পণ্যবাহী বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে কেনিয়া-নেদারল্যান্ডস যাত্রা করেও প্রাণে বাঁচল কিশোর!

পণ্যবাহী বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে কেনিয়া-নেদারল্যান্ডস যাত্রা করেও প্রাণে বাঁচল কিশোর!
প্রতীকী ছবি

কিন্তু কী ভাবে সেখানে পৌঁছল কিশোরটি তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। মনে করা হচ্ছে, কেনিয়ার নাইরোবি থেকে বিমানে উঠেছিল সেই ছেলেটি। তবে বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারের উপর কী ভাবে সে চলে গেল তা শুনে চোখ কপালে সবার।

  • Share this:

    #নেদারল্যান্ডস: কথায় বলে রাখে হরি মারে কে। কেনিয়া থেকে নেদারল্যান্ডসগামী বিমানের ঘটনা ফের একবার সেকথাই প্রমাণ করে দিল। বিমানের চাকার পাশে থাকা ল্যান্ডিং গিয়ারের উপর কয়েক ঘণ্টা ধরে মাইনাস তাপমাত্রার মধ্যেই বেঁচে থাকল বছর ১৬-র কিশোর। কিন্তু কী ভাবে সেখানে পৌঁছল কিশোরটি তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। মনে করা হচ্ছে, কেনিয়ার নাইরোবি থেকে বিমানে উঠেছিল সেই ছেলেটি। তবে বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারের উপর কী ভাবে সে চলে গেল তা শুনে চোখ কপালে সবার। এবং সেখানে থাকাকালীনই বিমানটি উড়ল এবং সেও অক্ষত অবস্থায় নেদারল্যান্ডসে পৌঁছে গিয়েছে।

    মনে করা হচ্ছে, পণ্যবাহী সেই বিমানটি গত বুধবার কেনিয়া থেকে উড়েছিল। সেটি থামে ইস্তানবুলে এবং তার পর সেটি গিয়েছিল ইউ কে-র স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেটি পৌঁছয় নেদারল্যান্ডসের মাস্ট্রিচ বিমানবন্দরে। নেদারল্যান্ডসের বিমানবন্দরের মাটি ছোঁয়ার পর বিমানের এক কর্মী ওই ছেলেটিকে উদ্ধার করেন। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রবল ঠান্ডায় জ্বরে ভুগছেন ওই কিশোর। তবে প্রাণহানির কোনও আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

    লন্ডন বিমানবন্দরের এক কর্মী জানিয়েছেন, ওই পণ্যবাহী বিমানের এমন কোনও ঘটনা তাঁদের চোখে পড়েনি এবং এই ঘটনার কথা তাঁরা সেদিন জানতেও পারেননি। পণ্যবাহী বক্সগুলি নামিয়ে রাখার পর এক বিমানকর্মীর চোখে পড়ে ছেলেটিকে। নেদারল্যান্ডসের পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কোনও ভাবে মানবপাচারের সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


    নেদারল্যান্ডসের মাস্ট্রিচ বিমানবন্দরের এক মুখপাত্রর কথায়, 'ছেলেটির ভীষণ ভালো ভাগ্য যে এভাবেও সে বেঁচে গিয়েছে।' এ ধরনের পণ্যবাহী বিমানগুলি সাধারণত ৩৮ হাজার ফুট উচ্চতায় ওড়ে এবং সেগুলির মাল রাখার জায়গাও অত্যন্ত সরু প্রকৃতির হয়। কী ভাবে এতটা ঠান্ডা এবং অক্সিজেনের ঘাটতিতেও ছেলেটি বাঁচল এখন সেটিই ভাবাচ্ছে সকলকে। এর আগে ২০১৫ সালে এমনই একটি পণ্যবাহী বিমান থেকে একটি মালের বাক্স পশ্চিম লন্ডনের একটি বিল্ডিংয়ের উপর পড়েছিল। আরেক ব্যক্তি প্রায় ৬ মাস হাসপাতালে ছিলেন একটি জাম্বো জেটের মাল রাখার ল্যান্ডিংয়ে ১০ ঘণ্টা যাত্রা করার পর।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: