বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

World Day For War Orphans 2021: অনাথ শিশুদের ইতিহাস আর পরিসংখ্যান চোখে জল এনে দেবে!

World Day For War Orphans 2021: অনাথ শিশুদের ইতিহাস আর পরিসংখ্যান চোখে জল এনে দেবে!
World Day For War Orphans 2021

আজকের দিনটি সেই সব শিশুদের উদ্দেশে নিবেদিত যারা যুদ্ধের কারণে অনাথ হয়ে গিয়েছে!

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: অনাথ শিশুর জীবন সব সময়েই দুঃখ আর কষ্টে ভরা৷ বড় নির্মম এই সত্য! কিন্তু প্রতি বছর ৬ জানুয়ারি যে দিনটি পালন করা হয়ে থাকে, তাকে বলা হয় বিশ্ব যুদ্ধ অনাথ দিবস। ইংরেজিতে- ওয়ার্ল্ড ডে অফ ওয়ার অরফ্যানস (World Day of War Orphans) ! বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না যে খুব সূক্ষ্ম ভাবে এখানে একটা সীমারেখা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সাধারণ অনাথ শিশু আর যুদ্ধের কারণে অনাথ শিশু- এই হল প্রভেদের সীমারেখা। সেই দিক থেকে দেখলে আজকের দিনটি সেই সব শিশুদের উদ্দেশে নিবেদিত যারা যুদ্ধের কারণে অনাথ হয়ে গিয়েছে! জানা যায় যে ফরাসি সংগঠন SOS Enfants en Detresse-এর হাত ধরে বিশ্বে এই দিনটি উদযাপনের প্রথা শুরু হয়েছিল। সন্দেহ নেই, তার প্রয়োজনও ছিল। যুদ্ধে অনাথ শিশু-সম্পর্কিত নিচের পরিসংখ্যানগুলোই তা স্পষ্ট করে দেবে!

১. UNICEF জানাচ্ছে ১৮ বছরের নিচে যারা মা-বাবা দুই পক্ষকেই অথবা কোনও একজনকে হারিয়েছে, তাদের অনাথ তালিকাভুক্ত করা যায়। সেই হিসেবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে অনাথ শিশুর সংখ্যা ১৪০ মিলিয়ন!

২. এদের মধ্যে শুধু এশিয়াতেই অনাথ শিশু রয়েছে ৬১ মিলিয়ন। আফ্রিকায় ৫২ মিলিয়ন, লাতিন আমেরিকায় ১০ মিলিয়ন, মধ্য এশিয়া এবং ইয়োরোপের পূর্বভাগ জুড়ে ৭.৩ মিলিয়ন।

৩. অষ্টাদশ, উনবিংশ এবং বিংশ শতকে যে সব শিশুরা অনাথ হয়েছে, তাদের সিংহভাগই যুদ্ধের কারণে মা-বাবাকে হারিয়েছে। এরা সবাই কোনও না কোনও নাগরিক পরিবারের সদস্য ছিল।

৪. নাগরিক পরিবারের অনাথ শিশুদের সংখ্যা বিশ্বে ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

৫. বিশ্বের ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যে রকম সব চেয়ে মর্মন্তিক, তেমনই এই যুদ্ধই সব চেয়ে বেশি অনাথ শিশুর জন্ম দিয়েছে আজ পর্যন্ত ইতিহাসে।

৬. ১৯৯০ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বিশ্বে যুদ্ধে অনাথ শিশুর সংখ্যা ধাপে ধাপে বেড়ে চলেছিল, ১৪৬ মিলিয়ন থেকে তা এসে দাঁড়িয়েছিল ১৫১ মিলিয়নে। তবে ২০০১ সালের পর থেকে অবস্থা কিছুটা হলেও আয়ত্তে আনা গিয়েছে। UNICEF-এর হিসেব বলছে যে প্রতি বছরে ০.৭ শতাংশ করে যুদ্ধে অনাথ শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এই হার যে খুবই কম, সে কথাও স্বীকার করতে ভুলছে না সংস্থা!

Published by: Pooja Basu
First published: January 6, 2021, 2:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर