Home /News /international /
Standing in Queues : ধনীদের জন্য লম্বা লাইনে অপেক্ষাই কাজ, দিনে ১৬ হাজার টাকার বেশি উপার্জন এই তরুণের!

Standing in Queues : ধনীদের জন্য লম্বা লাইনে অপেক্ষাই কাজ, দিনে ১৬ হাজার টাকার বেশি উপার্জন এই তরুণের!

standing in queues

standing in queues

Standing in Queues : দৈনিক উপার্জন প্রায় ১৬০ পাউন্ড৷ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার ২৪৮ টাকা৷ কী করে? ধনীদের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে৷

  • Share this:

    লন্ডন : লম্বা লাইনে দাঁড়ালে কিছু ক্ষণ পরই আমাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে, বিরক্ত হয়ে পড়ি আমরা (standing in queues)৷ কিন্তু জানেন কি এই সামান্য ধৈর্যটুকুর বিনিময়ে লন্ডন (London) শহরে একজনের দৈনিক উপার্জন প্রায় ১৬০ পাউন্ড৷ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার ২৪৮ টাকা৷ কী করে? ধনীদের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে৷

    লন্ডন  শহরে বহু ধনকুবের আছেন, যাঁরা লাইনে দাঁড়াতে ভালবাসেন না৷ তাঁদের বকলমে লম্বা লাইনে অপেক্ষা করলে ঘণ্টাপ্রতি উপার্জন করা যায় ২০ পাউন্ড পর্যন্ত৷ এক ব্যক্তির সাম্প্রতিক দাবি, তিনি এক দিনে উপার্জন করেছেন ১৬০ পাউন্ড বা ভারতীয় মুদ্রায় ১৬ হাজার টাকা!

    আরও পড়ুন : সময় দেন না স্বামী, সেই রাগে অনলাইনে স্বামীকে বিক্রির বিজ্ঞাপন দিলেন স্ত্রী!

    শুনতে সহজ মনে হলেও কার্যক্ষেত্রে বেশ কঠিন এই কাজ৷ জানিয়েছেন লন্ডনের ফ্রেডি বেকিট৷ তাঁরই দাবি, তিনি এক দিনে ১৬০ পাউন্ড উপার্জন করেছেন বিত্তবানদের হয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে৷ ৩১ বছর বয়সি এই যুবক জানিয়েছেন তাঁকে দিনে প্রায় ৮ ঘণ্টা কাজ করতে হয়৷ তার প্রায় পুরোটাই তিনি হয় দাঁড়িয়ে থাকেন, বা হাঁটাহাটি করেন৷

    আরও পড়ুন : টিকা বিরোধী এই গায়ক জোর করে কোভিড নিয়েছিলেন শরীরে, চরম পরিণতি হল তাঁর

    এরকমও হয়েছে, ফুলহ্যামের বাসিন্দা বেকিটকে হয়তো শীতকালে তীব্র ঠান্ডায় অপেক্ষা করতে হয়েছে৷ গ্রীষ্মে যখন লল্ডনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী আয়োজিত হয়, তখন বেকিটের ব্যস্ততা তুঙ্গে৷ অনলাইনে নিজের কর্মদক্ষতা জানিয়ে বিজ্ঞাপন দেন তিনি৷ এছাড়াও পোষ্যদের দেখাশোনা, জিনিসপত্র প্যাকিং করা, সাংসারিক ফাইফরমাশ খাটা, বাগান করার মতো কাজও করেন তিনি৷

    আরও পড়ুন : ভয়ংকর! আর সময় নেই, ডুবে যাবে চেনা এই দেশের রাজধানী, সরানো হচ্ছে অন্যত্র

    অপেক্ষায় সিদ্ধহস্ত বেকিট আক্ষিক অর্থেই ‘ওয়েটার’৷ তাঁর কথায়, ‘‘আমার কাজের জন্য আমি ঘণ্টায় ২০ পাউন্ডের বেশি চার্জ করতে পারি না৷ কারণ আমার কাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনও দক্ষতা, এমনকি, কঠোর পরিশ্রমও প্রয়োজন হয় না৷ কিন্তু এটা আমায় উপার্জনের ক্ষেত্রে প্রচুর ফ্লেক্সিবিলিটি দেয়৷ আমার লেখালেখির সূচির সঙ্গেও বেশ মিলে যায় এই উপার্জন পদ্ধতি৷ আমার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের কাছে এটা বেশ মজার বিষয় কিন্তু অবশ্যই তাঁরা বিস্মিত হননি৷’’

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published:

    Tags: London

    পরবর্তী খবর