• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • বন্ধুরা নিজের অজান্তেই ক্ষতি করছেন আপনার কাজের! কী ভাবে, জানলে চমকে উঠবেন

বন্ধুরা নিজের অজান্তেই ক্ষতি করছেন আপনার কাজের! কী ভাবে, জানলে চমকে উঠবেন

FOMO অর্থাৎ ফিয়ার অফ মিসিং আউটেরও মতো বিষয়ও। যা নিজেদের অজান্তেই বন্ধুরা চারিয়ে দেন আপনার মনে

FOMO অর্থাৎ ফিয়ার অফ মিসিং আউটেরও মতো বিষয়ও। যা নিজেদের অজান্তেই বন্ধুরা চারিয়ে দেন আপনার মনে

FOMO অর্থাৎ ফিয়ার অফ মিসিং আউটেরও মতো বিষয়ও। যা নিজেদের অজান্তেই বন্ধুরা চারিয়ে দেন আপনার মনে

  • Share this:

#ম্যাসাচুসেটস: সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social media) কার্যকলাপ আপনার কাজের জায়গায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছে এক সমীক্ষা। এই বিষয়ে, সমীক্ষার সহলেখক ও ওয়েস্টফিল্ড স্টেট ইউনিভার্সিটির (Westfield State University) সাইকোলজির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সামার উইলিয়ামস (Summer Williams) জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নানা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ট্রেন্ড, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলিতে মানুষজন নিজেদের কী ভাবে দেখাতে চান, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার দরকার। কারণ সামগ্রিক বিষয়টি একজনের পেশাগত কাজের উপর দারুণ ভাবে প্রভাব ফেলে। উঠে আসছে FOMO অর্থাৎ ফিয়ার অফ মিসিং আউটেরও মতো বিষয়ও। যা নিজেদের অজান্তেই বন্ধুরা চারিয়ে দেন আপনার মনে।

বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করেছেন সমীক্ষার সহলেখক স্টিফেন কুসেলিয়াস (Stephen Kuselias)। একটি উদাহরণ দিয়ে পুরো বিষয় বোঝানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা যেটা দেখছি, তা অর্ধসত্য। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অন্যদের জীবনের ভালো মুহূর্তগুলিই শেয়ার করা হয়। বন্ধুদের এমন পোস্ট দেখতে দেখতে জীবন সম্পর্কে একটা বিভ্রান্তিকর ও একপেশে ধারণা তৈরি হয়। মানুষজন অনেকেই উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে পড়েন। নিজেকে ব্যর্থ ভেবে মনোসংযোগ করতে পারেন না। আর এর জেরে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের কাজ ও কাজের জায়গা।

বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য চারটি আন্তর্জাতিক ফার্মের ৫৬ অডিটরের উপর একটি গবেষণা করা হয়। এ ক্ষেত্রে এই ৫৬ অডিটরকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করে দেওয়া হয়। এই গ্রুপগুলির মধ্য আলাদা আলাদা করে সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টের ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রে গ্রুপ A-কে কিছু ছবি দেখানো হয়। যেখানে নানা অনুষ্ঠানে ভিড়ের মাঝে আনন্দ করছেন মানুষজন। গ্রুপ B-কে একই ছবি দেখানো হয়, কিন্তু এতে লোকজনকে মজা করতে দেখা যায়নি। এর পর গ্রুপ C-কেও একই ছবি দেখানো হয়। কিন্তু কাজ সম্পর্কিত নানা পোস্টও দেখানো হয়। এর পর বিস্তর বিশ্লেষণ করে কিছু তথ্য খুঁজে পান গবেষকরা।

স্টিফেন কুসেলিয়াস জানান, গ্রুপগুলিকে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ছবি দেখানোর পর একটা আলাদা প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অডিটের কাজের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব সুষ্পষ্ট। অন্য দিকে ওয়ার্ক রিলেটেড কন্টেন্ট তথা কাজের ছবি বা পোস্ট দেখার পর সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের পোস্টের প্রতি একটা অনীহাও তৈরি হয়েছে। আর এখানেই মানুষের সাইকোলজি ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে FOMO-এর প্রসঙ্গ উঠে আসে। FOMO অর্থাৎ ফিয়ার অফ মিসিং আউট। এতে জব প্রোফাইলের পাশাপাশি জব পারফরম্যান্সের উপরেও প্রভাব পড়ে।

গবেষকদের বক্তব্য, এই বিষয়গুলি সমাধানের জন্য কোনও সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি নেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির কাছে। কারণ কাজের সময় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে দূরে থাকার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা এত সহজ নয়। তবে এই সমীক্ষা কর্মীদের পাশাপাশি সংস্থাগুলির মধ্যেও একটা সচেতনতা গড়ে তুলবে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: