বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিশ্বে প্রথম! সিঙ্গাপুরে বিক্রির ছাড়পত্র পেল ল্যাবরেটরিতে তৈরি চিকেন !

বিশ্বে প্রথম! সিঙ্গাপুরে বিক্রির ছাড়পত্র পেল ল্যাবরেটরিতে তৈরি চিকেন !
photo source Reuters

এক শ্রেণীর মানুষের ভোজনের অভ্যাসকে পরিতৃপ্তি দিতে নির্দ্বিধায় দিনের পর দিন হত্যা করা হচ্ছে নিরীহ প্রাণীদের- মূলত এই অভিযোগ সক্রিয় আমিষবিরোধী আন্দোলনের নেপথ্যে।

  • Share this:

#সিঙ্গাপুর: ল্যাবরেটরিতে তৈরি? তা হলে কি ব্যাপারটা অনেকটা টেস্ট টিউব বেবির মতন? কাছাকাছি ঠিকই, তবে এ ক্ষেত্রে আরেকটি প্রাণ উৎপন্ন হওয়ার কোনও জায়গাই থাকছে না। বিশুদ্ধ মাংস হিসেবেই ল্যাবরেটরিতেই আত্মপ্রকাশ করছে এ হেন চিকেন (Chicken)! অর্থাৎ এই বিষয়টাকে অনেকটা চাষের সঙ্গে তুলনা দেওয়া যেতে পারে।

সম্প্রতি এই তথ্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে। জানা গিয়েছে যে বিশ্বের নিরিখে সিঙ্গাপুরই (Singapore) আপাতত প্রথম এবং সেই একটিমাত্র দেশ যেখানে এ হেন ল্যাবরেটরিতে তৈরি চিকেন বিক্রি স্বীকৃতি হয়েছে সরকারি তরফে। গুড মিট (Good Meat) নামের ব্র্যান্ডের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের (US) এক স্টার্ট-আপ সংস্থা, যার নাম ইট জাস্ট (Eat Just), তারা ওই দেশের রেস্তোরাঁয় এই ধরনের চিকেন সরবরাহের ছাড়পত্র পেয়েছে। তা বলে এখনই সিঙ্গাপুরের নানা রেস্তোরাঁয় এই ল্যাবরেটরিতে তৈরি মাংসের নানা পদ সুলভ হবে না, তা কেবল পাওয়া যাবে ইট জাস্ট-এই!

আসলে সারা বিশ্বেই অনেক দিন ধরে আমিষ খাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নানা রকমের প্রতিবাদ এবং সেই সূত্রে আন্দোলন চলছে। এক শ্রেণীর মানুষের ভোজনের অভ্যাসকে পরিতৃপ্তি দিতে নির্দ্বিধায় দিনের পর দিন হত্যা করা হচ্ছে নিরীহ প্রাণীদের- মূলত এই অভিযোগ সক্রিয় আমিষবিরোধী আন্দোলনের নেপথ্যে। এই জায়গা থেকে ভেজেটারিয়ান এবং ভেগান- এই দুই শ্রেণীর নিরামিষভোজীর জন্য অনেক দিন হল শুরু হয়েছে উদ্ভিজ মাংসের সরবরাহ এবং তা কেনাকাটা। সারা বিশ্বেই বিয়ন্ড মিট (Beyond Meat) নামের এক সংস্থা হুবহু মাংসের স্বাদযুক্ত এই রকমের উদ্ভিজ উপাদান বিক্রি করে থাকে অনেক দিন ধরেই।

সে দিক থেকে দেখতে গেলে ইট জাস্ট-এর এই উপাদানকেও মাংসের বিকল্প বলেই তকমা দিতে হয়। কিন্তু মূল পার্থক্যটি নিহিত রয়েছে তৈরি হওয়ার পদ্ধতি এবং স্বাদের মধ্যে। উদ্ভিজ মাংসের (Plant Based Meat) ক্ষেত্রে মূল উপাদান নানা ধরনের সবজি। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ল্যাবরেটরিতে সরাসরি প্রাণীর কোষ থেকে উৎপন্ন করা হচ্ছে এই ধরনের চিকেন। আর সে কারণেই স্বাদের দিক থেকে তা অনেক বেশি নিখুঁত এবং তৃপ্তিদায়ক বলে দাবি করছে সংস্থা।

জানা গিয়েছে, যে ভাবে সাধারণত কাঁচা মাংস বিক্রি করা হয়, এখনই সে ভাবে এই ল্যাবরেটরিতে তৈরি মাংস বিক্রি হবে না। আপাতত এর বিক্রি সীমাবদ্ধ রয়েছে চিকেন নাগেট হিসেবেই! যার একেকটির দাম ধার্য করা হয়েছে ৫০ ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৩ হাজার ৬৮৭ টাকা ৭৮ পয়সা! স্বাভাবিক! ল্যাবরেটরি এবং তার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের পরিশ্রমটাও মাথায় না রাখলেই নয়!

Published by: Piya Banerjee
First published: December 2, 2020, 7:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर