করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে কাজে আসবে একমাত্র Covaxin, দেশের উৎপাদনে সিলমোহর এল হোয়াইট হাউজ থেকেও

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে কাজে আসবে একমাত্র Covaxin, দেশের উৎপাদনে সিলমোহর এল হোয়াইট হাউজ থেকেও

মঙ্গলবার তাঁর এক বিবৃতিতে ফাউচি (Anthony Fauci) স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিষয়টি।

মঙ্গলবার তাঁর এক বিবৃতিতে ফাউচি (Anthony Fauci) স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিষয়টি।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: অনেক দিন ধরেই উঠেছে প্রশ্নটা, তা বড় একটা সাম্প্রতিক নয়! ভ্যাকসিন যখন আবিষ্কার হয়েছে, তখন সারা বিশ্বেই চলছিল করোনার প্রথম ধারা। এর মাঝে যখন ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হল, দেখতে দেখতে বিশ্বকে গ্রাস করল করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ। প্রশ্ন উঠেছে তাই সঙ্গত ভাবেই- প্রথম ধারার দিকে নজর রেখে তৈরি ভ্যাকসিন কি দ্বিতীয় ধারার ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হবে? সেই উত্তর এবার এল ইউনাইটেড স্টেটসের হোয়াইট হাউজ থেকে। হোয়াইট হাইজের (White House) প্রধান মেডিক্যাল অ্যাডভাইজর অ্যান্থনি ফাউচি (Anthony Fauci) জানালেন যে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ প্রতিহত করতে একমাত্র সক্ষম ভারতে তৈরি Covaxin!

মঙ্গলবার তাঁর এক বিবৃতিতে ফাউচি স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিষয়টি। তিনি বলেছেন যে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের ভাইরাস আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, এই নিয়ে প্রতি নিয়ত নানা তথ্য উদঘাটিত হয়ে চলেছে। এখনও পর্যন্ত যে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তার থেকে জানা গিয়েছে যে ভারতে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ এবং মৃত্যুমিছিলের জন্য দায়ী ভাইরাসের B.1.617 মিউট্যান্ট, একে ইন্ডিয়ান ডবল মিউট্যান্ট স্ট্রেইন বলেও ডাকা হচ্ছে। ফাউচির দাবি, এই B.1.617 মিউট্যান্টকে অকেজো করতে পারে একমাত্র Covaxin!

ফাউচির বক্তব্য এক্ষেত্রে শুধুই ইঙ্গিতের স্তরে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকেনি। তিনি জানিয়েছেন যে ভারত সরকারের চলতি বছরের ১ মে থেকে ১৮ বছরের উর্ধ্বে টিকাকরণের যে উদ্যোগ, তা করোনার এই দ্বিতীয় তরঙ্গের সঙ্গে লড়াই করার জন্য একেবারে যথাযথ পদক্ষেপ। তাই ভ্যাকসিন নিতেই হবে সুস্থ থাকতে হলে, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি (National Institute of Virology) এবং ই্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্টের (Indian Council of Medical Research) সঙ্গে অংশীদারিত্বে ভারত বায়োটেক (Bharat Biotech) দ্বারা উৎপাদিত হয়েছে Covaxin। পরিসংখ্যান অনুসারে এটি ৭৮ শতাংশ পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম। এটি তৈরি হয়েছে ভাইরাসের মৃত কোষ দিয়ে। ফলে এই ভ্যাকসিন শরীরের ভিতরে গেলে ওই মৃত কোষগুলি সনাক্ত করে তার অ্যান্টিবডি তৈরির কাজ শুরু হয়ে যায় এবং পরিণামে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য শরীরকে তৈরি করে দেয় Covaxin!

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: