corona virus btn
corona virus btn
Loading

মৃত্যুর পরে ২৭ হাজার টুকরোয় কাটা হল মহিলার দেহ !

মৃত্যুর পরে ২৭ হাজার টুকরোয় কাটা হল মহিলার দেহ !
হাতের লেখা সব বলে দেয়। বুঝতে পারেন গ্রাফোলজিস্টরা। কিন্তু, তাঁদের কথা জানেন ক’জন? শিশু মনে কী চলছে, বোঝা যায় হাতের লেখা থেকে। হোমওয়ার্ক থেকেই বোঝা যায় তার মনে অবস্থা। প্রয়োজনে সাহায্য নিন গ্রাফোলজিস্টের ৷ representative image
  • Share this:

#আমেরিকা: মৃত্যুর পরে ২৭ হাজার খণ্ডে ভাগ করা হল দেহকে। আর এমন নির্দেশ নাকি দিয়ে গিয়েছিলেন খোদ দেহের মালকিন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভারের বাসিন্দা সু পটার। ২০১৫ সালে ৮৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন সু। মৃত্যুর আগে তিনি ইচ্ছাপত্রে লিখে যান , তিনি এমন কিছু রেখে যেতে চান যা সমগ্র মানব জাতির কাজে আসবে। ইচ্ছে ছিল, তাঁর দেহ সংরক্ষণ করা হবে এবং এক 'ডিজিটাল মৃতদেহ'-এ পরিণত করা হবে।

এই কথা মাথায় রেখেই সম্প্রতি সু-র সংরক্ষিত দেহকে ২৭ হাজার খণ্ডে বিভাজিত করা হল। চুলের মতো সূক্ষ্ম এই খণ্ডগুলোর আণুবীক্ষণিক ছবির থ্রি ডি ডিজিটাল রূপ ধরে রাখা হয়। এই 'সংরক্ষণ' মূলত চিকিত্‍সা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের কাজে আসবে।

২০১৫-এ নিউমোনিয়ায় মারা যান সু। তার পর, তিন বছর তাঁর মৃতদেহ সংরক্ষিত রাখা হয়। এই তিন বছরে দেহের বিভিন্ন রকমের ছবিও তুলে রাখা হয়েছিল। এই ছবিগুলোকে ব্যবহার করেই তার দেহকে খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়। 'ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক'-এর তরফে এই পদ্ধতির এক বিস্তারিত ভিডিও-ও তুলে রাখা হয়েছে।

এই বিচিত্র সংরক্ষণটি ঘটেছে ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো-র সেন্টার ফর হিউম্যান সিম্যুলেশন-এ। সংস্থার ডিরেক্টর ভিক স্পিত্‍জার এই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিবরণও দিয়েছেন। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সু ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো-র হিউম্যান সিম্যুলেশন সংক্রান্ত এক প্রবন্ধ পড়েই অনুপ্রাণিত হন এবং সিদ্ধান্ত নেন তিনি তার দেহ এই কাজে দান করে যাবেন। এভাবেই তিনি 'অমরত্ব' অর্জন করবেন, এটাই ছিল তাঁর ইচ্ছে।

মৃত্যুর আগে সু সেই 'করাত'টি দেখতে চান, যা দিয়ে তাঁকে খণ্ড খণ্ড করা হবে। সেই 'ফ্রিজ'টিকেও তিনি দেখতে চান, যেখানে তাঁর দেহ রাখা হবে। তাঁর এই ইচ্ছাও পূরণ করেন গবেষকরা।

অন্য ভিডিও দেখুন--হরিনাম সংকীর্তণের সভায় হাজির ববি হাকিম, ভক্তিভরে করলেন প্রণাম, দেখুন

First published: June 3, 2019, 11:08 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर