Coronavirus: সামাজিক দূরত্ব কমলেই সতর্ক করে দেবে পোশাক! তাক লাগাচ্ছে করোনাকালের আরও এক উদ্ভাবন

পরিস্থিতি কঠিন হলেও থেমে থাকেনি শিল্প। এই করোনা অতিমারীর মধ্যেও দানা বেঁধেছে শিল্পীদের অভিনব ভাবনা।

পরিস্থিতি কঠিন হলেও থেমে থাকেনি শিল্প। এই করোনা অতিমারীর মধ্যেও দানা বেঁধেছে শিল্পীদের অভিনব ভাবনা।

  • Share this:

#নেদারল্যান্ডস: বিগত ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে পৃথিবী জুড়ে দাপট দেখাচ্ছে করোনাভাইরাস (Coronavirus)। আর এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়ে কত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে তার ইয়ত্তা নেই। সংক্রমিত হয়েছেন বহু মানুষ। বিগত দু' বছরেরও বেশি সময় ধরে সামাজিক দূরত্ববিধি (Social Distancing), লকডাউন (Lockdown)-সহ বেশ কয়েকটি শব্দের সঙ্গে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি। বদলাতে হয়েছে জীবনযাপনের ধরন। রোজকার পোশাক-আশাকেও এসেছে পরিবর্তন। জামা, প্যান্টের মত এখন মাস্ক হয়ে উঠেছে এক নিত্যদিনের ব্যবহারের সামগ্রী। তবে পরিস্থিতি কঠিন হলেও থেমে থাকেনি শিল্প। এই করোনা অতিমারীর মধ্যেও দানা বেঁধেছে শিল্পীদের অভিনব ভাবনা।

সম্প্রতি এক অভিনব পোশাক বানিয়ে বিশ্ব জুড়ে তাক লাগালেন ডাচ ডিজাইনার আনুক উইপ্রেখট (Anouk Wipprecht)। এঁর সম্পর্কে অবশ্য আলাদা করে বলার কিছু নেই। তাঁর অভিনব ভাবনা ফ্যাশনদুনিয়ায় বরাবরই আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত সাম্প্রতিকতম পোশাকের নাম 'স্পাইডার ড্রেস' (Spyder Dress)। নামের মতোই এই পোশাক কাজ করে মাকড়সার মতো। একটি মাকড়সা যেমন তার আশেপাশের দূরত্ব বৃদ্ধি নিয়ে সর্বদা সজাগ থাকে, তেমনই এই পোশাকটিও দূরত্ব বৃদ্ধি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

আনুক উইপ্রেখট এই অভিনব পোশাক বানিয়ে ইতিমধ্যেই সকলের নজর কেড়েছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রথম তিনি পোশাকটি প্রকাশ্যে এনেছিলেন। কিন্তু এই পোশাকে বিশেষত্ব কি, জানেন? জনপ্রিয় এই ফ্যাশন ডিজাইনার প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে এমনভাবে পোশাকটি বানিয়েছেন যাতে ব্যবহারকারীর দেহ দ্বিতীয় কোনও ব্যাক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে পারে। নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করে কোনও কিছু যদি দেহের কাছে চলে আসে, তাহলে পোশাক নিজেই সেই ব্যাপারে সতর্ক করে দেবে পরিধানকারীকে।

শুধু তাই নয়, উইপ্রেখট জানিয়েছেন, পোশাকটি পরিধানকারীর ব্যক্তিগত অবস্থান, তিনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন কি না এই সবও পরিমাপ করতে সক্ষম। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে এই ডাচ ডিজাইনার প্রক্সিমিটি ড্রেস (Proximity Dress) নিয়ে এসেছিলেন দুনিয়ার দরবারে। সেটিও ফ্যাশনদুনিয়ায় রীতিমতো সাড়া ফেলেছিল। বাইরে থেকে পোশাকটি ছিল যথেষ্ট ট্রান্সপারেন্ট। ব্যবহার করা হয়েছিল থ্রিডি প্রযুক্তি। পোশাকটি ছিল স্লিভলেস এবং গলার কাছে ছিল একটি ছোট্ট ডিভাইজ। যার মাধ্যমে বোঝা যেত, সামনে থেকে আসা কোনও ব্যক্তি কতটা দুরত্ব বজায় রাখলে পোশাক পরিহিতা সুরক্ষিত থাকবেন। পাশাপাশি পোশাকের নিচের অংশে ছিল সেন্সর, যা পরিধানকারীর কার্যকলাপ অনুযায়ী ছড়িয়ে পড়ত চারপাশে।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: