দোকান থেকে চকোলেট চুরি করছেন পাকিস্তানের সরকারি আমলা, CCTV ক্যামেরায় ধরা পড়ল কুকীর্তি!

দোকান থেকে চকোলেট চুরি করছেন পাকিস্তানের সরকারি আমলা, CCTV ক্যামেরায় ধরা পড়ল কুকীর্তি!

রাজনৈতিক জটিলতার জন্যই সিওল প্রশাসনের তরফে ওই দুই পাক আমলার নামও প্রকাশ করা হয়নি।

রাজনৈতিক জটিলতার জন্যই সিওল প্রশাসনের তরফে ওই দুই পাক আমলার নামও প্রকাশ করা হয়নি।

  • Share this:

#সিওল: সবার প্রথমে জানিয়ে না রাখলেই নয়- এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ কিন্তু জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি প্রশাসনের তরফে। কেন না, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজনৈতিক চুক্তির অনেকগুলো দিক!

জানা গিয়েছে যে সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলে। সেখানকার এক ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে জিনিস চুরি করার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন দুই উচ্চপদস্থ পাকিস্তানি সরকারি আমলা, দেশের কূটনীতি নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে যাঁরা সিওলের পাক দূতাবাসে থেকে কাজকর্ম পরিচালনা করে থাকেন। এই রাজনৈতিক জটিলতার জন্যই সিওল প্রশাসনের তরফে ওই দুই পাক আমলার নামও প্রকাশ করা হয়নি।

দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলের ইয়ংসান প্রদেশের ইটাইওনের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। প্রথমে ওই ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে ১১ হাজার ওন বা ১০ ইউএস ডলারের জিনিস চুরি যায়, তার পরে চুরি যায় ১৯০০ ওন বা ১.৭০ ইউএস ডলারের জিনিস। ইয়ংসান পুলিশ স্টেশন থেকে জানা গিয়েছে যে ঘটনাটি আলাদা আলাদা তারিখে ঘটেছিল, একই দিনে দুই চুরি হয়নি।

ইয়ংসান পুলিশ স্টেশন থেকে অবশ্য চুরির ব্যাপারে আরও কিছু তথ্য সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে যে এই চুরি যাওয়া জিনিসের মধ্যে ছিল চকোলেট এবং একটি টুপি। পাকিস্তানের এক কূটনীতিক চুরি করেন ১৯০০ ওন বা ১.৭০ ইউএস ডলারের চকোলেট ট্রিট। এবং অপরজন চুরি করেন একটি টুপি। দ্য কোরিয়া টাইমস এই প্রসঙ্গে জানিয়েছে যে ওই ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের এক কর্মী যখন ডিসপ্লেতে রাখা টুপিটা দোকানের কোথাওই খুঁজে পাননি, তখন তিনি বাধ্য হয়ে খবর দিয়েছিলেন পুলিশে।

এর পর ঘটনার তদন্তে নামে ইয়ংসান পুলিশ স্টেশন। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে তাঁরা ৩৫ বছরের এক পাকিস্তানি কূটনীতিককে ওই টুপি চুরি করতে দেখে। তদন্ত চলাকালীন উঠে আসে চকোলেট চুরির কথাও।

তবে চোরেদের পরিচয় জানতে পারার পর ওই ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এবং ইয়ংসান পুলিশ স্টেশনের তরফে মামলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর জন্যও নেপথ্য কারণ হল রাজনৈতিক জটিলতা। ভিয়েনা চুক্তি অনুসারে বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত হলেও কূটনীতিকদের ছাড় দেওয়ার প্রথা রয়েছে। এক্ষেত্রেও সেই প্রথা অবলম্বন করে পাক আমলাদের সম্মান রক্ষা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

Published by:Simli Raha
First published: