাজে ফেরার অনুরোধ করলেন সুপার। ৩০ ঘণ্টা পর কর্মবিরতি তুলে নিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Dec 15, 2017 06:20 PM IST
নিরাপত্তার আশ্বাস পেয়ে ৩০ ঘণ্টা পর বর্ধমান মেডিক্যালে উঠল কর্মবিরতি
নিজস্ব চিত্র
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Dec 15, 2017 06:20 PM IST

#বর্ধমান: হাত জোর করে কাজে ফেরার অনুরোধ করলেন সুপার। ৩০ ঘণ্টা পর কর্মবিরতি তুলে নিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। কর্মবিরতির জেরে দিনভর অচলাবস্থা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। অচলাবস্থার জেরে পরিষেবা শিকেয় ওঠে। এক সময় পরিষেবা না পেয়ে বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা। শেষমেশ সুপারের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। চিকিৎসকদের মারধরের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

চিকিৎসায় গাফিলতিতে শিশুমৃত্যুর অভিযোগে উত্তাল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। জুনিয়র ডাক্তারদের মারধরের অভিযোগ ওঠে রোগীর আত্মীয়দের বিরুদ্ধে। এরপরই সুপারের ঘরের সামনে অবস্থানে বসেন জুনিয়র ডাক্তাররা। কর্তৃপক্ষের কাছে নিরাপত্তার লিখিত প্রতিশ্রুতি ও মারধরে অভিযুক্তদের জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারের দাবি করেন চিকিৎসকরা। রাতভর চলে কর্মবিরতি। রাতেই সুপারের ঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে জুনিয়ার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। কর্মবিরতির জেরে শুক্রবার সকাল থেকেই পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে। পরিষেবা না পেয়ে হাসপাতালে পালটা বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাসপাতালে র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়। দফায় দফায় বৈঠকেও কাটে না অচলাবস্থা। হাসপাতাল সুপার নিরাপত্তা নিয়ে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলেও কর্মবিরতিতে অনড় ছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। দিনভর অচলাবস্থায় হাসপাতালের পরিষেবা শিকেয় ওঠে। অবশেষে হাসপাতাল সুপার হাত জোড় করে জুনিয়ার ডাক্তারদের কাছে কাজে ফেরার অনুরোধ করেন। অন্যদিকে চিকিৎসকদের মারধরের অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

তিরিশ ঘণ্টা পর কর্মবিরতি তোলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় হাসপাতালের পরিষেবা।

First published: 06:20:25 PM Dec 15, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर