• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • WHO IS THE AFGHAN LADY ARMY OFFICER SALIMA MAZARI WHOM EVEN THE TALIBAN ARE AFRAID OF

Salima Mazari: পুরুষতান্ত্রিক আফগানি সমাজে তালিবানদের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন সালিমা!

অনেকেই মনে করছেন সালিমা মাজারির (Salima Mazari) জন্য ওই এলাকা দখল নেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে তালিবানদের কাছে।

অনেকেই মনে করছেন সালিমা মাজারির (Salima Mazari) জন্য ওই এলাকা দখল নেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে তালিবানদের কাছে।

  • Share this:

#আফগানিস্তান: ধীরে ধীরে আফগানিস্তানের সম্পূর্ণ দখল নেওয়ার দিকে এগোচ্ছে তালিবানরা (Taliban)। গতকাল প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছে গজনি (Ghajani), কান্দাহার (Kandahar) সহ একাধিক এলাকা এখন তালিবানদের দখলে। কিন্তু চারখন্দ (Charkint) জেলার এখনও দখল নিতে পারেনি তারা। অনেকেই মনে করছেন সালিমা মাজারির (Salima Mazari) জন্য ওই এলাকা দখল নেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে তালিবানদের কাছে।

সালিমা মাজারি কে?

সালিমা হলেন আফগান সেনার নিযুক্ত করা একজন মহিলা অফিসার। পুরুষ শাসিত আফগানিস্তানে তিনিই ছাড়া আরও ২ মহিলা অফিসার আছেন। তালিবানদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বাসিন্দাদের একত্রিত করছেন সালিমা।

বর্তমানে অস্থির পরিস্থিতি বিষয়ে বলতে গিয়ে সালিমা জানিয়েছেন, “কিছু সময় আমি চারখন্দের অফিসে বসে কাজ করি। অন্য সময় আমিও যুদ্ধ করার জন্য বন্দুক তুলে নিই।” শুধু এলাকার বাসিন্দাদের তালিবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে একত্রিত করাই তাঁর কাজ নয়, নিজেও যুদ্ধে অংশ নেন সালিমা। তালিবানদের আগ্রাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যে গ্রুপ তাদের নীতি আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, আমরা যদি এখন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করি তাহলে আমরা তাদের হারাতে পারব না। তারা সাধারণ মানুষের মগজধোলাই করে তাদের নীতি ও আদর্শ সমাজে প্রতিষ্ঠা করবে।”

১৯৮০ সালে জন্ম গ্রহণ করেন মাজারি। এর পর সোভিয়েত যুদ্ধের সময় তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনিও অন্যত্র চলে যান। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক উত্তীর্ণ হন তিনি। তার পর তিনি ফের আফগানিস্তানে ফিরে আসেন। এই বিষয়ে মাজারি বলেন, “রিফিউজিদের সব থেকে বেশি দুঃখের হল তারা নিজের দেশ সম্পর্কে কিছুই জানতে পারে না। কোনও এলাকা তাদের দেশ নয়।”

২০১৮ সালে মাজারি জানতে পারেন, চারখন্দ জেলা প্রশাসনে একটি পদ খালি আছে, সেখানে নিয়োগ চলছে। এর পর তিনি পরিজনদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং রাজি করিয়ে ওই পদে আবেদন করেন।

তাঁর অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতা দেখে তাঁকে অফিসার পদে নিয়োগ করা হয়। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রথমে আমি মনে করেছিলাম, মহিলা হওয়ার জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হবে। কিন্তু কাজ শুরু করার পর আমি অবাক হই। প্রত্যেকে আমাকে সাহায্য করেছেন।”

Published by:Simli Raha
First published: