Suez Canal Blocked: সমুদ্রে ট্রাফিক জ্যাম! এই দরকারি জিনিসটির অভাবে ভুগতে পারে বিশ্ব

জাপানি মালবাহী কনটেইনার সুয়েজ খালে আড়াআড়িভাবে আটকে রয়েছে।

জাপানি মালবাহী কনটেইনার সুয়েজ খালে আড়াআড়িভাবে আটকে রয়েছে।

  • Share this:

    #কায়রো:

    সুয়েজ খালে ট্রাফিক জ্যাম। এখন সমুদ্রেও রেহাই নেই। জাপানি মালবাহী কনটেইনার সুয়েজ খালে আড়াআড়িভাবে আটকে রয়েছে। যার জেরে বিশ্বের বহু দেশের অন্তত ৩০০ টি মালবাহী জাহাজ ও তেল কন্টেইনার সুয়েজ ক্যানেল পারাপার করতে পারছে না। ট্রাফিক জ্যামে ভয়ানক অবস্থা হয়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ওই জাপানি কন্টেইনার উদ্ধার করতে আরও তিন-চার দিন সময় লাগতে পারে। তিন-চারটি ফুটবল মাঠের মতো বিরাট সেই জাপানি কন্টেইনার। সেটি এমনভাবে সুয়েজ খাল বরাবর আটকে রয়েছে যে সহজে উদ্ধার কাজ চালানো যাচ্ছে না। তবে কন্টেইনারে আটকে থাকা জাহাজের ক্রিউ মেম্বারদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    সুয়েজ খালে ট্রাফিক জ্যামের ফলে সারা বিশ্ব টয়লেট পেপার-এর অভাবে ভুগতে পারে। সুজানো এসএ নামের বিশ্বের সবথেকে বড় টয়লেট পেপার প্রস্তুতকারক সংস্থা জানিয়েছে, তাদের জাহাজ ও র্শিপিং কন্টেইনার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছতে পারছে না। সুয়েজ খালের ট্রাফিক জ্যাম পরিস্থিতি কবে কাটবে তা এখনই বলা মুশকিল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও যে বেশ কিছুদিন লাগবে তা বোঝা যাচ্ছে। ফলে আগামী কয়েকদিন টয়লেট পেপার-এর অভাবে ভুগতে পারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ব্রাজিলের এই সংস্থার সিইও ওয়াল্টার স্কলকা জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে এমনিতেই বড় জাহাজের অভাব রয়েছে। মার্চ মাসে সারা বিশ্বে টয়লেট পেপার-এর চাহিদা ছিল সব থেকে বেশি। কিন্তু এই মাসে বিশ্বের বহু দেশেই তাঁরা টয়লেট পেপার পৌঁছে দিতে পারবেন না। ফলে বিশ্বের অনেক দেশে টয়লেট পেপার যেতে পারে এপ্রিল মাসে।

    কার্গো কন্টেনার প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিও চাহিদা কম হওয়ায় উৎপাদন কমিয়েছে। সুয়েজ খাল বরাবর ৪০০ মিটার লম্বা কন্টেইনার শিপ আটকে রয়েছে। যার জেরে সমুদ্রে ব্যাপক ট্রাফিক জ্যাম হয়েছে। এই অবস্থা সম্পূর্ণ কাটতে আরো বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। এদিকে উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, অশান্ত সমুদ্র ও প্রচণ্ড হাওয়ার জন্য উদ্ধার কাজে দেরি হচ্ছে। জাহাজটির আশেপাশে বালির চর রয়েছে। তার জন্যও উদ্ধার কাজে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। জাহাজের পুরো মাল খালাস না করে সেটিকে উদ্ধার করা যাবে না, এমনটাই জানিয়েছেন উদ্ধারকারি দলের প্রধান।

    Published by:Suman Majumder
    First published: