চুইংগামের লোগোর আদলে কফিন! বৃদ্ধের অন্তিম ইচ্ছায় বিশ্বযুদ্ধের ছায়া

চুইংগামের লোগোর আদলে কফিন! বৃদ্ধের অন্তিম ইচ্ছায় বিশ্বযুদ্ধের ছায়া

কয়েকদিন আগেই বিশ্বযুদ্ধ সময়কার এই যোদ্ধা হৃদযন্ত্রের অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে স্বস্তির বিষয় তিনি এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

কয়েকদিন আগেই বিশ্বযুদ্ধ সময়কার এই যোদ্ধা হৃদযন্ত্রের অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে স্বস্তির বিষয় তিনি এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: প্রত্যেক অনুভবী মানুষেরই মৃত্যুর পরের শেষ ইচ্ছা থাকে। তবে দেখা গিয়েছে বহু মানুষের অন্তিম ইচ্ছা বিচিত্র রকমের হয়। তেমনই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ নেওয়া এক সৈনিকের শেষ ইচ্ছাটিও বড় অদ্ভুত। সুটি ইকোনোমি নামের অশীতিপর সেই বৃদ্ধর মৃত্যুর পর তাঁর কফিন যাতে রিগলেইস জুসি ফ্রুট প্যাক চুইংগামের প্যাকেটের মতন রং করে সাজানো হয় এরকমই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

    জানা গিয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন, কোম্পানিটি তাঁদের চুইংগাম দেশের সাধারণ মানুষের জন্য বাজারে আনা বন্ধ করে শুধুমাত্র আমেরিকার সৈন্যদের জন্যই বানানো আরম্ভ করে। তরুণ যোদ্ধা সুটি ইকোনোমি সেইসময় এই এই জুসি ফ্রুট চুইংগামের প্রতি অনুরক্ত ছিলেন। যখনই তিনি ছুটিতে বাড়িতে ফিরতেন, যার সঙ্গে দেখা হত তাকেই তিনি চুইংগামটি ভালোবেসে খেতে দিতেন, জানিয়েছেন সুটির ভাই জন ইকোনোমি। জন আরও জানান, সুটির এরকম শেষ ইচ্ছার কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নিহত যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান এবং মানুষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পর্কে জানানো জন্য।

    ৯৪ বছরের বৃদ্ধ সুটি তাঁর বন্ধু ওকেই'স ফিউনারেল সার্ভিসের (কফিন প্রস্তুতকারক সংস্থা) অধিকর্তা, স্যামি ওকের কাছে নিজের এই শেষ ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন। স্যামিকে তিনি তাঁর এই ইচ্ছাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।

    কয়েকদিন আগেই বিশ্বযুদ্ধ সময়কার এই যোদ্ধা হৃদযন্ত্রের অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে স্বস্তির বিষয় তিনি এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হাসপাতালে আসার পরেও নাকি তিনি সেখানকার কর্মীদের খুশি রাখতে জুসি ফ্রুট চুইংগাম বিলিয়েছেন।

    প্রথমে মার্স রিগলি কোম্পানি ওকের অনুরোধ সত্ত্বেও কফিনে তাদের জুস্ ফ্রুট লোগো এবং ট্রেডমার্ক ব্যবহার করতে দিতে সম্মত হয়নি। কিন্তু পরে তারা সুটির এই অন্তিম ইচ্ছাকে ফেলতে পারেননি। কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট শেষে ওকে-কে তাদের লোগো ব্যবহার করে কফিন তৈরির অনুমতি দেন।

    Published by:Pooja Basu
    First published:

    লেটেস্ট খবর