• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • ক্রিসমাস ট্রি-র ঠিক কোন অংশে লুকিয়ে রয়েছে বিড়ালছানা? খুঁজে হয়রান মালকিন পোস্ট করলেন ছবি!

ক্রিসমাস ট্রি-র ঠিক কোন অংশে লুকিয়ে রয়েছে বিড়ালছানা? খুঁজে হয়রান মালকিন পোস্ট করলেন ছবি!

জীবজগতের কিছু সদস্যকে মানুষ এবং অন্য প্রাণীদের হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য ছদ্মবেশ (Camouflage) ধরার হাতিয়ার জন্মগত ভাবেই দিয়ে থাকে প্রকৃতি।

জীবজগতের কিছু সদস্যকে মানুষ এবং অন্য প্রাণীদের হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য ছদ্মবেশ (Camouflage) ধরার হাতিয়ার জন্মগত ভাবেই দিয়ে থাকে প্রকৃতি।

জীবজগতের কিছু সদস্যকে মানুষ এবং অন্য প্রাণীদের হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য ছদ্মবেশ (Camouflage) ধরার হাতিয়ার জন্মগত ভাবেই দিয়ে থাকে প্রকৃতি।

  • Share this:

#লন্ডন: জীবজগতের কিছু সদস্যকে মানুষ এবং অন্য প্রাণীদের হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য ছদ্মবেশ (Camouflage) ধরার হাতিয়ার জন্মগত ভাবেই দিয়ে থাকে প্রকৃতি। যেমন, গিরগিটি তার গায়ের রং বদলে ফেলে মিশে যেতে পারে যে কোনও জায়গার সঙ্গে! এ রকম আরও নানা উদাহরণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রাণীজগতে। কিন্তু বিড়াল (Cat), বিশেষ করে সে যদি পোষা হয়, তা হলে তার মানুষকে ভয় পাওয়ার কোনওই কারণ নেই। বরং দুধটা, মাছটার জন্য মানুষের উপরেই নির্ভর করে থাকতে হবে তাকে। পাশাপাশি, বিড়াল যে এরকম ভাবে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে পারে, সে কথাটাও কোনও দিন শোনেননি কেউ! কিন্তু তেমনই এক ঘটনার কথা বিশ্বকে সম্প্রতি জানিয়েছেন ব্রিটেনের (Britain) লিভারপুলের (Liverpool) বাসিন্দা সারা নেলসন ম্যাকগিনেস। পোষ্য বিড়ালটিকে নিয়ে যে আতান্তরে পড়তে হয়েছিল তাঁকে, সেই গল্প থ' করে দিয়েছে সারা বিশ্বকেই!

খবর বলছে যে দুই সন্তানের মা সারা এ বছর হোয়াইট খ্রিস্টমাস (White Christmas) থিমে ঘর সাজিয়েছিলেন। একটা সাত ফুট উঁচু ক্রিসমাস ট্রি (Christmas Tree) কিনে এনেছিলেন তিনি। বরফঝরা গাছের সঙ্গে যাতে সাদৃশ্য আসে, সে জন্য সেটা ঢেকে দিয়েছিলেন সাদা রঙের ঘণ্টা, তারা, হরিণ আর শেয়ালছানার পুতুল দিয়ে। আর তাতেই ঘটল বিপত্তি!

সারা জানিয়েছিলেন যে এই ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর কিছু পর থেকেই তাঁর সাধের পোষ্য মুনকে (Moon) খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সারা বাড়ি তন্ন-তন্ন করে খুঁজেও তার দেখা মেলেনি। এর পর আতঙ্কে অস্থির হয়ে ওঠেন মহিলা। মোটে ১৩ সপ্তাহ বয়স ওই বিড়ালছানার, বাইরের পৃথিবী মোটেই তার পক্ষে নিরাপদ নয়। ফলে পরিবারের বাকিদের নিয়ে বাড়ির পর পাড়াটাও চষে ফেলেন তিনি। কিন্তু তাতেও মুনের খোঁজ মেলেনি।

খবর মোতাবেকে, এর পর হতাশ হয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন সারা। ক্লান্ত মনে, শূন্য দৃষ্টিতে খ্রিস্টমাস (Christmas) ট্রির দিকে তাকিয়ে তিনি ভাবছিলেন মুনের কথা। আচমকাই তাঁর মনে হয়, গাছের আড়ালে না জানি একটা কী জ্বলজ্বল করছে! ভালো করে দেখে বুঝতে পারেন সারা- ওগুলো আসলে চোখ! আর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি উপলব্ধি করতে পারেন যে মুন বাড়িতেই রয়েছে। সে গিয়ে উঠে বসেছে ওই খ্রিস্টমাস ট্রি-তে, পরিণামে গাছের সাদা সাজের সঙ্গে মিশে গিয়েছে তার সাদা লোমও। ফলে আলাদা করে তার অস্তিত্ব টের পাওয়া যাচ্ছে না।

মুনকে নামিয়ে আনার আগে সারা একটা ছবি তুলে নিজের ফেসবুকে (Facebook) পোস্ট করতে ভোলেননি। সেই ছবি দেখে কি বোঝা যাচ্ছে যে গাছের ঠিক কোন অংশে লুকিয়ে রয়েছে তাঁর সাধের বিড়ালছানা (Kitten)?

Published by:Akash Misra
First published: