Bizarre! চাই বেতনসহ ছুটি, ৩৭ দিনের মধ্যে একই মহিলাকে ৪ বার বিয়ে আর ৩ বার ডিভোর্স দিলেন স্বামী

Bizarre! চাই বেতনসহ ছুটি, ৩৭ দিনের মধ্যে একই মহিলাকে ৪ বার বিয়ে আর ৩ বার ডিভোর্স দিলেন স্বামী

চাই বেতনসহ ছুটি, ৩৭ দিনের মধ্যে একই মহিলাকে ৪ বার বিয়ে আর ৩ বার ডিভোর্স দিলেন ব্যক্তি!

৪ বার বিয়ে বাবদ ৩২ দিনের বেতনসহ ছুটি তিনি আদায় করেন ব্যাঙ্কের কাছ থেকে

  • Share this:

#তাইপেই: এ যেন একটু অন্যরকম ছুটির ফাঁদে! ১৯৭৫ সালে সমরেশ বসুর কাহিনি নিয়ে যে ছবি তৈরি করেছিলেন পরিচালক সলিল সেন, সেখানে এক সদ্যবিবাহিত যুবক বসের অনুপস্থিতিতে স্ত্রীয়ের সঙ্গে বেরিয়ে পড়েছিল ছুটি কাটাতে- যাতে চাকরিও বাঁচে, আবার বেতনসহ ছুটিও উপভোগ করা যায়! কিন্তু সম্প্রতি তাইওয়ানের যে ব্যক্তি তাঁর কীর্তির জন্য উঠে এসেছেন সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে, তিনি ছুটির ফাঁদে নিজে পড়েননি, বরং ফেলেছেন তাঁর কর্মপ্রতিষ্ঠানকে।

জানা গিয়েছে যে বেতনসহ বাড়তি ছুটির জন্য এই ব্যক্তি ৩৭ দিনের মধ্যে একই মহিলাকে ৪ বার বিয়ে করেছেন এবং ৩ বার ডিভোর্স দিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশ পেয়েছে যে এই ব্যক্তি তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইয়ের একটি ব্যাঙ্কে কেরানির চাকরি করেন। ২০২০ সালের ৬ এপ্রিল বিয়ের তারিখ দর্শিয়ে তিনি ব্যাঙ্ক থেকে ৮ দিনের বেতনসহ ছুটি মঞ্জুর করিয়ে নেন। এর পরেই শুরু হয় দুর্ধর্ষ বুদ্ধির খেলা! নির্দিষ্ট ৮ দিন পার হয়ে যাওয়ার পরে ওই ব্যক্তি স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন এবং তার পরে আবার বিয়ে করেন। এই ভাবে ৪ বার বিয়ে বাবদ ৩২ দিনের বেতনসহ ছুটি তিনি আদায় করেন ব্যাঙ্কের কাছ থেকে। বলে রাখা ভালো, এই পদক্ষেপ তাইওয়ানের আইন দ্বারা সমর্থিত।

ব্যাঙ্কের অবশ্য কর্মচারীর এই ধূর্ত বুদ্ধি ধরে ফেলতে কোনও অসুবিধা হয়নি। ফলে ব্যাঙ্ক সাফ জানিয়ে দেয় যে নির্ধারিত ৮ দিনের বেশি ছুটি ওই ব্যক্তিকে মঞ্জুর করা হবে না। তাতে বিন্দুমাত্রও দমে না গিয়ে তিনি পর পর বিয়ে এবং ডিভোর্স চালিয়েই যান ৩৭ দিন ধরে। কেন না, তিনি জানতেন যে দেশের আইন অনুসারে সংস্থা তাঁকে এই ছুটি দিতে বাধ্য বেতনসহ!

এর পর বিয়ে শেষে ওই ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে মামলা ঠোকেন তাইপেই সিটি লেবার ব্যুরোর কাছে। ঘটনা জানিয়ে উল্লেখ করেন যে তাঁর প্রতিষ্ঠান এক্ষেত্রে দেশের লেবার লিভ রুলস-এর ২ নম্বর ধারায় উল্লিখিত আইনের অবমাননা করেছে তাঁর ছুটি মঞ্জুর না করে। এই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং সেখানে জয় হয় ওই ব্যক্তিরই, তাইপেই সিটি লেবার ব্যুরো এবং আদালত আইন অবমাননার দায়ে ব্যাঙ্ককে ২০২০ সালের অক্টোবর নাগাদ ২০ হাজার স্থানীয় ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় ৫২,৮০০ টাকা জরিমানা দিতে বাধ্য করে।

ব্যাঙ্ক যদিও এত সহজে হার মানতে চায়নি! মামলা ওঠে এর পর বেইশি লেবার ব্যুরোতে। দুর্ভাগ্যজনত ভাবে এবারেও চলতি বছরের ১০ এপ্রিল আইন অবমাননার জন্য ব্যাঙ্ককেই দায়ী করা হয়। সাফ জানিয়ে দেয় বেইশি লেবার ব্যুরো- ওই ব্যক্তির অভিসন্ধি সৎ না হলেও তিনি আইন মেনে কাজ করেছেন, অতএব ব্যাঙ্ককে জরিমানা দিতে হবে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: