• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • NASA-র মহাকাশ অভিযানের সঙ্গে গাড়ির যোগ! জানুন বিশদে

NASA-র মহাকাশ অভিযানের সঙ্গে গাড়ির যোগ! জানুন বিশদে

অতীতের GPS হোক কিংবা বর্তমানের সেল্ফ ড্রাইভিং টেকনোলজি! ষাটের দশক থেকে একের পর এক প্রযুক্তির উদ্ভাবন এই যোগসূত্রকে যেন আরও দৃঢ় করেছে।

অতীতের GPS হোক কিংবা বর্তমানের সেল্ফ ড্রাইভিং টেকনোলজি! ষাটের দশক থেকে একের পর এক প্রযুক্তির উদ্ভাবন এই যোগসূত্রকে যেন আরও দৃঢ় করেছে।

অতীতের GPS হোক কিংবা বর্তমানের সেল্ফ ড্রাইভিং টেকনোলজি! ষাটের দশক থেকে একের পর এক প্রযুক্তির উদ্ভাবন এই যোগসূত্রকে যেন আরও দৃঢ় করেছে।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: NASA-র মহাকাশ অভিযানের সঙ্গে গাড়ির যোগ! শুনলে খানিকটা অবাক লাগে। কিন্তু এটাই সত্যি। কারণ মহাকাশে লড়াই জারি রাখতে একের পর এক প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে ন্যাশনাল অ্যারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরে সেই প্রযুক্তিকেই গাড়িতে ব্যবহার করা হয়েছে। তা সে অতীতের GPS হোক কিংবা বর্তমানের সেল্ফ ড্রাইভিং টেকনোলজি! ষাটের দশক থেকে একের পর এক প্রযুক্তির উদ্ভাবন এই যোগসূত্রকে যেন আরও দৃঢ় করেছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক বিশদে!

অতীত থেকে গাড়ি প্রস্তুতির নানা টেকনোলজির নেপথ্যে ছিল NASA!

টায়ার প্রেসার মনিটর

আজকাল সবার গাড়িতেaই TPMS টেকনোলজি রয়েছে। এর পিছনে ভূমিকা রয়েছে NASA-র। টায়ার প্রেসার নষ্ট হয়ে গেলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। আরও বড় সমস্যায় পড়তে পারেন মহাকাশচারীরা। সেই কথা মাথায় রেখেই একটি সেন্সর টেকনোলজি আনা হয়েছিল NASA-র তরফে। যা চাকায় বসানোর মাধ্যমে টায়ার প্রেসারের বিষয়টি মনিটর করা যায়। আর আজকাল অনেক গাড়িতেই সেই সিস্টেম রয়েছে। তবে এখন ডিজিটাল রিডিংয়ের মাধ্যমেও বিষয়টি নির্ণয় করা যায়।

GPS

গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম। এই প্রযুক্তি তৈরি করেছিল আমেরিকার বায়ু সেনা। তবে এর অ্যালগরিদমে বিস্তর পরিবর্তন আনে NASA। আর ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে যায় GPS টেকনোলজি।

জিরো গ্র্যাভিটি সিট

এক্ষেত্রে NASA-র সঙ্গে জুটি বেঁধে গাড়িতে জিরো গ্র্যাভিটি সিট টেকনোলজি নিয়ে হাজির হয় Nissan। ২০১৩ সালে Nissan Altima মডেলে জিরো গ্র্যাভিটি সিট নিয়ে বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালু করা হয়।

বর্তমানে NASA-র প্রযুক্তি গাড়ির টেক-ডিভাইজগুলিকে সমৃদ্ধ করছে!

সেল্ফ ইঞ্জিন ড্যামেজ রিপেয়ার

মহাকাশে নানা সামগ্রীর সঙ্গে ধাক্কা লাগার জেরে মহাকাশযানের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। ছোটখাটো অংশ ভেঙে যায়। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়েও পেরোতে হয় একটি মহাকাশযানকে। এক্ষেত্রে NASA-র তরফে একটি সেল্ফ ইঞ্জিন ড্যামেজ রিপেয়ার সিস্টেম ডেভেলপ করা হয়। এর জেরে ইঞ্জিন আরও কর্মক্ষম, মজবুত হয়ে ওঠে। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ভালো ভাবে কাজ করতে পারে যন্ত্রাংশগুলি। এবার সেই টেকনোলজিকেও ব্যবহার করতে শুরু করেছে গাড়িগুলি।

উপর থেকেই যানবাহনের ধোঁয়া নির্গমনের নজরদারি

পরিবেশ দূষণ রোধে এটি একটি বড় পদক্ষেপ । কারণ এখনও কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনো অক্সাইড নির্গমন ও তার জেরে ক্রমবর্ধমান দূষণ নিয়ে সকলে চিন্তিত। এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে। অনেকে ব্যাটারি-চালিত গাড়ির দিকে ঝুঁকছেন। এক্ষেত্রে NASA-এর তৈরি EDAR টেকনোলজিকে ব্যবহার করছে গাড়িপ্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি।

এছাড়াও রয়েছে সিমলেস অটোনোমাস মোবিলিটি সিস্টেম। যা গাড়ি চালানো আরও সুরক্ষিত ও নিরাপদ করে তোলে।

অদূর ভবিষ্যতে গাড়িতে ব্যবহৃত হতে পারে NASA-র তৈরি এই প্রযুক্তিগুলি-

AI ব্রেইন

যে কোনও ধরনের বড় দুর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে পরে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স ব্রেইন। এই সফটওয়্যার টেকনোলজির সাহায্যে কোনও বস্তুকে চিহ্নিত করা, তাকে লোকেট করা এমনকি ট্র্যাক করা যেতেও পারে। এতে সংঘর্ষ বা ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এটি সেল্ফ ড্রাইভিং গাড়িতেও ব্যবহার করা যায়। মূলত মঙ্গল মিশনের কথা মাথায় রেখে এই টেকনোলজি গুলির সৃষ্টি। আর সহজেই গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে এই প্রযুক্তিগুলি।

ট্র্যাফিক কমাতে লাইডার

একটি ডপলার লাইডার (Doppler Lidar) ডেভেলপ করছে এই মহাকাশ সংস্থা। এর সঙ্গে কিছু লেজার লাইট ও সেন্সর টেকনোলজির ব্যবহার করা হয়েছে। এই টেকনোলজির সাহায্যে গাড়ি নিজে থেকেই বুঝতে পারবে, তার সামনে কী রয়েছে, কতটা গতিতে যাচ্ছে এবং কোন দিকে যেতে পারে। এখান থেকেই সেল্ফ ড্রাইভিং গাড়ির ধারণা এসেছে। এর ফলে যানযট থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

আনব্রেকেবল সুপারলাস্টিক টায়ার

এ নিয়ে কাজ করছে NASA। এক্ষেত্রে শেপ মেমোরি টেকনোলজি ব্যবহার করা হবে। সেইভাবে ধাতুসঙ্কর দিয়ে চাকাও তৈরি করা হবে। এক্ষেত্রে কোনও জিনিসের উপর দিয়ে গেলে বা ধাক্কা লাগলে, টায়ার দ্রুত তার পুরনো অবস্থায় ফিরে আসবে। সেই সূত্র ধরে টায়ারগুলির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর কাজ শুরু হয়েছে। সব ঠিক থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই নানা গাড়িতে ব্যবহার করা হবে এই ধরনের টায়ার।

Published by:Piya Banerjee
First published: