টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পিছনে রয়েছে অন্য কারণ, চাঞ্চল্যকর দাবি বিজ্ঞানীদের

টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পিছনে রয়েছে অন্য কারণ, চাঞ্চল্যকর দাবি বিজ্ঞানীদের
বর্তমানে বৈজ্ঞানিকরা, এই জাহাজের ডুবে যাওয়ার পিছনে দোষ যে শুধু হিমশৈলের- তা মানতে পারছেন না।

বর্তমানে বৈজ্ঞানিকরা, এই জাহাজের ডুবে যাওয়ার পিছনে দোষ যে শুধু হিমশৈলের- তা মানতে পারছেন না।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: 'টাইটানিক' সিনেমাটি দেখেননি, এমন মানুষ নেই বললেই চলে। ১৯১২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিক জাহাজডুবির বাস্তব ঘটনা নিয়ে জেমস ক্যামেরন বানিয়েছিলেন ছবিটা। এই সিনেমা দেখেই অধিকাংশ মানুষ জানতে পারেন হিমশৈলে ধাক্কা খেয়ে গভীর রাতে টাইটানিক ডুবে যায়। কিন্তু বর্তমানে বৈজ্ঞানিকরা, এই জাহাজের ডুবে যাওয়ার পিছনে দোষ যে শুধু হিমশৈলের- তা মানতে পারছেন না। টাইটানিক বানানোই হয়েছিল এমন ভাবে যা কোনও অবস্থাতেই ডুবে যাওয়ার কথা ছিল না। সদ্য প্রকাশিত এক রিসার্চ পেপার তাই টাইটানিকের এই পরিণতির পিছনে অন্য এক সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে।

    মিলা জিনকোভা নামে এক গবেষকের মতে, টাইটানিকের ডুবে যাওয়ার পেছনে সৌরঝড়েরও ভূমিকা রয়েছে। সৌরঝড়ে সূর্যের উপরিভাগে তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে যায়, তার ফলে পৃথিবীর স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থায়তেও বাধা সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু তার সঙ্গে টাইটানিক ডুবে যাওয়ার সম্পর্ক কী?

    জিনকোভার দাবি, সৌরঝড় এবং তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া জিওম্যাগ্নেটিক ঝড়, টাইটানিককে ডুবিয়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ। ওয়েদার জার্নালে প্রকাশিত তাঁর এক প্রবন্ধ অনুযায়ী, ১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ওই দুর্ঘটনার সময় শিপটাইম ছিল ২৩৪০। জাহাজের চতুর্থ অফিসার জোসেফ বক্সহেল সেই সময় এসওএস পয়েন্টে ছিলেন। যেখানে জাহাজ থাকার কথা তার থেকে ১৩ নটিক্যাল মাইল দূরে টাইটানিকের অবস্থান ছিল। জাহাজ ডুবে যাওয়ার সময় যখন এসওএস বার্তা পাঠানো হয়, সেইসময় উদ্ধারকারী জাহাজ কার্পেথিয়া, টাইটানিকের যেই জায়গায় থাকার কথা সেই অঞ্চলের বার্তা পায়। তাও কার্পেথিয়া জাহাজের ক্যাপ্টেনের বুদ্ধিমত্ততায় টাইটানিকে থাকা বেশ কিছু মানুষের প্রাণ বাঁচে। যোগাযোগের এই ভুলের কারণ জিনকোভা সেই সময় সূর্যে ঘটে যাওয়া ঝড়ের জন্য বলেই মনে করছেন।


    সৌরঝড় এবং জিওম্যাগ্নেটিক ঝড় এই দুই-ই টাইটানিকের নেভিগেশন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট করে দিয়েছিল। বিশেষ করে এই ঝড়ের জন্যই জাহাজের চৌম্বকীয় কম্পাস ঠিক ভাবে কাজ করতে পারেনি। আর যার জন্য দিক ভুল করে টাইটানিক হিমশৈলে ধাক্কা মারে। অফিসিয়াল রিপোর্টে বলা হয়, জাহাজের কিছু নতুন কর্মীদের জন্যই টাইটানিক এই দুর্ঘটনার শিকার। যিনি জাহাজের রেডিও যোগাযোগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি অনিচ্ছাকৃত ভাবে সার্কিট নষ্ট করে ফেলেন। জিনকোভা অবশ্য জানিয়েছেন,সেইসময় জিওস্টর্ম নিয়ে সবে প্রাথমিক ধারণা গড়ে উঠছিল। যার ফলে জাহাজের ওই কর্মীদের পক্ষে সিগন্যাল এবং নেভিগেশনের অসুবিধাগুলো নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে কিছু করে ওঠাও সম্ভব হত না।

    Published by:Dolon Chattopadhyay
    First published:

    লেটেস্ট খবর