শাশুড়ির গায়ে ঝোল ঢেলে দিলেন ওয়েটার, আহ্লাদে আটখানা কনে হাতে গুঁজে দিলেন দেদার টিপস!

শাশুড়ির গায়ে ঝোল ঢেলে দিলেন ওয়েটার, আহ্লাদে আটখানা কনে হাতে গুঁজে দিলেন দেদার টিপস!

প্রতীকী চিত্র ।

বেশির ভাগ সময়েই শাশুড়ি আর ছেলের বউয়ের মধ্যে সম্পর্কটা যেন আদায়-কাঁচকলায় থেকে যায়।

  • Share this:

যা দেখা যাচ্ছে, এই ব্যাপারে সম্পর্কটা বিশ্বের সব কোণেই যেন একই রকম! কদাচিৎ তাঁরা হয়ে উঠতে পারেন মা আর মেয়ে! বাকি বেশির ভাগ সময়েই শাশুড়ি আর ছেলের বউয়ের মধ্যে সম্পর্কটা যেন আদায়-কাঁচকলায় থেকে যায়। সেই ঘটনাই সম্প্রতি বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছেন ক্লোয়ি বি নামের এক TikTok ইউজার।

তবে এটাও বলে রাখা ভাল যে, তিনি যতটা না শাশুড়ি আর ছেলের বউয়ের সম্পর্কের তিক্ততার গল্প তুলে ধরেছেন, তার চেয়ে ঢের বেশি ফলাও করে বলতে চেয়েছেন নিজের অপদার্থতার কথা। ক্লোয়ির সাফ বক্তব্য- সে দিন তাঁর স্বভাবের জন্য সব কিছু এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল!

ঠিক কী করেছিলেন ক্লোয়ি? এলোমেলো স্বভাব বলতেই বা ঠিক কী বুঝিয়েছেন তিনি?

ক্লোয়ি জানিয়েছেন যে, তিনি পেশায় একজন ওয়েট্রেস। নানা অনুষ্ঠানে তিনি খাবার পরিবেশনের কাজ করে থাকেন। কিন্তু তাঁর ডিসপ্র্যাক্সিয়া (Dyspraxia) নামে এক ধরনের অসুখ আছে। এই অসুখে মাঝে মাঝেই তাঁর হাত কাঁপে, ফলে খাবার পরিবেশন করার মাঝে মধ্যে পড়তে হয় অপ্রস্তুত মুহূর্তে। এই প্রসঙ্গেই ক্লোয়ি বলেছেন তাঁর প্রথম দিনের কাজের অভিজ্ঞতা।

শাশুড়ির গায়ে ঝোল ঢেলে দিলেন ওয়েটার, আহ্লাদে আটখানা কনে হাতে গুঁজে দিলেন দেদার টিপস!

যদিও ঘটনাটা ঠিক কোথায় ঘটেছিল, তা ক্লোয়ি কাউকে জানাননি। তিনি বলেছেন যে, এক বিয়েতে টেবলে খাবার রাখতে গিয়ে এক পাত্র ঝোল তিনি ফেলে দিয়েছিলেন ছেলের মায়ের গায়ে! ঝোলটা দারুণ গরম থাকলেও সৌভাগ্যবশত মহিলার কোনও ক্ষতি হয়নি, তিনি চলে গিয়েছিলেন বাড়িতে পোশাক বদলাতে।

এর পরে কান্নাকাটি জুড়ে দেন ক্লোয়ি। ওই মহিলা সাদা রঙের গাউন পরেছিলেন, ফলে ক্লোয়ি ভাবেন যে তিনি কনের গায়ে ঝোল ঢেলেছেন, এ বার তাঁর চাকরি যাবে! কিন্তু চাকরি তাঁর যায়নি তো বটেই, উল্টে তাঁর হাত উপচে উঠেছিল টিপসের টাকায়। কেন না, কনের অনুমতি ছাড়া খ্রিস্টান বিয়েতে কারও সাদা রঙ পরার অধিকার নেই। এ ক্ষেত্রে ছেলের মা নিয়ম ভেঙেছিলেন। কিন্তু শাশুড়িকে কিছু বলতেও পারছিলেন না কনে। এ ভাবে ঘটনার সমাধান হওয়ায় তিনি ছুটে এসে ধন্যবাদ জানান ক্লোয়িকে এবং তাঁকে অপ্রত্যাশিত টাকা টিপস হিসেবে দেন!

First published: