বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মিস ইউনিভার্স নেপাল-এর ফাইনালিস্ট হয়ে ইতিহাস গড়লেন ট্রান্সজেন্ডার অ্যাঞ্জেল লামা!

মিস ইউনিভার্স নেপাল-এর ফাইনালিস্ট হয়ে ইতিহাস গড়লেন ট্রান্সজেন্ডার অ্যাঞ্জেল লামা!

প্রথম ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে কোনও বিউটি কনটেস্টের ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়লেন অ্যাঞ্জেল লামা। মিস ইউনিভার্স নেপালের ফাইনালিস্ট হলেন হলেন তিনি। আজ সেই অনুষ্ঠানে যখন নিজের স্য়াসে তুলে নিচ্ছিলেন, তাঁর চোখে মুখে গর্বের ছাপ স্পষ্ট ধরা পড়ছিল।

  • Share this:

#কাঠমাণ্ডু: প্রথম ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে কোনও বিউটি কনটেস্টের ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়লেন অ্যাঞ্জেল লামা। মিস ইউনিভার্স নেপালের ফাইনালিস্ট হলেন হলেন তিনি। আজ সেই অনুষ্ঠানে যখন নিজের স্য়াসে তুলে নিচ্ছিলেন, তাঁর চোখে মুখে গর্বের ছাপ স্পষ্ট ধরা পড়ছিল।

বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ কয়েক বছর আগে  ট্রান্সজেন্ডার মানুষজনকে বিউটি কন্টেস্টে জায়গা দেওয়া শুরু করে। তার মধ্যে  নেপাল অন্যতম। মায়ানমার, মঙ্গোলিয়ার পরই রয়েছে নেপাল। এই ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রথমের দিকে উচ্চতা, ওজন ও অ্যাপিয়ারেন্সে প্রাধান্য থাকলেও পরের দিকে সেই নিয়মে ছাড় দেওয়া হয়। আর ছাড় দেওয়ার পরই বর্তমানে ১৮ থেকে ২৮ বছরের যে কোনও মহিলাই এই ধরনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।
এ বিষয়ে ২১ বছর বয়সী লামা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানান, সমাজে মানুষের মধ্যে কত বৈচিত্র রয়েছে, তা দেখানোর জন্য আমি মিস ইউনিভার্স নেপালে অংশগ্রহণ করি। আমি যদি স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে সকলকে লিঙ্গসমতার বিষয়টি দেখাতে পারি, তা হলে সেটাই হবে আমার সব চেয়ে বড় পাওনা। সব চেয়ে বড় মুকুট! ২০০৮ সালের পর থেকে নেপালে হিন্দুরা এই LGBT ব্যাপারটিকে বুঝতে শুরু করে এবং মেনে নিতে শুরু করে। তার আগে ২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বৈষম্য বিরোধী নির্দেশিকা জারি করে। এবং জানিয়ে দেয়, বাকি সকলের মতো  LGBT মানুষদেরও সব বিষয়ে সমান অধিকার রয়েছে। এর পর ২০১০ সালে প্রথম প্রাইড প্যারেড শুরু হয়। এ বিষয়ে মিস ইউনিভার্স নেপালের ন্যাশনাল ডিরেক্টর নাগমা শ্রেষ্ঠা জানান, যে লিঙ্গেরই হোক না কেন, সকলের অধিকার এখানে সমান। যদি তাঁরা বলেন, তাঁরা মহিলা, তা হলে তাঁরা মহিলা এবং তাঁদের মহিলা হিসেবেই বিবেচনা করা হবে। নাগমার তত্ত্বাবধানেই এই প্রতিযোগিতার নিয়মে কিছু পরিবর্তন আসে। তিনি জানান, LGBT কমিউনিটির জন্য তিনি সব সময়ে ভালো কিছু করতে চেয়েছিলেন। আর অ্যাঞ্জেল ফাইনালিস্ট হওয়ায় তাই আনন্দে ভাসছেন তিনি। জানাচ্ছেন, এই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছবে। এ বিষয়ে অ্যাঞ্জেল আরও জানান, তিনি যখন বুঝতে পারেন নিজের মধ্যে পরিবর্তনের বিষয়টি তখন বাবা-মা'কে সব খুলে বলেন। কিন্তু যেহেতু তাঁর বাবা-মা'র ন্যূনতম শিক্ষাও নেই, তাই বিষয়টি মেনে নিতে, বুঝতে অনেকটা সময় লেগে যায়। তাঁরা চেয়েছিলেন অ্যাঞ্জেলের বিয়ে দিয়ে দিতে। কিন্তু তিনি বর্তমানে LGBT কমিউনিটির জন্য কাজ করেন। শুধু লামা পরিবারই নয়, বিশ্বে এখনও অনেক দেশ আছে, এমন অনেক পরিবার আছে, যারা LGBT-দের মেনে নিতে পারে না। তবে, এর জন্য তাঁদের লড়াই জারি আছে!
Published by: Akash Misra
First published: December 31, 2020, 12:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर