পৃথিবী ধ্বংসের পূর্ভাবাস! মরুশহরে তুষারপাতের অশনি সংকেত...

ধর্মজাজক ইশায়াহের ভবিষ্যদ্বাণীর কথা তুলে ধরা হয়েছে যেখানে তিনি জানান যে, মরুভূমিতে ফুল ফুটলেই পৃথিবী শেষ ধরে নিতে হবে! এই ধরণের মন্তব্যের ফলে সাধারণ মানুষের মনেও সন্দেহ দানা বাঁধছে৷

ধর্মজাজক ইশায়াহের ভবিষ্যদ্বাণীর কথা তুলে ধরা হয়েছে যেখানে তিনি জানান যে, মরুভূমিতে ফুল ফুটলেই পৃথিবী শেষ ধরে নিতে হবে! এই ধরণের মন্তব্যের ফলে সাধারণ মানুষের মনেও সন্দেহ দানা বাঁধছে৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: পৃথিবী কি ধ্বংস হতে চলেছে? অন্তত বাইবেল ধর্মের প্রচারকরা সেই ইঙ্গিতই পাচ্ছেন৷ প্রচারক পল বেগলেই বিশ্বাস করেন যে শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে৷ একের পর এক ঘটনা সেই ইঙ্গতিই দিচ্ছে৷ বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণ তারই এক উদাহরণ৷ এর মাধ্যমে স্পষ্ট হচ্ছে যে শেষ হতে চলেছে পৃথিবী এবং আবারও মানবজাতির মুক্তিতে প্রভু যীশু আবির্ভাব ঘটবে৷

    এই ধ্বংসের ত্বত্তকে আরও জোরদার করতে সম্প্রতি মরুভূমিতে তুষারপাতের উদাহরণ তুলে ধরেছেন ধর্মগুরুরা৷ তাঁদের মতে যে মরুভূমিতে প্রচন্ড গরম, তাপ থাকে, জলের অভাবে প্রাণ যায়, সেখানে তুষারপাত খুবই অস্বাভাবিক একটা ঘটনা৷ এর মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হচ্ছে যে মুছে যেতে চলেছে পৃথিবীর অস্বিত্ব৷

    ৫০ বছরে প্রথমবার সৌদি আরবের আসির প্রদেশে তুষারপাত হয়েছে৷ মারাত্মক তুষারপাতের ফলে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে চলে যায়৷ -২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল তাপমাত্রা৷ আলজেরিয়ার আইন সেফ্রায়ও তুষারপাত হয়৷ একে গেটওয়ে অব সাহারা বলা হয়৷ মূলত এই এলাকার তাপমাত্রা উর্দ্ধমুখীই থাকে৷ এভাবে তাপমাত্রার হেরফের যেন প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে৷ যা কখনও হয়নি, তেমনই সব আশ্চর্যের ঘটনার সাক্ষী থাকছে বিশ্ববাসী৷ একেই ধ্বংসের শুরু বলে মনে করা হচ্ছে৷

    আরও পড়ুন একই চিতায় পুড়েলন স্বামী-স্ত্রী! ৮ মাসের মধ্যেই ছাড়খার হল সংসার, দেখুন ভিডিও

    ইজরায়েল ৩৬৫ নিউজে বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী দেখানো হয়৷ সেখানে ধর্মজাজক ইশায়াহের ভবিষ্যদ্বাণীর কথা তুলে ধরা হয়েছে যেখানে তিনি জানান যে, মরুভূমিতে ফুল ফুটলেই পৃথিবী শেষ ধরে নিতে হবে! এই ধরণের মন্তব্যের ফলে সাধারণ মানুষের মনেও সন্দেহ দানা বাঁধছে৷ সবাই প্রশ্ন করছেন, তাহলে কি সত্যিই পৃথিবী শেষের পথে? যেভাবে করোনার প্রকোপে মৃত্যুর মিছিল দেখেছে গোটা বিশ্ব, ঘরবন্দি হয়েছে, তারপর অনেকেরই মনের জোর ভেঙেছে৷ আধ্যাতিকতাই শেষ, ঈশ্বরের পথেই মুক্তি, মানতে শুরু করেছেন অনেকে৷ এছাড়াও বেড়েছে ভূমিকম্পের হারও৷

    শুধু মরুভূমি নয়, এবার নয়াদিল্লিতেও ঠাণ্ডা পড়েছিল অতিরিক্ত৷ গত ১১৯ বছরে এত কম তাপমাত্রা দেখেনি দিল্লিবাসী৷ অন্যদিকে ১৯৭১-র পর এবার স্পেনেও ভয়ঙ্কর তুষারঝড় হয়৷ যদিও ধর্মের ভিত্তিতে এগুলিই অশনী সংকেত বলে মনে করছেন, তবে বিজ্ঞানী ও গবেষকরা বলছেন যে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটছে এবং তা মানবজাতি অত্যাচারের ফল! অহরহ গাছ কেটে ফেলা, বাঁধ তৈরি সহ আরও নানাভাবে ধ্বংস হচ্ছে আবহাওয়ার ভারসাম্য৷ তার ফলেই এই ধরণের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে৷ বাতাসে দূষণের মাত্রা বেড়েছে, কার্বোনের মাত্রা অনেকটা বেড়েছে৷ যার জেরে সার্বিক তাপমাত্রা বাড়ছে৷ বা কোথাও ঠান্ডা বাড়ছে৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: