• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • VIOLENCE IN US CAPITAL SUPPORTERS OF DONALD TRUMPS ATTACKED IN CAPITAL BUILDING 1 DEAD AKD

আমেরিকার ইতিহাসে কালো দিন, ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠদের বেনজির হামলা, মৃত ১

ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ে ট্রা্ম্প ভক্তদের হামলা।

আগুন রাজধানী থেকে ছড়িয়েছে ফ্লোরিডা-সহ আরও বেশ কয়েকটি অঞ্চলে। ঘটনার জেরে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছে ট্যুইটার।

  • Share this:

    ওয়াশিংটন ডিসি: গণতন্ত্রের ধ্বজা খসে পড়ল। ট্রাম্প সমর্থকদের পেশিশক্তি প্রদর্শনে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল আমেরিকা। গোটা ওয়াশিংটন ডিসিতে কার্যত লকডাউন জারি করতে বাধ্য হল মার্কিন পুলিশ। এখও পর্যন্ত পুলিশের গুলিতে একজনের মৃত্য়ুর খবর আসছে। আহত বহু। মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। হিংসার আগুন রাজধানী থেকে ছড়িয়েছে ফ্লোরিডা-সহ আরও বেশ কয়েকটি অঞ্চলে। ঘটনার জেরে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছে ট্যুইটার।

    ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ে নাশকতা

    বৃহস্পতিবার জয়ের শংসাপত্র পাওয়ার কথা জো বাইডেনের। তারই আগে ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ে বলপূর্বক ঢুকে পড়েন ট্রাম্প সমর্থকরা। ভাঙা হয় ব্যারিকেড, যাবতীয় নিরাপত্তা বলয়। ভাঙচুর শুরু হয় ক্যাপিটাল বিল্ডিংয়ের অন্দরে।গত কয়েক দশকে তিলে তিলে গড়া মার্কিন গণতন্ত্রে এত বেনজির বিশৃঙ্খলা আর ঘটেনি। তীব্র অশান্তি সামলাতে অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য হয়।

    কেন হামলা

    এবারের মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের ভাগ্যে জুটছে ২৩২ টি ভোট আর বাইডেন পেয়েছেন ৩০৬টি ভোট। অথচ যেদিন থেকে ভোটগণনা এবং নির্বাচনী ফলাফল সামনে এসেছে ট্রাম্প কারচুপির অভিযোগ তুলে এসেছেন। একাধিক মামলা করে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট খুব একটা কিছু করে উঠতে পারেননি। এর পরেই বুধবারের একটি জনসভায় ট্রাম্প জিগির তোলেন, আমরা পিছু হটব না। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলি বলছে, এরপরেই রাস্তায় নেমে পড়েন ট্রাম্প সমর্থকরা। পরে অবশ্য তাদের শান্ত হওয়ার কথা বলেছিলেন ট্রাম্প ট্যুইটারে। ছোট ভিডিও শেয়ার করে তিনি লেখেন, গো হোম। ভক্তরা তাঁর কথা শোনেনি। কিছুতেই আটকানো যায়নি তাঁদের। ক্যাপিটাল বিল্ডিং আক্রমণের পর পরিস্থিতি সামাল লেগে গিয়েছে ৪ ঘণ্টা।

    প্রতিক্রিয়া

    ঘটনার তীব্র নিন্দা করছেন গোটা পৃথিবীর রাজনৈতিক মহল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশবাসীর উদ্দেশ্যে লিখেছেন, "এটা আমেরিকার ছবি হতে পারে না। যারা একাজ করেছেন তাঁরা উগ্র। আমরা আইন মেনে চলব। গণতন্ত্রে এটাই নিয়ম।" বারাক ওবামা ঘটনাকে দেশের লজ্জা বলে ব্যখ্যা করেছেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ নিন্দা এসেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর তরফেও।

    Published by:Arka Deb
    First published: