মিটেছে সম্পর্কের তিক্ততা; মনোমালিন্য দূরে ঠেলে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জন্মদিনে আমন্ত্রিত হলেন মেগান-হ্যারি!

হ্যারি আর মেগানকে শেষবারের মতো গত বছর মার্চে ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে কমনওয়েলথ সার্ভিসের মতো রাজকীয় অনুষ্ঠানে শেষবার দেখা যায়। আর তার পরেই দু'জনে ক্যালিফোর্নিয়া পাড়ি দেন।

হ্যারি আর মেগানকে শেষবারের মতো গত বছর মার্চে ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে কমনওয়েলথ সার্ভিসের মতো রাজকীয় অনুষ্ঠানে শেষবার দেখা যায়। আর তার পরেই দু'জনে ক্যালিফোর্নিয়া পাড়ি দেন।

  • Share this:

বিলেতের মতো এদেশে মোটা মোটা দিস্তা খাতার মতো ট্যাবলয়েড না বেরোলেও, বিলেতের রাজপরিবার নিয়ে আমাদেরও কৌতূহল কিছু কম নয়। তাই মোটামুটি ভাবে সবারই জানা আছে যে রানি এলিজাবেথের (Elizabeth II) মতো ঠাকুমার ভ্রুকুটি অগ্রাহ্য করে রাজপরিবারের সন্তান হওয়ার সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যুবরাজ হ্যারি (Prince Harry) ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কলে (Meghan Markle)। রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁদের আর কোনও দায়িত্ব থাকল না- এই মর্মে মুচলেকা গোছের দিয়ে সস্ত্রীক হ্যারি ইংল্যান্ড ছেড়ে পাড়ি দেন আমেরিকা। সেখানে সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করবেন, সেটাই ছিল উদ্দেশ্য। ক্রিসমাসের আগে আমেরিকার রাস্তায় দু'জনকে দেখাও যায়। স্ত্রীর আবদারে ক্রিসমাস ট্রি কিনতে এসেছিলেন যুবরাজ। হ্যারি ও মেগানের এ হেন আচরণে রাজপরিবার যে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ, সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ছাড়াও হ্যারির এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত অপমানিত হয়েছিলেন তাঁর দাদা যুবরাজ উইলিয়াম (Prince William)। তবে এত দিনে বোধহয় সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, আগামী জুনে এলিজাবেথের জন্মদিনে একটি পারিবারিক মহামিলন পর্ব দেখতে চলেছেন ইংল্যান্ডবাসী। এই বছরে ৯৫-এ পা দেবেন রানি। আর তার জন্য একটি কালার প্যারেড করার ইচ্ছে আছে রাজপরিবারের পক্ষ থেকে। সেই অনুষ্ঠানেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত থাকতে পারেন হ্যারি এবং মেগানও। তবে ইংল্যান্ডে নতুন করে লকডাউন শুরু হওয়ায় এই অনুষ্ঠান করা আদৌ কতটা সম্ভবপর হবে, সেটা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। অতিমারীর কথা মাথায় রেখে এটাও বলা সম্ভব নয় যে কতটা বর্ণাঢ্য হবে এই জন্মদিন। তা ছাড়া জাঁকজমক হলেও অনুষ্ঠানের দিন রানি ও রাজপরিবার আমজনতার সামনে আসবেন কি না, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। আমজনতার সামনে রানি একটি ইভেন্টে কয়েক মুহূর্তের জন্য গত বছর এসেছিলেন। হ্যারি আর মেগানকে শেষবারের মতো গত বছর মার্চে ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে কমনওয়েলথ সার্ভিসের মতো রাজকীয় অনুষ্ঠানে শেষবার দেখা যায়। আর তার পরেই দু'জনে ক্যালিফোর্নিয়া পাড়ি দেন। ভাইয়ের দেশ ছাড়ায় বেজায় চটেছিলেন দাদা উইলিয়াম। তবে কিছু দিন ধরেই না কি তাঁদের মধ্যে ভিডিও কলে কথাবার্তা হচ্ছে। ফাইন্ডিং ফ্রিডম নামক একটি বইয়ে এই অভিযোগ করা হয় যে মেগানের বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন হ্যারি। তবে হ্যারি ও মেগান পরে জানান যে এই বইয়ের সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই!

Published by:Elina Datta
First published: