• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • ফের রক্তাক্ত আফগানিস্তান, মাজার-ই-শরিফে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪০

ফের রক্তাক্ত আফগানিস্তান, মাজার-ই-শরিফে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪০

আফগানিস্তানে সেনা ক্যাম্পে হামলায় নিহত অন্তত একশো চল্লিশ। আহত কমপক্ষে ৬০ জন সেনা জওয়ান।

আফগানিস্তানে সেনা ক্যাম্পে হামলায় নিহত অন্তত একশো চল্লিশ। আহত কমপক্ষে ৬০ জন সেনা জওয়ান।

আফগানিস্তানে সেনা ক্যাম্পে হামলায় নিহত অন্তত একশো চল্লিশ। আহত কমপক্ষে ৬০ জন সেনা জওয়ান।

  • Share this:

    #কাবুল: আফগানিস্তানে সেনা ক্যাম্পে হামলায় নিহত অন্তত একশো চল্লিশ। আহত কমপক্ষে ৬০ জন সেনা জওয়ান। হামলাকারী এক তালিবান জঙ্গিকে জীবন্ত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার রাতে উত্তর আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফে সেনা ক্যাম্পে হামলা চালায় তালিবান জঙ্গিরা।

    ২০০১-এ মার্কিন নেতৃত্বাধীন নেটো বাহিনীর অভিযানের পর কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল তালিবান। কিন্তু আফগানিস্তানের মাটিতে তালিবান যে আবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে, মাজার-ই-শরিফের হামলা ফের একবার তা প্রমাণ করল। উত্তর আফগানিস্তানের সেনা ক্যাম্পে শুক্রবারের হামলায় অনেকটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে হতাহতের সংখ্যা। আহতও হয়েছেন প্রচুর সেনা জওয়ান। কী ভাবে হয়েছিল হামলা?

    রক্তাক্ত আফগানিস্তান

    - শুক্রবার রাতে সেনা ক্যাম্পে ঢোকে ১০ তালিবান জঙ্গি - আফগান সেনার পোশাকে থাকায় সহজেই ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে জঙ্গিরা - ক্যাম্পেই একটি মসজিদে প্রার্থনা করছিলেন সেনা জওয়ানরা - তাঁদের লক্ষ করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা - ২ জঙ্গি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় - সেনাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ৭ জঙ্গির মৃত্যু হয় - ১ তালিবান জঙ্গিকে জীবন্ত অবস্থায় আটক করা হয়েছে

    শনিবার হামলার তীব্র নিন্দা করে কাবুলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    হামলার নিন্দা করে মোদি জানিয়েছেন, ‘মাজার-ই-শরিফে কাপুরুষের মতো হামলার তীব্র নিন্দা করছি। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা জানাই ৷’

    মার্কিন নেতৃত্বাধীন নেটো বাহিনীর দীর্ঘ দেড় দশকের অভিযানের পরও আফগানিস্তানের মাটি থেকে নিশ্চিহ্ন করা যায়নি তালিবানকে। যার জন্য প্রতিবেশী পাকিস্তানের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলছে কূটনৈতিক মহল। ইসলামাবাদের মদতেই ফুলে ফেঁপে উঠেছে তালিবান, হক্কানি নেটওয়ার্কের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির। তার জেরেই বারে বারে রক্তাক্ত হচ্ছে কাবুলিওয়ালার দেশ।

    First published: