Home /News /jalpaiguri /
Jalpaiguri News: মাত্র দুটি গাছে হাজার হাজার আম, গবেষকের চমক জলপাইগুড়িতে

Jalpaiguri News: মাত্র দুটি গাছে হাজার হাজার আম, গবেষকের চমক জলপাইগুড়িতে

title=

নিজের ছাদে দুটি আম গাছে কয়েক হাজার সুস্বাদু আম চাষ করে তাক লাগালেন সুমন্ত মিশ্র। তিনি একজন কৃষি দফতরের কর্মী।   

  • Share this:

    #জলপাইগুড়ি: অল্প জায়গায় অধিক পরিমাণ আম ফলিয়ে তাক লাগালেন জলপাইগুড়ির এক গবেষক।নিজের ছাদে দুটি আম গাছে কয়েক হাজার সুস্বাদু আম চাষ করে তাক লাগালেন সুমন্ত মিশ্র।তিনি একজন কৃষি দফতরের কর্মী। কিন্তু আদতে তার সবটুকুই জড়িত গাছ পালা আর চাষের নিত্য নতুন খোঁজ নিয়ে। কীভাবে আরো নতুন দিশা বের করে অল্প জায়গায় প্রচুর ফলন ঘটানো যায় এটাই তার গবেষনার মূল বিষয়।সুমন্ত মিশ্র। ১১ খানা লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে এ নাম তুলেও থামেননি তিনি।

    পেয়েছেন জাতীয় স্তরে একাধিক সম্মান। ইতিমধ্যে ১৬ রকমের আমের প্রজাতি নিয়ে কাজ করছেন তিনি। একাধিক সম্মানে বহু প্রশংসা তাকে দিয়েছে ভারত সরকার ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ বা আই সি এ আর। এক কথায় রাত দিন পরিশ্রম করে তিনি জলপাইগুড়ির নাম উজ্জ্বল করেছেন এই গবেষনার মধ্য দিয়ে। ম্যাজিক মনে হলেও নিজের বাড়ির ছাদের ওপরই তিনি করে চলেছেন এই কর্মকান্ড। শুধু কি আম? না। পটল, আখ, পেয়ারা, লেবু, লাউ, কলা, নারকেল, কি নেই? সব টাই রীতিমত নাড়িয়ে দিয়েছে দেশের কৃষিবিজ্ঞানের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান কে।অপেক্ষা করছেন এখন গিনেস বুক রেকর্ডস এর জন্য।

    আরও পড়ুন: আই এস সি-তে তৃতীয় স্বয়ম, উচ্ছ্বসিত জেলার মানুষ‌

    এবারেও বাড়ির ছাদে আমের সমারোহ করলেন জলপাইগুড়ি পান্ডাপাড়া কালীবাড়ি নিবাসী এই ব্যক্তি। তার কথায়, যতদিন যাচ্ছে, তত চাষজমির পরিমান কমছে। ফলে, অল্প জায়গায় কি করে প্রচুর ফলন করা যায় তা নিয়েই ভাবতে শুরু করেন তিনি প্রায় বছর ২১ আগে।তারপর থেকেই চাষ করতে থাকেন নানা প্রজাতি। ২০১৪ সালেই বাড়ির ছাদে বিশেষ প্রজাতির আম ফলিয়ে লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে নিজের নাম যেমন নথিভুক্ত করেছেন পাশাপাশি নিজের আবিষ্কৃত আমের পেটেন্ট ও করিয়েছেন। এবারেও বাড়ির ছাদে, আম্রপালি ( amrapali), ম্যাংগো কুইন্স সিমা আমের ছড়াছড়ি তার বাগানে। প্রায় হাজার দুই ম্যাংগো কুইন্স তিনি করেছেন। যেগুলির স্বাদ অতীব সুন্দর, দেখতেও অপূর্ব।

    আরও পড়ুন: বেহাল অবস্থা রাস্তার! চরম সমস্যায় জলপাইগুড়িবাসী

    যতদিন যাচ্ছে আবাদি জমি হু হু করে কমছে। তাই অল্প যায়গায় পর্যাপ্ত ফসল ফলাতে হবে এবং যেখানে জমি নেই সেখানে বাড়ির ছাদে পর্যাপ্ত ফসল ফলাতে হবে এটাই সুমন্ত বাবুর গবেষণার বিষয়বস্তু। সুমন্ত বাবু চান তার গবেষণা অভিজ্ঞতা বিশ্বের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এবং সেই লক্ষ্যে ২০১৪ সালে ICAR এর কমিটি মিটিং এ সুমন্ত বাবুর গবেষণার সাফল্য নিয়ে বিস্তর পর্যালোচনার পরে Hon'ble Director General (ICAR) and Secretary (DARE), Ministry of Agriculture and Farmers Welfare, Government of India কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের তাকে অবিলম্বে ডক্টরেট‌ সায়েন্টিস্ট ডিগ্রি দেওয়ার কথা বলেছে। এই কর্মযজ্ঞ কে নেশা বলে অভিহিত করে সুমন্ত্র বাবু জানান, এটা আমার শখ, তবে এর আরেকটি দিক রয়েছে,সেটি হলো মানুষের মধ্যে কম জায়গায় অধিক ফলনের চিন্তাধারা কে ছড়িয়ে দেওয়া।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    Tags: Jalpaiguri News, Mango

    পরবর্তী খবর