• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • একবার তৈরি হয়ে গেলে কোভিড ১৯ অ্যান্টিবডি সুরক্ষা দেবে অন্তত ৫ মাস ধরে, বলছে সমীক্ষা!

একবার তৈরি হয়ে গেলে কোভিড ১৯ অ্যান্টিবডি সুরক্ষা দেবে অন্তত ৫ মাস ধরে, বলছে সমীক্ষা!

Photo: Collected

Photo: Collected

কোনও ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে সেটির প্রতিক্রিয়ায় যে প্রোটিনজাত পদার্থ জন্ম নেয়, তা ওই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখে। এই প্রোটিনজাত পদার্থকেই বলা হয় অ্যান্টিবডি।

  • Share this:

#নিউইয়র্ক: বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না যে যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের চিকিৎসক ফ্লোরিয়ান ক্র্যামার এবং তাঁর দলদ্বারা যে সমীক্ষাটি পরিচালিত হয়েছে, যার গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল সায়েন্সে, তা কোভিড ১৯-এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে!

এই জায়গায় এসে ঠিক কতজন রোগীর উপরে পরীক্ষা চালিয়েছেন ফ্লোরিয়ান ক্র্যামার এবং তাঁর দল, সেটাও জেনে নেওয়া দরকার। কেন না, সমীক্ষার স্বভাব অনুযায়ী যত বেশি সংখ্যায় মানুষের উপরে পরীক্ষা চলবে, তত বেশি করে নিঃসন্দিহান হওয়া যাবে সিদ্ধান্তের সত্যতা নিয়ে! জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত খবর বলছে যে সাকুল্যে ৭২ হাজার ৪০১ জন কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত রোগীর উপরে সমীক্ষা চালানো হয়েছিল মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে। দেখা গিয়েছে যে তাঁদের মধ্যে ৩০ হাজার ৮২ জনের শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, তা তাঁদের অনেক মাস পর্যন্ত সুরক্ষিত রেখেছে, শক্তি দিয়েছে রোগপ্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে।

কোনও ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে সেটির প্রতিক্রিয়ায় যে প্রোটিনজাত পদার্থ জন্ম নেয়, তা ওই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখে। এই প্রোটিনজাত পদার্থকেই বলা হয় অ্যান্টিবডি।

কিন্তু মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের এই সমীক্ষার বিপরীতেই দাঁড়িয়ে আছে আরেক সদ্য প্রকাশিত গবেষণা। যা দাবি করছে যে শরীরে প্রবেশের পর কোভিড ১৯-এর ভাইরাস এই অ্যান্টিবডি বা প্রোটিনজাত পদার্থের ছদ্মবেশ ধারণ করে ফেলছে। ফলে শরীরের অভ্যন্তরের গোটা সিস্টেম পড়ে যাচ্ছে ধন্দে। বুঝে উঠতে পারছে না যে কোনটা আদতে ভাইরাস আর কোনটাই বা ইমিউন প্রোটিন! যতক্ষণে বুঝে উঠছে, ততক্ষণে শরীরকে কলকবজাকে ভেঙেচুরে দিচ্ছে করোনা!

সেল সিস্টেম নামের যে জার্নালে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে তা দাবি করছে যে ভাইরাসের এই ছদ্মবেশ নেওয়াটা প্রকৃতির নিয়মের মধ্যেই পড়ে। অনেক প্রাণীই নিজেদের শক্তিশালী অন্য প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য যেমন ক্যামোফ্লেজের সাহায্য নিয়ে থাকে, এ ব্যাপারটাও ঠিক তাই! তাই শেষ পর্যন্ত অনেক রোগীরই ইমিউনিটি সিস্টেম করোনাভাইরাসকে চিনে উঠতে পারছে না, বরং তা তাকে সাহায্যই করছে। যার পরিণামে বেড়ে চলেছে মৃত্যুর হারও!

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: