• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • লকডাউনের আতঙ্ক, সুপারমার্কেট খালি করে জিনিস কিনছেন ব্রিটেনবাসী!

লকডাউনের আতঙ্ক, সুপারমার্কেট খালি করে জিনিস কিনছেন ব্রিটেনবাসী!

স্বাভাবিক ভাবে কেনাকাটার আর্জি পণ্যব্যবসায়ীদের!

স্বাভাবিক ভাবে কেনাকাটার আর্জি পণ্যব্যবসায়ীদের!

স্বাভাবিক ভাবে কেনাকাটার আর্জি পণ্যব্যবসায়ীদের!

  • Share this:

#ব্রিটেন: সারা বিশ্বের চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনাভাইরাস (Coronavirus)-এর নতুন স্ট্রেইন। ইতিমধ্যেই এই নতুন করোনা (Corona) জিনের ফলে ব্রিটেনের পরিস্থিতি প্রায় হাতের বাইরে চলে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেখানকার প্রশাসন। করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেইনটি পুরনো স্ট্রেইনের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রামক। ফলে আবারও লকডাউনের পথে হেঁটেছে ব্রিটেন। এই পরিস্থিতিতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য কেনার উপরে নিয়ন্ত্রণ বসিয়েছে সেখানকার ফুড জায়েন্ট সংস্থা Tesco। ডিম, চাল, সাবান ও টয়লেট পেপারের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিজের ইচ্ছে মতো কেনা যাবে না বলে জানিয়েছে সংস্থা।

গ্রাহকদের জন্য Tesco-র তরফে একটি নিয়ম তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক টয়লেট পেপারের একটা রোল ও তিনটে করে ডিম, চাল, সাবান ও হ্যান্ডওয়াশের প্রোডাক্ট কিনতে পারবেন। যাতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের পরিষেবায় কোনও রকম সমস্যা না হয়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে সংস্থা।

যেহেতু ক্রিসমাসের সময়, সামনে আবার নতুন বছর, এই সময়ে অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য কিনছেন। তাতে পরিষেবায় সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যা যাতে না হয়, তার জন্যই এই ব্যবস্থা করেছে Tesco। এর আগে এই সংস্থা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ওয়াইপস, ময়দা বা আটা ও ড্রায়েড পাস্তার উপরে এমন নিয়ম জারি রেখেছিল। বর্তমানে সেগুলির সঙ্গে জুড়ল এই পণ্যগুলিও।

Tesco-র তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণত, লকডাউন বা এমন কিছু শুনলেই মানুষের মধ্যে প্যানিক তৈরি হয়। যদি কিছু না পাওয়া যায়, এই আতঙ্কে লোকজন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জিনিস কিনতে শুরু করেছেন ইতিমধ্যেই। যার ফলে পণ্য পরিষেবায় সমস্যা হয়। সে দিক থেকে তাই গত মাসেই টয়লেট পেপার কেনার উপরে লিমিট বসিয়ে দেয় তারা। পাশাপাশি সংস্থার তরফে সকলের কাছে আর্জি জানানো হয়, যাতে স্বাভাবিক ভাবে কেনাকাটা করেন সকলে!

ব্রিটেনে শুধু Tesco-ই নয়, Morrisons-ও বিশেষ কিছু খাদ্যদ্রব্যের উপর লিমিট বসিয়েছে। অর্থাৎ কেনার উর্ধ্বসীমা বসিয়েছে।

এ দিকে, সুপারমার্কেট হোলসেলাররা জানিয়েছেন, যেহেতু সব রকম যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে ব্রিটেনে, অন্যান্য সমস্ত দেশের সঙ্গে আপাতত সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, তাই ব্রোকোলি বা লেটুসের মতো সাইট্রাস ফ্রুট বা সবজি ব্রিটেনের মানুষের পেতে একটু সমস্যা হবে। কারণ এই সবজি বা ফলগুলো মূলত ফ্রান্স থেকে ব্রিটেনে আসত।

BBC-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইল্যান্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রিচার্ড ওয়াকার জানান, মার্চে যখন লকডাউন শুরু হয়, তখন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে মানুষের কেনাকাটার সংখ্যা অত্যন্ত বেড়ে যায় এবং এর জন্য সমস্যাও হয় অনেকটা। যার ফলে বর্তমানে এই পদক্ষেপ করতে হয়েছে অনেক সুপারমার্কেট সংস্থাকেই। সকলকে বলা হচ্ছে, স্বাভাবিক যেমন কেনাকাটা করা হয়, তেমনই যেন থাকে বিষয়টা!

ওয়াকারের কথায়, তাঁর সুপারমার্কেট সংস্থা এখনও পর্যন্ত নিয়মে কোনও বদল আনেনি। কিন্তু তিনি লক্ষ্য করে দেখেছেন, টয়লেট পেপারের প্রয়োজনীয়তা একটু বেশিই রয়েছে!

Published by:Pooja Basu
First published: