ওম নমঃ শিবায়! করোনায় আক্রান্ত ভারতীয়দের জন্য পঞ্চাক্ষর মন্ত্র জপ ইজরায়েলিদের, ভিডিও ভাইরাল

ওম নমঃ শিবায়! করোনাক্রান্ত ভারতীয়দের জন্য পঞ্চাক্ষর মন্ত্র জপে বসলেন ইজরায়েলিরা; ভিডিও ভাইরাল!

কোটি কোটি ভারতবাসীর সুসাস্থ্য কামনায় উড়ে এল প্রার্থনা, তাও আবার খোদ সংস্কৃত ভাষায়।

  • Share this:

#ইজরায়েল: করোনা মহামারীর দ্বিতীয় তরঙ্গের প্রকোপে কার্যত দিশেহারা ভারতবর্ষ। একদিনে প্রায় রেকর্ড সংখ্যক চার লক্ষের বেশি মানুষ আক্রান্ত। সঙ্গে যোগ হয়েছে হাসপাতালের অক্সিজেন সমস্যা। দুর্মূল্য হাসপাতালের বেডও। দেশের বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে বাড়ছে মৃত্যুহার। বেশ চাপে উত্তরপ্রদেশ কিংবা মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলি। দেশের মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ১৮ লক্ষেরও বেশি লোকজন। মোট মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৮ হাজার। দেশে এখনো অবধি মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৭৬ লক্ষ। এক দিকে যেমন কোভিডের আতঙ্ক বাড়ছে, তেমনই আশার খবর এই যে প্রতি দিন সুস্থতার হারও বাড়ছে। সব মিলিয়ে কোভিড লড়াইয়ে একেবারে সামনের সারিতে দেশ। আর সে জন্যেই কার্যত সারা বিশ্ব জুড়ে অন্যান্য দেশগুলি থেকে আসছে সাহায্য। কেউ অক্সিজেন পাঠাচ্ছে, তো কেউ গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সাহায্যও আসছে বিপুল পরিমানে। চিন, জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এবং ইংল্যান্ড তো ছিলই, এবার যুক্ত হল নতুন নাম। ইজরায়েল। তবে অর্থনৈতিক কিংবা চিকিৎসাজনিত সাহায্য নয়- এই দেশ থেকে এল প্রার্থনা। কোটি কোটি ভারতবাসীর সুসাস্থ্য কামনায় উড়ে এল প্রার্থনা। তাও আবার খোদ সংস্কৃত ভাষায়। ইজরায়েলিরা গলা মেলালেন 'ওম নমঃ শিবায়'-এর তালে তালে।

ঘটনার সূত্রপাত দিন তিনেক আগে। ইজরায়েল দেশের রাজধানী তেল আভিভ (Tel Aviv) শহরে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে ইজরায়েলিরা সম্মিলিত হন বেশ বড় সংখ্যায়। তাদের হাতে ছিল নানান রকমের বাদ্যযন্ত্র। সেই বাদ্যযন্ত্রের সাহায্যেই ভারতীয়দের সুস্বাস্থ্য ও আরোগ্য কামনায় গলা মেলান তারা। কন্ঠে ভারতীয় হিন্দুদের চেনা প্রার্থনা 'ওম নমঃ শিবায়।' ভিডিও করেন ভারতীয়দূতাবাসেরই এক কর্মী পবন কে পাল (Pawan K. Pal)। তাঁর পোস্ট করা এই ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। এক লক্ষ পঁচিশ হাজার মানুষ এই ভিডিও তাঁর Instagram প্রোফাইলে দেখেছেন। পছন্দ করেছেন। ভিডিওতে নানা মন্তব্য এসেছে। অধিকাংশই ইজরায়েলের মানুষদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন সূচক। এবার দেখার করোনা মোকাবিলায় এই প্রার্থনার জোর আদপে কতটা!

Published by:Rukmini Mazumder
First published: