বিদেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

সাধারণ অবসাদ, ঘুমের সমস্যা কেটে যাবে এক টানেই!‌ গাঁজা নিয়ে নতুন দাবি সমীক্ষায়

সাধারণ অবসাদ, ঘুমের সমস্যা কেটে যাবে এক টানেই!‌ গাঁজা নিয়ে নতুন দাবি সমীক্ষায়

এই সমীক্ষাটি ৫৬৮ জন রোগীর উপর করা হয়েছিল। শেষ তিনবছর ধরে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে।

  • Share this:

গাঁজা নিয়ে সারা পৃথিবীতেই অসংখ্য গবেষণা চলছে। তার মধ্যে অনেক দেশই গাঁজার চিকিৎসা স্বার্থে ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে। এবার একটি সমীক্ষায় প্রকাশ করা হল, একাধিক সাধারণ সমস্যা, যেমন ব্যাথা, ঘুমের সমস্যা, মানসিক রোগ যেমন অ্যাংজাইটি, অবসাদ, এসব কাটতে পারে গাঁজা খেলে। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া দিয়েগো স্কুল অফ মেডিসিনের পক্ষ থেকে এই দাবি করা হয়েছে। মার্কিন একটি চিকিৎসা বিষয়ক জার্নালে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। একাধিক দেশে গাঁজা বৈধ করে দেওয়ার বিষয়টিকেও এখানে সাধুবাদ জানানো হয়েছে।

এই সমীক্ষাটি ৫৬৮ জন রোগীর উপর করা হয়েছিল। শেষ তিনবছর ধরে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। এই মোট সংখ্যার অর্ধেক লোক গাঁজা চিকিৎসার স্বার্থে ব্যবহার করতেন। ক্রিস্টোফার কৌফমান, এই গবেষক দলের অন্যতম সদস্য জানিয়েছেন, ব্যাথা, ঘুমের সমস্যা ও অ্যাংজাইটির সমস্যা মেটাতে অনেকেই গাঁজার ব্যবহার করে থাকেন। বেশিরভাগ মানুষ, যাঁরা এই ধরনের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা গাঁজা ব্যবহার করে অনেক সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন। সান দিয়েগোর সিনিয়রস ক্লিনিকে একটি ১০ সপ্তাহের সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ৬১ শতাংশ রোগী, যাঁরা গাঁজা ব্যবহার করে সুস্থ আছেন, তাঁদের বয়স ৬০–এর উপরে। এই গবেষণা পত্রের অন্য আর এক রচয়িতা কেভিন ইয়াং জানিয়েছেন, এঁদের মধ্যে পাঁচ ভাগের তিনভাগ এত বয়সে এসে প্রথমবার গাঁজা ব্যবহার করছেন। বাকিরা আগেও ব্যবহার করেন। যাঁরা এখন ব্যবহার করছেন, তাঁরা নেশা করার বদলে সুস্থ থাকার জন্য এটি ব্যবহার করে থাকেন। অনেকেই এটিকে লোশন হিসাবে ব্যবহার করেন, সিগারেটের মতো টেনে খাওয়ার বদলে।

তাঁরা গবেষণায় বলেছেন, বয়ষ্ক মানুষদের অনেকেরই চিকিৎসার স্বার্থে গাঁজা ব্যবহার করার অভ্যাস আছে। সরকারি ভাবে সেই বিষয়ে বৈধতা দেওয়া ও সচেতনতা তৈরি করা এখন প্রশাসনের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। সরকারের উচিত এই বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলা। এচাড়া, বিভিন্ন মেডিকেল স্কুলেও এই বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণা করার কথা বলেছেন এই গবেষকরা।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 8, 2020, 7:23 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर