• associate partner
corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘‌মাহি ভাই ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট’‌, আইপিএল–এ ফেরার ইঙ্গিত রায়নার

‘‌মাহি ভাই ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট’‌, আইপিএল–এ ফেরার ইঙ্গিত রায়নার
File Image

যেদিন থেকে আইপিএল–এ খেলবেন না বলে ভারতে পা রেখেছেন সুরেশ রায়না, তবে থেকেই বাতাসে ভাসছে খবর, এন শ্রীনিবাসনের সঙ্গে ঝামেলা বেঁধেছে তার।

  • Share this:

#‌নয়াদিল্লি:‌ আরব আমিরশাহী থেকে হঠাৎ দেশে ফিরেছেন তিনি। আইপিএল খেলবেন না বলেও জানিয়েছেন। কিন্তু তিনিই আবার ইঙ্গিত দিলেন, তেমন হলে ফিরতেও পারেন মাঠে। কারণ, তাঁর কাছে ‘‌মাহি ভাই’‌, মানে মহেন্দ্র সিং ধোনি একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। তিনি একটি জাতীয় ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘‌একান্ত ব্যক্তিগত একটা জায়গা থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে বাড়ি ফিরে আসতে হয়েছে। এখানে চেন্নাই দলের ম্যানেজমেন্ট বা ধোনির সঙ্গে কোনওরকম বিবাদের প্রশ্ন নেই। CSK‌ আমার পরিবারের মতো, মাহি ভাই–ও আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যথেষ্ট কঠিন ছিল। তবে আবারও বলছি আমাদের মধ্যে কোনও বিবাদ নেই।’‌

যেদিন থেকে আইপিএল–এ খেলবেন না বলে ভারতে পা রেখেছেন সুরেশ রায়না, তবে থেকেই বাতাসে ভাসছে খবর, এন শ্রীনিবাসনের সঙ্গে ঝামেলা বেঁধেছে তার। পরে অবশ্য সেই কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি নিজেই। জানিয়েছেন, শ্রীনিবাসন তাঁর পিতার মতো, আর বাবা মাঝেমধ্যে বকাবকি করতেই পারেন। তার সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়েছেন, শ্রীনিবাসন জানেন না, কেন তিনি এবারের আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন। তবে পাশাপাশি একথাও রায়ানা জানিয়েছেন, আরও চার–পাঁচ বছর তিনি চেন্নাইয়ের হয়ে খেলতে চান। আইপিএল না খেলা নিয়ে রায়না আরও বলেছেন, 'এমনি এমনি কেউ সাড়ে ১২ কোটি টাকা প্রত্যাখ্যান করে ফিরে আসবে না যদি না সেরকম গুরুতর কোনও সমস্যা না হয়ে থাকে৷ আমি এখনও যথেষ্ট তরুণ এবং আরও চার- পাঁচ বছর আইপিএল খেলতে চাই৷'তবে দলের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোতেই তিনি ফিরে এসেছেন কি না, সেই জল্পনাও উস্কে দিয়েছেন রায়না৷ ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে তিনি বলেছেন, 'আমার একটি পরিবার আছে৷ আর আমার যাতে কিছু না হয়, সেই বিষয়টি আমাকেই নিশ্চিত করতে হবে৷ আমার কাছে আমার পরিবারই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ৷ এই কঠিন সময়ে আমিও খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি৷ গত ২০ দিন ধরে আমি আমার সন্তানদের দেখিনি৷ দেশে ফিরলেও আমাকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে৷

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: September 2, 2020, 7:57 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर