বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ফেলা যাবে না কিছুই, মুরগির পালক রূপান্তরিত হবে মাংসে! থাইল্যান্ডের যুবক আবিষ্কার করলেন নতুন পদ্ধতি

ফেলা যাবে না কিছুই, মুরগির পালক রূপান্তরিত হবে মাংসে! থাইল্যান্ডের যুবক আবিষ্কার করলেন নতুন পদ্ধতি

অনেকেরই জানা নেই, মুরগির পালকেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। যা খাওয়া যেতে পারে। এমনই বলছেন থাইল্য়ান্ডের ওই যুবক

  • Share this:

#ব্যাংকক: পশু-পাখি হত্যা রুখতে, বিশ্বের নানা প্রান্তেই মাংসের পরিবর্তে মাংসের মতো ফ্লেভার্ড জিনিস খাওয়া চালু হয়েছে। এতে বেঁচে যেতে পারে মুরগিরা। আর খাবারগুলি খেতেও একদম মাংসের মতোই। কিন্তু এ বার এই মুরগি বাঁচাতে এবং তার পালকের অপব্যবহার কমাতে অভিনব উদ্যোগের কথা জানালেন থাইল্যান্ডের এক যুবক। পালক দিয়েই মাংসের মতো পুষ্টিকর খাবার বানানো যেতে পারে বলে জানালেন তিনি।

মুরগির শরীরের সাধারণত মাংসের অংশ এবং হাড়ের আশেপাশের অংশ খাওয়া হয়ে থাকে। বাকি থাকা পালক এবং অন্যান্য অংশ ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু অনেকেরই জানা নেই, মুরগির পালকেও প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। যা খাওয়া যেতে পারে। এমনই বলছেন থাইল্য়ান্ডের ওই যুবক।

সোরাউত কিত্তিবানথর্ নামের ওই যুবক পড়াশোনার জন্য ছিলেন লন্ডনে। সেখানে সদ্য মেটেরিয়াল ফিচার্সের উপর স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শেষ করেছেন তিনি। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, লন্ডনে থাকাকালীন সোরাউত দেখেন, প্রতি বছর ইউরোপে ২.৩ মিলিয়ন টন মুরগির পালক বের হয়। সেগুলিকে যদি কাজে লাগানো যায় খাবার হিসেবে, তা হলে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টে সমস্যা হয় না। তখনই তাঁর মাথায় আসে এই বিষয়টি।

পড়া শেষ করে লন্ডন থেকে থাইল্যান্ডে ফেরার পর তিনি এই কাজে হাত লাগান। মুরগির পালক থেকে প্রোটিনজাতীয় কিছু বানানোর চেষ্টা করেন তিনি। যা সহজেই প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। এর জন্য তিনি প্রথমে পালক নিয়ে তার পুষ্টিকর অংশগুলি বেছে তা মিক্সারে গুঁড়ো করেন। তার পর সেই পাউডারকে প্রোটিন খাবারে পরিণত করেন।

এ বিষয়ে সোরাউত বলেন, চিকেনের পালকে প্রচুর প্রোটিন থাকে। একে যদি বিশ্বের সামনে তুলে প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট হিসেবে তুলে ধরা যেতে পারে, তা হলে এর চাহিদা কিন্তু প্রচুর থাকবে। তাঁর মতে, এশিয়ার দেশগুলিতে এই ফেদার ওয়েস্টের পরিমাণ আরও অনেক বেশি হয়। তাই যদি কিছুটাও ওয়েস্ট এই ভাবে কমানো যায়, তা হলে অনেকের সাহায্য হতে পারে।

তবে, এ ক্ষেত্রে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাঁর মানে, এর জন্য এই মুহূর্তে তাঁর আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন। কারণ প্রোডাক্ট হিসেবে বাজারে বিক্রি হতে আরও অনেক পদ্ধতি ও পক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। ফলে তার জন্য ফান্ডিংয়ের প্রয়োজন। এ দিকে, যাঁরা তাঁর এই প্রোডাক্ট টেস্ট করেছেন, তাঁরা জানাচ্ছেন স্বাদের দিক থেকে ভালোই এই প্রোটিন পাউডার।

অনেকেই বলছেন, এটা এমন একটা জিনিস যা খেয়ে বা দেখে সহজে কেউ বলতে পারবে না চিকেন ফেদার বা মুরগির পালক দিয়ে তৈরি হয়েছে। এই পাউডার দিয়ে বানানো মিট বল খেলেও সেটা কী ভাবে তৈরি হয়েছে তা বোঝার উপায় থাকবে না, বলছেন অনেকেই!

Published by: Ananya Chakraborty
First published: December 26, 2020, 4:27 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर