• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • আবহাওয়া পরিবর্তন শুক্রগ্রহতেও! শুকিয়ে গিয়েছে জল, নতুন তথ্য উঠে আসছে গবেষণায়!

আবহাওয়া পরিবর্তন শুক্রগ্রহতেও! শুকিয়ে গিয়েছে জল, নতুন তথ্য উঠে আসছে গবেষণায়!

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের দাবি, বহু বছর আগে পৃথিবীর মতো একটি বাসযোগ্য জলবায়ু ছিল শুক্রের। কিন্তু কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের দাবি, বহু বছর আগে পৃথিবীর মতো একটি বাসযোগ্য জলবায়ু ছিল শুক্রের। কিন্তু কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের দাবি, বহু বছর আগে পৃথিবীর মতো একটি বাসযোগ্য জলবায়ু ছিল শুক্রের। কিন্তু কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বর্তমানে পৃথিবীর (Earth) কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হল জলবায়ুর পরিবর্তন (Climate Change)। ক্রমবর্ধমান বিশ্ব উষ্ণায়ণের (Global Warming) বিরুদ্ধে লড়ছে পৃথিবী। কিন্তু আজ পৃথিবী যে পরিস্থিতির শিকার, বহু বছর আগে আমাদের প্রতিবেশী গ্রহ শুক্র হয় তো একই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল। কোনও এক সময় হয় তো ব্যাপক জলবায়ু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল শুক্র (Venus)। ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল ওই গ্রহের জলবায়ুর বৈচিত্র্য। শুকিয়ে গিয়েছিল জলাশয়গুলি। সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এসেছে এক গবেষণায়।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের দাবি, বহু বছর আগে পৃথিবীর মতো একটি বাসযোগ্য জলবায়ু ছিল শুক্রের। কিন্তু কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকর গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে সব কিছু ধ্বংস হয়ে যায়। এর জলাশয়গুলি হয় শুকিয়ে যায়, নয় তো বাষ্পীভূত হয়ে যায়। ধীরে ধীরে সমস্ত কিছু নিঃশেষ হয়ে যায় ।

সম্প্রতি Nature journal-এ প্রকাশিত হয়েছে রিচার্ড আর্নস্টের (Richard Ernst) এই গবেষণাপত্র। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীরা বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে সুনিশ্চিত করার জন্য শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠতলের নুড়ি-পাথর (Tesserae) নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছেন। ১৯৮৯ সালের NASA-র মহাকাশ অভিযান থেকেও নানা তথ্য নিয়ে গবেষণা চলছে। উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালের ১০ অগস্ট শুক্রে Magellan মহাকাশযান পাঠিয়েছিল NASA। শুক্রে ঘটা নানা অগ্ন্যুৎপাত ও সেই সংক্রান্ত পরিবর্তনগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর এই সমস্ত কিছুই যেন একটি ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইঙ্গিত দিচ্ছে বহু বছর আগে ঘটে যাওয়া একটি পরিবর্তনের দিকে।

উল্লেখ্য, শুক্রে যে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে কিংবা পৃথিবীর মতো একটি জলবায়ু আছে, তা নিয়েও আগেও বিস্তর গবেষণা হয়েছে। ২০১৬ সালে NASA-র একটি প্রতিবেদনেও বিষয়টি নিয়ে বিশদে আলোচনা করা হয়। NASA-র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, শুক্র গ্রহের মধ্য জলের অস্তিত্ব থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাসযোগ্য জলবায়ুরও অল্প-বিস্তর সন্ধান মিলেছে। NASA-র Goddard Institute for Space Studies-এর গবেষকদের প্রতিনিধিত্বে কম্পিউটার মডেলিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।

বছরের শুরুতেই একটি গবেষণা সূত্রে জানা গিয়েছিল, শুক্রের ঘন মেঘে ফসফাইনের (Phosphine) অস্তিত্ব রয়েছে। এই ফসফাইন গ্যাসের মাধ্যমেই জীবের ইঙ্গিত পাচ্ছিলেন মহাকাশ গবেষকরা। অনেকের ধারণা ছিল এটি কোনও এলিয়েন বা অণুজীবের কাজও হতে পারে। তারা এই ফসফাইন গ্যাস উৎপাদন করতে সক্ষম। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশের অনুমান ছিল, কোনও অগ্ন্যুৎপাতের জেরেও শুক্রের পৃষ্ঠতলে বা মেঘে ফসফাইন বা সালফার ডাই অক্সাইডের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যেতে পারে। তবে এই অগ্ন্যুৎপাতের জেরে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে হয় তো জলবায়ুর বড়সড় পরিবর্তন হয়েছে। সে ক্ষেত্রে কোনও জীবের অস্তিত্ব থাকলে, তার বিলুপ্তি পর্যন্তও ঘটতে পারে বলে দাবি তাঁদের!

Published by:Pooja Basu
First published: