ছেলেরা সুবিধের নয়, নিজের প্রিয় ব্রিফকেসকেই বিয়ে করলেন রাশিয়ার যুবতী!

ছেলেরা সুবিধের নয়, নিজের প্রিয় ব্রিফকেসকেই বিয়ে করলেন রাশিয়ার যুবতী!

Representational Image

খবর বলছে যে প্রথমে ব্রিফকেস গিডিয়নকে নিয়ে তেমন মাথাব্যথা ছিল না গর্ডনের। কিন্তু ক্রমশ তিনি বুঝতে পারেন যে গিডিয়ন তাঁকে আকর্ষণ করছে।

  • Share this:

#মস্কো: Mental Problem, Mental Breakdown, Menstrual Cramp- এরকম নানা সমস্যার শুরুতেই যে Men বা পুরুষেরা রয়েছে, সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে কোনও কসুর ছাড়েন না নারীবাদীরা। কিন্তু রাশিয়ার (Russia) মস্কোর (Moscow) বাসিন্দা, ২৪ বছরের রেইন গর্ডনের ব্যাপারটা একটু আলাদা। তিনি বিশ্বদরবারে চোখে আঙুল দিয়ে তুলে ধরতে চেয়েছেন যৌনতার এক অজানা দিক, একেবারে অন্য রকমের এক যৌন আকর্ষণের কাহিনি। যাতে এই বিশ্বে আর যাঁরা রয়েছেন তাঁর মতো, সবাই নিজের নিজের পথ বেছে নিতে পারেন।

দ্য মিরর সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গর্ডন জানিয়েছেন যে ২০১৫ সাল থেকেই তিনি তাঁর প্রিয় ব্রিফকেস, যার নাম তিনি রেখেছেন গিডিয়ন, তার সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ। বিশেষ কোনও জড়বস্তু আমাদের অনেকেরই খুব কাছের জিনিস হয়ে থাকে। কিন্তু গর্ডনের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু আলাদা। পোশাকি ভাষায় বললে তিনি Objectophile। অর্থাৎ তিনি Objectophilia বা Object Sexuality-তেই স্বচ্ছন্দ বোধ করে থাকেন।

এই জায়গায় এসে Objectophilia বা Object Sexuality কী, সেটাও সামান্য হলেও ব্যাখ্যা করতেই হয়। যখন কোনও মানুষ কোনও জড় বস্তুর প্রতি তুমুল যৌন আকর্ষণ বোধ করেন, মানুষের চেয়েও কোনও জড়বস্তুর প্রতি তাঁর যৌন আকর্ষণ (Sexual Attraction) হয়ে ওঠে তুমুল, তখন তাকে পোশাকি ভাষায় বলা হয় Objectophilia বা Object Sexuality। আর যাঁরা এ ধরনের সম্পর্কে স্বচ্ছন্দবোধ করে থাকেন, তাঁদের বলা হয় Objectophile।

সংবাদমাধ্যমকে গর্ডন জানিয়েছেন যে জড়বস্তুর প্রতি তাঁর এই আকর্ষণের দিকটা তিনি প্রথম অনুভব করেন বছর আটেক বয়সে। বড় হওয়ার পরে ধীরে ধীরে দেখেন যে মানুষের বদলে জড়বস্তুই তাঁকে অধিক যৌনসুখ (Sexual Pleasure) দিচ্ছে।

খবর বলছে যে প্রথমে ব্রিফকেস গিডিয়নকে নিয়ে তেমন মাথাব্যথা ছিল না গর্ডনের। কিন্তু ক্রমশ তিনি বুঝতে পারেন যে গিডিয়ন তাঁকে আকর্ষণ করছে। জীবনের অনেকগুলো সন্ধ্যা তাই তিনি গিডিয়নের সঙ্গে কথা বলে কাটিয়েছেন। রাতে তাঁকে আলিঙ্গন (Cuddle) করেছেন, চুম্বন (Kiss) করেছেন। এবং যখন তাঁর সব দ্বিধা কেটে গিয়েছে, ২০১৫ সালে তিনি গিডিয়নের সঙ্গে সম্পর্ককে প্রকাশ্য স্বীকৃতি দিয়েছেন।

কিন্তু সমাজে সর্বত্রই এমন মানুষ থাকেন, যাঁরা অন্য রকমের কিছু মেনে নিতে পারেন না। তাই গর্ডনকেও অনেকে পছন্দসই পুরুষ খোঁজার পরামর্শ দিতেই থাকেন। এর আগে নানা পুরুষের সঙ্গে যৌন অভিজ্ঞতা থাকলেও তাঁরা তাঁকে তৃপ্ত করতে পারেননি বলেই জানিয়েছেন গর্ডন। কিন্তু পরামর্শের চোটে দ্বিধাগ্রস্ত হওয়ায় ২০১৭ সালে ফের একবার জনৈক পুরুষকে শয্যাসঙ্গী করেন তিনি। এবং উপলব্ধি করেন- পুরুষ আর যা-ই হোক, তাঁকে শারীরিক, মানসিক দিক থেকে তৃপ্ত করতে পারবে না!

আপাতত তাই নিজের প্রিয় গিডিয়নের সঙ্গেই সুখে রয়েছেন গর্ডন। তাঁর বক্তব্য, গিডিয়ন একাধারে স্বামী, বন্ধু এবং পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করে জীবনে!

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: