বিদেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

হাজার বছরের পুরনো স্বর্ণমূদ্রার গুপ্তধন পেলেন যুবক!‌ মাটির তলায় লুকিয়ে আছে আরও

হাজার বছরের পুরনো স্বর্ণমূদ্রার গুপ্তধন পেলেন যুবক!‌ মাটির তলায় লুকিয়ে আছে আরও

এই বিপুল গুপ্তধন যিনি লুকিয়ে রেখেছিলেন, তিনি চেয়েছিলেন, একদিন না একদিন যেন মানুষ এর সন্ধান পায়।

  • Share this:

#‌‌জেরুজালেম:‌ একেই বলে ভাগ্য!‌ কপালের লিখনও বলা যায়। না হলে এত বছর যা কেউ পেল না, তা খুঁজে পেলেন এক ইজরায়েলের যুবক?‌ গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া যেমন কপালের বিষয়, তেমনই বুদ্ধি না থাকলে মা লক্ষ্মী সহজে ধরা দেন না। তাই হয়ত এতদিন নজরে পড়েনি কারওর। হাজার বছর বাদে মাটি খুঁড়ে সেই প্রাচীন সোনার কয়েনের গুপ্ত ভাণ্ডার তুলে আনলেন এক যুবক।

ঘটনা ইজরায়েলের। সেখানেই স্থানীয় এক যুবক উদ্ধার করেছেন হাজার বছরের প্রাচীন অসংখ্য স্বর্ণমূদ্রা। ১৮ অগাস্ট তিনি এই স্বর্ণমূদ্রা উদ্ধার করেন। তারপর সোমবার ইজরায়েলের অ্যান্টিক অথরিটি জানিয়েছে, একদল কমবয়সের যুবক ইজরায়েলের এক অংশে নতুন করে বসতি তৈরির পরিকল্পনা করতে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁরা গড়ে তুলেছিলেন একটি ওয়ার্কশপ। সেই ওয়ার্কশপে কাজ করার সময়েই ওই যুবক স্বর্ণমূদ্রার সন্ধান পান। তিনি জানিয়েছেন, এমন হবে কয়েকঘণ্টাও আগেও তিনি তার আন্দাজ পাননি।

যুবকের নাম লিয়াত নাদাভ জিভ। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন, ‘‌এই বিপুল গুপ্তধন যিনি লুকিয়ে রেখেছিলেন, তিনি চেয়েছিলেন, একদিন না একদিন যেন মানুষ এর সন্ধান পায়। তিনি এই গুপ্তধনের যে পাত্র, সেটিকে এমনভাবে সুরক্ষিত করে রেখেছিলেন, যাতে আনাড়ি কেউ কোনও কাণ্ড ঘটিয়ে এটার ক্ষতি না করতে পারে। তবে আমরা এখনও শুধু মাত্র আন্দাজ করতে পেরেছি, যে ঠিক কী কারণে এই গুপ্তধনের মালিক আর এখানে ফিরে আসতে পারেননি। তবে এ এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আমরা যখন মাটি খুঁড়ে মাটির ওপরের স্তর সরিয়ে ফেলেছিলাম, তখনই আমার নজরে পড়ে একটি স্বর্ণমূদ্রা। তারপর থেকে মাটি খুঁড়ে এই রত্নভাণ্ডার উদ্ধার করি আমরা। এটি সত্যিই এক প্রাচীন, এতিহ্যবাহী ভাণ্ডার, যার তুলনা নেই। তবে মনে হয় মাটির তলায় আরও বহুমূল্য রত্নভাণ্ডার রয়েছে।’‌

সরকারি তরফে এই বিষয়ে বলা হয়েছে, এখনও এই গুপ্তধনের মালিক কে ছিলেন, সেটা বোঝা যায়নি। পাওয়া যায়নি কোনও নথি। ফলে এত ঐতিহাসিক সম্পর্ক এখনও বোঝা সম্ভব হয়নি।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: August 24, 2020, 3:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर