পাছে জ্যান্ত গোর দেয়! জানলা লাগানো ডাক্তারের কবর দেখলে আশ্চর্য হয়ে যাবেন

পাছে জ্যান্ত গোর দেয়! জানলা লাগানো ডাক্তারের কবর দেখলে আশ্চর্য হয়ে যাবেন

পাছে জ্যান্ত গোর দেয়! জানলা লাগানো ডাক্তারের কবর দেখলে আশ্চর্য হয়ে যাবেন!

ভারমন্ট নিউ হাভেনের এভারগ্রিন সেমেটারির ডক্টর টিমোথি ক্লার্ক স্মিথের কবর এখন সারা বিশ্বের পর্যটকদের কাছে দ্রষ্টব্য বিষয়

  • Share this:

#ভারমন্ট: মানুষের স্বভাব, আগ্রহ, সাধ যেমন বিচিত্র হয়, অনেকটা যেন সেই অনুসারেই তৈরি হয় তার কবরও। কবরের উপরের লেখায় ফুটে ওঠে তার মনন, কবরের আকৃতিতে ধরা দেয় তার বিশেষ পছন্দ বা অপছন্দ। কিন্তু মৃত্যু নিয়ে ভয়ের কথা কবরে উঠে এসেছে, এমন নিদর্শন কি বড় একটা পাওয়া যায়?

পাওয়া যায় না বলেই ভারমন্ট নিউ হাভেনের এভারগ্রিন সেমেটারির ডক্টর টিমোথি ক্লার্ক স্মিথের কবর এখন সারা বিশ্বের পর্যটকদের কাছে এক দ্রষ্টব্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি যে অভিনব কবর-স্থাপত্যের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন এক TikTok ব্যবহারকারী, তাঁর ইউজার নেম @bobbiecurtislee।

এই TikTok ইউজার ডক্টর টিমোথি ক্লার্ক স্মিথের কবরের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে যেমন কবরের অভিনব স্থাপত্য চোখে পড়ছে, তেমনই তুলে আনা হয়েছে কবরের নকশার ডিটেলও।

জানা গিয়েছে যে ডক্টর টিমোথি ক্লার্ক স্মিথের মনে মৃত্যু নিয়ে এক ভয় ছিল। তিনি এই ভেবে আতঙ্কে থাকতেন যে পাছে লোকে তাঁকে জ্যান্ত কবর দেয়! সুদীর্ঘ ডাক্তারির জীবনে এমন অনেক ঘটনাই দেখেছেন তিনি যেখানে অচেতন রোগীকে মৃত বলে ভুল করেছেন তাঁর পরিবার এবং প্রিয়জন। সেই ব্যাপারটা যাতে তাঁর সঙ্গেও না হয়, সেটাই ছিল তাঁর একমাত্র ভয়!

তাই স্মিথ নিজের কবরে একটা কাচের জানলা লাগানোর বন্দোবস্ত করেন। যাতে ওই জানলা খুলে উঁকি দিয়ে দেখা যাবে যে ভিতরে শুয়ে থাকা মানুষটি জীবিত না মৃত! এছাড়া ওই কবরের ভিতরে একটা দড়ি বাঁধা ঘণ্টাও রেখেছিলেন তিনি। যাতে প্রয়োজন হলে কফিনে শুয়ে থাকা অবস্থাতেই হাত বাড়িয়ে দড়িতে টান দিয়ে ঘণ্টা বাজিয়ে নিজেকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা যায়।

জানা যায়, ১৮৯৩ সালের হ্যালোউইনের দিনে ডক্টর টিমোথি ক্লার্ক স্মিথ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁকে নিজের ডিজাইন করা কবরেই সমাধিস্থ করা হয়। যদিও ওই ঘণ্টা বাজানোর দরকার পড়েনি বলেই জানিয়েছেন TikTok ইউজার। সেই সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়েছেন যে বহু বছরের ব্যবধানে এখন আর জানলা তুলে ভিতরে উঁকি দিলে অন্ধকার আর ধুলো ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না!

Published by:Rukmini Mazumder
First published: